ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শিরোনাম
◈ প্যানেল থেকে নিয়োগের সুযোগ কোন নেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ◈ আগামী ১ জানুয়ারি ২০২০ চালু হচ্ছে ‘নগর অ্যাপ’: মেয়র আতিকুল ◈ এই মুহূর্তে ওমরায় যাওয়ার সুযোগ নেই : ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনবে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান ◈ বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বাংলাদেশের পরিপন্থী পাকিস্তানের এজেন্ট ছিল ॥ আবদুল মুহিত ◈ ঢাকার জলাবদ্ধতার মূল কারণ খাল দখল ॥ তাপস ◈ সাজার রায়ে আমৃত্যু উল্লেখ না করলে যাবজ্জীবন ৩০ বছর ◈ দুদকের পরামর্শে কাজ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্যের দুর্নীতি বন্ধে ১৬ সুপারিশ ◈ বিধিমালা শিথিল সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবে অটিস্টিক প্রতিষ্ঠান ◈ কাঙ্ক্ষিত হারে কমছে না খেলাপি ঋণ

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে ব্রিজে উঠতে সাঁকো, দুর্ভোগ চরমে।

প্রকাশিত : 06:30 PM, 7 November 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ঘাটাবাড়ি এলাকায় রূপসী-পাকুরতলা সড়কে ২ বছর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬৫৭ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফুট কংক্রিট ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে ওই ব্রিজের দু’পাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় ওই এলাকার ৫ গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠে পার হচ্ছে। গ্রামগুলো হলো-জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর, ঘাটাবাড়ি, পাকুরতলা, বাঐখোলা ও কুঠিরপাড়া। এ বিষয়ে জালালপুর গ্রামের, আসাদ আলী, আতিক হাসান, রহম আলী, বাবলু মিয়া, পাকুরতলা গ্রামের দেরাজ মোল্লা, আব্দুল হামিদ, দুলাল শেখ, তয়জাল মোল্লা, রবি চান ও আলম শেখ জানান, দুই বছর ধরে আমরা যাতায়াতে চরম কষ্ট পোহাচ্ছি। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও স্কুলগামী শিশুদের যাতায়াতে বেশি কষ্ট হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর দায়সারা ভাবে সামান্য মাটি ফেলা হয়। ফলে বর্ষার শুরুতেই তা ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এরপর দুই বছর ধরে স্থানীয়রা এ ব্রিজের দু’পাশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে পারাপারে পয়সা তুলছে।
এতে কষ্ট করে যাতায়াত করা গেলেও অর্থদণ্ড লাগছে। তারা বলেন, দুই বছর ধরে এ ব্রিজে সংযোগ সড়ক না থাকায় এ সড়ক দিয়ে সরাসরি কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ধান, চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ও ভারী বোঝা মাথায় করে পার করতে হয়। এতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। তাই তারা অবিলম্বে ব্রিজটির দু’পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, ব্রিজিটি নির্মাণের পর মাটিভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির তীব্র চাপে তা ভেঙে গেছে। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পানি সরে গেলে আবারও মাটিভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হবে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, পয়সা তোলার বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ছাড়া ব্রিজটি নির্মাণের পর মাটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির তীব্র চাপে তা ভেঙে গেছে। পানি সরে গেলে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT