ঢাকা, বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

রাজশাহীতে ঈদ উপলক্ষে কামারদের দম ফেলার সময় নেই।

প্রকাশিত : 05:44 PM, 19 July 2021 Monday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজশাহীর সর্বত্র কামাররা কর্মমুখর দিন পালন করছেন।তাদের দম ফেলার সময় নেই।রাজশাহীর হরগ্রামে একটি কামারের দোকান আছে। বছরের অন্যান্য সময় তাদের বসে থাকতে হয়। সামনে ঈদুল আযহা। উক্ত কামার জানান।বছরে তাদের একটাই সিজিন। এখন রাত্রেও কাজ করতে হচ্ছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় নার্সারীর প্রাচীর সংলগ্ন উপরে পলিথিন টাঙ্গিয়ে দিন রাত সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় রাজশাহীর নিউ মার্কেটের পার্শ্বে, পুঠিয়া, বাঘা,তানোর,গোদাগাড়ী,দুর্গাপুর,মোহনপুর সর্বত্র একই চিত্র দেখা গেছে।এবং খড়ির আড়তগুলোতে দেখা যাচ্ছে গাছের মোটা গুল গুলো কেটে টুকরো করে রাখা আছে।যা মাংশ কাটার সময় লাগবে।

অন্য বছরের তুলনায় এবার করোনা ভাইরাসের কারণে কাজে অনেকটা প্রভাব পড়েছে। তারপরেও ইদকে সামনে রেখে কোরবানির পশু জবাইসহ কাটাকুটিতে ধারালো দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি, চাকুসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরিতে এখন কর্মমুখর হয়ে উঠেছে রাজশাহীর প্রতিটি উপজেলায় কামার সম্প্রদায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন।জানা যায়, কয়লার চুলায় দগদগে আগুনে গরম লোহা ছন্দোময় পিটাপিটিতে শৈল্পিক হাতের ছোঁয়ায় তৈরি যন্ত্রপাতি খুচরা ও পাইকারি বাজারে চাহিদা মাফিক সরবরাহ করতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এসব সরঞ্জাম তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কামার সম্প্রদায়ের শতাধিক লোকজন। এ সময়টাই একটু বেশি উপার্জনের আশায় বিশ্রাম বাদ দিয়েই ক্রেতাদের পছন্দ মতো মাংস কাটার যন্ত্রপাতি তৈরি করে চলেছে কামাররা। ধাতব সরঞ্জামাদি শান দিতেও ভিড় বাড়াচ্ছে। তাদের ঢুং, ঢাং, টুং টাং শব্দে ভোরেই ঘুম ভাঙছে দোকানের আশে পাশের এলাকার মানুষের।
অন্যদিকে ভ্রাম্যমান শানদানিরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে কোরবানি দাতাদের পুরোনো সরঞ্জাম শান দেয়ারও কাজে নেমেছে। অপরদিকে পশু কোরাবানি করার সরঞ্জাম কিনতে কামারদের কাছে ছুটছেন অনেকে।
উপজেলার বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, আকার ভেদে প্রতি পিস ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৫০-১৫০ টাকা, চাপাতি ৫০০-৬০০ টাকায় এবং বঁটি ২৫০-৬০০ টাকা।
দিঘা বাজারে কামার শিল্পের সঙ্গে ৩৫ বছর জড়িত একজন জানান, ওইসব যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য যেসব মালামাল প্রয়োজন হয়, বাজার থেকে সেগুলো বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে তৈরিকৃত ওইসব যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে। আর দাম বেশির কারণে পুরানোগুলো শান দিয়ে ধারালো করে নিচ্ছেন বেশির ভাগ লোকজন। সান দেয়ার কাজ করেও বাড়তি আয় হচ্ছে। এবারের ইদে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় হবে বলে আশা করছেন তিনি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT