ঢাকা, মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শতভাগ হালাল খাদ্যপণ্য রফতানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে

প্রকাশিত : 09:15 PM, 11 November 2020 Wednesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ থেকে শতভাগ হালাল খাদ্য পণ্য রফতানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন সক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ শুরু করেছে সরকার। বিদেশী ক্রেতাদেশগুলো বাংলাদেশ থেকে হালাল পণ্য কিনতে চায়।

কিন্তু পণ্যের মান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন না থাকায় হালাল পণ্য রফতানিতে পিছিয়ে আছে দেশ। তবে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জন করা গেলে রফতানি কয়েকগুন বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘হালাল পণ্যসহ সকল পণ্যের সার্টিফিকেশন সক্ষমতা ও হালাল রফতানির সম্ভাবনা’ সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কর্মশালায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার হালাল খাদ্য পণ্য রফতানি করা হয়। কিন্তু সার্টিফিকেশন সমস্যার কারণে রফতানি বাড়ানো যাচ্ছে না। অথচ হালালভাবে তৈরি খাদ্যগুলো মুসলিম ও নন মুসলিম দেশগুলো যেমন ব্রিটেন ও আমেরিকার ভোক্তাদের কাছে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ^বিদ্যারয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর রুমানা হক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠোনের বিশেষ অতিথি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(রফতানি) মো. ওবায়দুল আজম বক্তব্য রাখেন।

কর্মশালার প্রধান অতিথি বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, বিশ^ব্যাপী হালাল পণ্যের বিশাল বাজার সৃষ্টি হয়েছে। দিনদিন এ বাজার বড় হচ্ছে। আমাদের সুযোগ এসেছে হালাল পণ্যের রফতানি বাজার দখল করার। তিনি বলেন, হালাল পণ্য রফতানির সক্ষমতা রয়েছে, এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হচ্ছে। তখন রফতানি বাণিজ্যে জিএসপি সুবিধাসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকবে না। রফতানির জন্য এটা আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে উন্নত দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করেই এগিয়ে যেতে হবে। বাণিজ্য সচিব বলেন, রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য নতুন রফতানি পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। হালাল পণ্যসহ সকল পণ্যের সার্টিফিকেশন সক্ষমতা অর্জন ও রফতানি বৃদ্ধি করতে হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, বাণিজ্যমন্ত্রীর নিদের্শনা মোতাবেক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বর্তমান রফতানি দশগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।

এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং বেসরকারি সেক্টরকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পেশা দারিত্বের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে গেলে হালাল পণ্যের বিশ্ববাজারে বড় অবদান রাখতে পারবে।

এজন্য করনীয় নির্ধারণ করতে হবে। অনেক দেশ হালাল সার্টিফিকেশন অথরিটি গঠন করে কাজ করছে। এ সকল দেশের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সুযোগ আছে। নিজেদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ কওে রফতানি বৃদ্ধি করতে হবে। পর্যাপ্ত হালাল পণ্য এবং দক্ষ জনবল রয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে হবে।

কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং এ খাতের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও মতামত প্রদান করেন। কর্মশালায় বেশ কিছু সুপারিশমালা গ্রহণ করা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT