ঢাকা, মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে ॥ বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল বৈঠক

প্রকাশিত : 08:58 AM, 18 December 2020 Friday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

করোনা অতিমারীর মধ্যে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়ার কথা বলেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। উভয় দেশেরই প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে দু’দেশের অর্থনীতি আরও সংহত করার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত অতিক্রম করছে উল্লেখ করে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক ঐকমত্য রয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে দুই দেশই নিজ নিজ অর্থনীতি আরও সংহত করতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক নির্ভরতাকে আমরা আনন্দের সঙ্গে স্বীকৃতি দিই।

অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার কথা জানিয়ে বলেন, তার সরকার ‘প্রতিবেশীর অগ্রাধিকার’ নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই নীতির ‘এক নম্বর স্তম্ভ’ হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার এই নীতি দায়িত্ব নেয়ার প্রথমদিন থেকেই আমার অগ্রাধিকারে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠকে যোগ দেন। তাদের এই বৈঠকের আগে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, সামাজিক উন্নয়ন, কৃষিসহ সাতটি বিষয়ে সহযোগিতার লক্ষ্যে সাতটি কাঠামো চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে ভার্চুয়াল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব চুক্তি স্বাক্ষর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

আর ভার্চুয়াল বৈঠকে ৫৫ বছর পর বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ির মধ্যে রেল করিডোরেরও সুইচ টিপে উদ্বোধন করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ওই রেলপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এছাড়া ভার্চুয়াল বৈঠকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের পোস্টার ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি স্মারক ডাক টিকেট যৌথভাবে উদ্বোধন করেন। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধু-বাপু (মহাত্মা গান্ধী) ডিজিটাল এক্সিবিশনও উদ্বোধন করেন দুই দেশের এই দুই সরকার প্রধান। এছাড়া দুই নেতার ওপর একটি ছোট্ট প্রমোও দেখানো হয়।

চলতি বছরের মার্চে মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবে করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে মূল আয়োজন বাতিল হওয়ায় তার আর আসা হয়নি। আগামী বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের জন্যও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন ॥ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, উভয় দেশ বিদ্যমান সহযোগিতামূলক ঐকমত্যের সুযোগ নিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে আরও সংহত করে বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক ভ্যালু-চেইন আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। আমাদের চলমান যোগাযোগের উদ্যোগগুলো এক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। এর অন্যতম উদাহরণ হল ‘চিলাহাটি-হলদিবাড়ি’ রেল সংযোগ পুনরায় চালু করা।

চলমান করোনা মহামারীর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীতে বিশ্ব মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন এবং মানবজাতি কীভাবে এই অজানা শত্রুর মোকাবেলা করে তার পরীক্ষার মুখোমুখি। সম্ভবত কোভিড-১৯ মহামারীর সবচেয়ে বড় বহির্প্রকাশ হল মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা। এ বছরের গোড়ার দিকে ঢাকায় আপনাকে (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) স্বাগত জানানোর ইচ্ছা অপূর্ণ থেকে গেছে। তবুও, আমাদের গত শীর্ষ সম্মেলনের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে উভয়পক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেভাবে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এগিয়ে নিয়েছে- তা প্রশংসাযোগ্য।

বাংলাদেশের সরকারপ্রধান বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বাঙালীর বিজয়ের মাসে এ বৈঠক করতে পেরে তিনি আনন্দিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ হওয়া ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও ২০১৯ সালের অক্টোবরে দিল্লীর হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে তার আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

এ বছর মহামারীর মধ্যেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ বছরজুড়ে রেলরুট দিয়ে বাণিজ্য, উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন ও সভা, সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, কলকাতা থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারতীয় পণ্যসামগ্রীর প্রথম পরীক্ষামূলক চালান প্রেরণ এবং অবশ্যই কোভিড-১৯ বিষয়ে সহযোগিতার ন্যায় বিভিন্ন উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি।

বিশ্বের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত ও জনবহুল অঞ্চলে ভারত সরকার যেভাবে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করেছে, সেজন্য নরেন্দ্র মোদির সরকারের প্রশংসাও করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্যাকেজগুলো ছাড়াও, ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর উদ্যোগে প্রবর্তিত অর্থনৈতিক প্যাকেজগুলো প্রশংসনীয়। আমরা বিশ্ব¦াস করি, আপনার গৃহীত নীতিমালার মাধ্যমে ভারত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশেও আমরা এই মহামারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব উপশম করতে ১৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। মার্চের গোড়ার দিকে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের পরে আমরা আড়াই কোটির বেশি মানুষকে সহায়তা প্রদানের জন্য সামাজিক সুরক্ষার আওতা সম্প্রসারিত করেছি।

তিনি বলেন, করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করতে ব্যাপক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইন ব্যাপক বিঘ্ন ঘটা এবং ভোক্তাদের চাহিদা হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও আমাদের অর্থনীতি উর্ধমুখী প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি ‘যুগান্তকারী মুহূর্ত’ অতিক্রম করছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বাংলাদেশ ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ এবং ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠারও ৫০তম বছরে পা রেখেছে। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করছে। তার কয়েক মাস আগে, ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশত জন্মবার্ষিকী বাংলাদেশে উদ্যাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, বাংলাদেশে বাপুজির (মহাত্মা গান্ধী) প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে একটি বিশেষ ডাক টিকেট অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ভারতের ডাক বিভাগ একটি স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করা হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা যৌথভাবে উদ্যাপনের জন্য আগ্রহী হওয়ায় ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের অবিচ্ছেদ্য যোগসূত্র স্মরণে আমরা বিশ্বব্যাপী বাছাই করা কিছু শহরে আগামী বছরজুড়ে যৌথ কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০২১ সালের ২৬-এ মার্চ ঢাকায় আপনার (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) উপস্থিতি আমাদের যৌথ উদ্যাপনের গৌরবময় স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক নির্ভরতা আমরা আনন্দের সঙ্গে স্বীকৃতি দেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেশ কিছুসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবা খাতে নিযুক্ত রয়েছেন এবং তারা নিজ দেশ ভারতে রেমিটেন্স পাঠিয়ে থাকেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটক এবং চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীকে ভারত গ্রহণ করে।

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করলেও তার পরদিন ১৭ ডিসেম্বর তাদের মুক্তির কথা বৈঠকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি আমার জন্য একটি বিশেষ দিন। ১৭ ডিসেম্বরও পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অধীনে আমার মা, ছোট বোন শেখ রেহানা, শেখ রাসেল ও আমি এবং চার মাসের জয় (সজীব ওয়াজেদ জয়) বন্দী ছিলাম। ভারতের কর্নেল অশোক তারা এসে ১৭ ডিসেম্বর আমাদের পাকবাহিনীর কাছ থেকে মুক্ত করেন। আজকেই সেই দিন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়, কিন্তু আমরা মুক্ত হয়েছিলাম ১৭ ডিসেম্বর। এ সময় তিনি কর্নেল অশোক তারাসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য দেশটির সরকার এবং ভারতের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি। আবেগজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, সেইদিন আমরা যারা মুক্ত হয়েছিলাম তাদের মধ্যে শুধু রেহানা (শেখ রেহানা), জয় (সজীব ওয়াজেদ জয়) এবং আমি বেঁচে আছি। আমরা তিনজন ছাড়া আর কেউ বেঁচে নেই।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যা বলেন ॥ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার বক্তব্যের শুরুতেই মুজিববর্ষ উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। আগামী বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, আপনার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন আমার জন্য একটি সম্মানের বিষয়।

বাংলাদেশের বিজয় দিবসের একদিন পরে এই শীর্ষ বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি আমাদের জন্য গর্বের যে, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় আমি আপনার সঙ্গে একসঙ্গে উদ্যাপন করছি। দুই দেশের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বুধবার বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি জাতীয় ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করি এবং একটি বিজয় মশাল প্রজ্বালন করি। এই মশাল সারা ভারতে ঘোরানো হবে এবং ভারতীয় শহীদদের গ্রামে নেয়া হবে। এ উপলক্ষে ভারতে একাধিক কর্মসূচী পালিত হয় বলে জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধুর বার্তা চিরন্তন জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, এটি আমার জন্য সম্মানের যে আমি আপনার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ওপর ডাক টিকেট অবমুক্ত এবং বাপু-বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল এক্সিবিশন উদ্বোধন করছি। তারা আমাদের তরুণদের সবসময়ই উদ্বুদ্ধ করে যাবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী নীতির প্রথম পিলার (স্তম্ভ)। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী ও দৃঢ় করার বিষয়টি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথমদিন থেকেই তার অগ্রাধিকার। চলমান এই বছরটি মহামারীর জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং, তবে এরমধ্যেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভাল সহযোগিতা ছিল এবং ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আছে বলে জানান তিনি।

সার্ক কাঠামোতে দুই দেশ কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, অন্যান্য ক্ষেত্রেও দুই দেশের অংশীদারিত্ব এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা স্থল সীমান্ত বাণিজ্যে সমস্যা কমাতে পেরেছি, কানেক্টিভিটি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নতুন নতুন জিনিস যোগ হয়েছে। এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, আমরা দু’দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চাই।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT