শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২, ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ ব্যাংকারদের সর্বনিম্ন বেতন বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ১ মার্চ থেকে কার্যকর ◈ জমির ক্ষেত্রে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বন্ধ হচ্ছে ◈ মারধর করে যুবককে মেরে ফেলল বনভোজনের যাত্রীরা ◈ করোনায় শনাক্ত ১০ হাজার ছাড়াল ◈ এমন কোনো দেশ নাই যেখানে এনকাউন্টার ঘটে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শাবিতে অনশনরত দুইজন হাসপাতালে, চিকিৎসায় মেডিকেল টিম ◈ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলেই সাংবাদিককে গ্রেফতার নয়, ডিসিদের আইনমন্ত্রী ◈ পুলিশ সার্জেন্ট টাকা চাননি, ক্ষমা চেয়েছেন সেই চীনা নাগরিক ◈ অসহিষ্ণুতায় অনেক ছোট ঘটনা বড় রূপ পায় ◈ চালের কৃত্রিম সংকট অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন

রামেকে শয্যা সংকট, মেঝেই ভরসা

প্রকাশিত : 11:44 AM, 22 June 2021 Tuesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

ওয়ার্ডে শয্যা খালি নেই। তাই জরুরি বিভাগেই অক্সিজেন দেওয়ার জন্য দুটি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাও খালি নেই। রাশিদা বেগম (৫০) তাই মেঝেতেই বসে পড়লেন। সেখানেই তাঁর মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দেওয়া হয়। শয্যা খালি না হওয়ায় দুপুরের দিকে তাঁকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা শয্যার অতিরিক্ত রোগী সামাল দিতে এভাবেই হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ধরনের রোগীর জন্য শয্যা ছিল ৩০৯টি। আর রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৪০২ জন। কর্তৃপক্ষ বলছে, সোমবার আরও একটি নতুন ওয়ার্ড করোনা ডেডিকেটেড করা হয়েছে।

রিনা বেগমের (ছদ্মনাম) বাড়ি রাজশাহী নগরের খড়খড়ি এলাকায়। তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিলেন তাঁর মেয়ে। করোনা রোগী নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে, এ জন্য নিজের নামটা বললেন। কোনো ওয়ার্ডে জায়গা না থাকার কারণে ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়ি চলে যান।

জেলার পুঠিয়ার সরিষাবাড়ি এলাকা থেকে এসেছেন জাফার শাহ (৫৫)। তাঁর ছেলে রাসেল বলেন, তাঁর বাবা স্থানীয় একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করেন। আট-নয় দিন ধরে জ্বর ছিল। গতকাল সকালে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে সকাল আটটার দিকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। ওয়ার্ডে শয্যা খালি না হওয়ার কারণে তাঁকে জরুরি বিভাগের একটি শয্যায় শুইয়ে সেখানেই অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বেলা একটার দিকে তাঁদের হাসপাতালের ৩ নম্বর করোনা ওয়ার্ডে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। বিকেল সাড়ে চারটার সময় ওই ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, তাঁদের কোনো শয্যাই আর ফাঁকা নেই। মেঝেতে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। সেখানেই মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলে রাসেল বলেন, ‘সকালের দিকে বাবার অবস্থা অনেকটা ভালো ছিল। এখন খারাপ লাগছে।’

জরুরি বিভাগের রোগীর অবস্থার বিষয়টি জানালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম ইয়াজদানী বলেন, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে গতকাল ৪৮ শয্যার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। তাতে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবারের করোনার ধরন ভিন্ন। অক্সিজেন ছাড়া কোনো রোগী রাখার উপায় নেই। সোমবার সারা দিনে ৪২ জন রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন রোগী দিয়ে তার পর থেকে নতুন ওয়ার্ডে রোগী নেওয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, তাঁদের ১৮৩টি অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর রয়েছে। সিলিন্ডার রয়েছে ৭৫২টি। সিলিন্ডার অনেক লাগে। এ জন্য তাঁরা আরও ২০০ কেনার প্রস্তুতি নিয়েছেন

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT