ঢাকা, শনিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

সবজির দাম কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের

প্রকাশিত : 10:56 AM, 19 December 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

নিত্যপণ্যের বাজারে শাক-সবজির দাম কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের। সরবরাহ বাড়ায় টিসিবির ট্রাকসেলে প্রতিকেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ২০ টাকায়। দেশী মাছের সরবরাহ বেড়েছে বাজারে। ব্রয়লার ও দেশী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম উর্ধমুখী। ডাল, চিনি ও আটার দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, কাপ্তান বাজার, খিলগাঁও সিটি কর্পোরেশন মার্কেট এবং মালিবাগ রেলগেট কাঁচা বাজার ঘুওে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গত সেপ্টম্বর ও অক্টোবর মাসে বাজারের ‘হটকেক’ খ্যাত পেঁয়াজ এখন সবচেয়ে কমদামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। সবচেয়ে বেশি কমেছে আমদানিকৃত তুরস্ক, মিসর ও চীনের পেঁয়াজের দাম। সরকারী বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবির ট্রাকসেলে প্রতিকেজি চীন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০ টাকায়। এছাড়া খুচরা বাজারে এসব পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। টিসিবির ট্রাকসেলে পেঁয়াজ কেনার দীর্ঘলাইন এখন আর দেখা যায় না। এতে করে যেকেউ এখন টিসিবির কম দামের পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। এছাড়া বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন মুড়িকাটা ও পাতা পেঁয়াজ। এ কারণে দেশী পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

ফকিরাপুল বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ফজল জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে এখন পেঁয়াজের দাম অনেক কম। একমাস আগেও এসব পেঁয়াজের দাম চড়া ছিল। এখন দাম অর্ধেক কমে ৩০-৪০ টাকার মধ্যে নেমে এসেছে। পেঁয়াজের দাম কমে আসায় বাজাওে ¯^স্তি বিরাজ করছে।

রাজধানীর বাজারে আরও বেড়েছে শীতের সবজির সরবরাহ। এতে করে সবজির দাম আরও কমেছে। জাতভেদে প্রতিকেজি শিম ২৫-৩০, প্রতিজোরা ফুলকপি-বাধাকপি ৪০-৫০ এবং প্রতিপিস লাউ ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নতুন আলু। প্রতিকেজি নতুন আলু ৫০-৬০ এবং পুরনো আলু ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো, শসা, গাজরসহ সব ধরনের সবজির দাম এখন কম।

সবজির দাম প্রসঙ্গে কাপ্তান বাজারের সবজি বিক্রেতা খলিল জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম আরও কমেছে। প্রতিদিন রাজধানীর কাওরান বাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সবজিবাহী ট্রাক আসছে। এতে করে পাইকারি বাজাওে সবজির দাম কমে গেছে। আর এ কারণে খুচরা বাজারেও সবজির দাম কমে গেছে। বাজারে এখন ভোজ্যতেলের দাম চড়া। গত একমাস ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন, পামওয়েল ও পামওয়েল সুপার। এরমধ্যে আবার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম। প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন মানভেদে ১০৩-১০৫ এবং বোতলজাত ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

গত পনের দিন যাবত চালের দাম বেড়ে আর কমছে না। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সরুচাল হিসেবে খ্যাত মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম। প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৫৬-৬৫ এবং নাজিরশাইল চাল ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা ৫০-৫৪ এবং মোটা স্বর্ণা ও চায়না ইরি ৪৪-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। বাজারে সব ধরনের দেশী মাছের সরবাহ বেড়েছে। রুই, কাতলা, মৃগেল এবং শৈল মাছের সরবরাহ বেড়েছে। প্রতিকেজি শৈল মাছ ৫০০-৬০০ এবং রুই মাছ ৩০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশী মাছের পাশাপাশি বাজারে ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম চড়া। ব্রয়লার মুরগি ১২৫-১৩০ এবং দেশী মুরগি প্রতিপিস ৪০০-৫০০, লাল মুরগি ২০০ টাকা কেজি এবং পাঁতিহাস প্রতিপিস ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। শীত বাড়ায় পাঁতিহাসের বিক্রি বেড়েছে বাজারে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT