ঢাকা, সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

মাস্ক পরার বিধান অনেকেই মানছে না

প্রকাশিত : 01:35 PM, 9 September 2020 Wednesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস ঠেকাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি মাস্ক পরিধানে আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলেও অধিকাংশ মানুষই তা মানছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে মাস্ক পরার হার প্রায় শূন্য। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতেও ক্রমশ কমে যাচ্ছে মাস্ক পরা লোকের সংখ্যা। অথচ ঘোষণা অনুযায়ী মাস্ক না পরে বাইরে বের হলে জেল জরিমানার বিধান রয়েছে। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ আইনের আওতায় মাস্ক না পরে কেউ বের হলে ৬ মাস জেল অথবা এক লাখ টাকা জারিমানা বা উভয় দ-ে দ-িত হবেন। এ ছাড়া আদেশ অমান্য করার কারণে একই ব্যক্তি আরও তিন মাসের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার দ-ে পড়তে পারেন। সাধারণ মানুষ যেমন এই আইন মানছে না তেমনি আইনের প্রয়োগও কোথাও চোখে পড়ছে না। আইন আছে কিন্তু এর প্রয়োগ নেই। আইনের শাসনের মূল মন্ত্রই হলো আইনের যথাযথ প্রয়োগ। আইন থাকলেও যথাযথ প্রযোগ না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ আইনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যার ফলে ন্যায়বিচার ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। আইন বিশেজ্ঞদের অভিমত, নিজের স্বার্থে জনগণের স্বার্থেই মাক্স পরতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে। আর যদি কেউ মাস্ক না পরে তা হলে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে আইন মেনে মাস্ক পরে বাইরে যাবার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আইনের প্রয়োগের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ এর ১১(১) ধারার ক্ষমতাবলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, সরকারের অনুমোদন ক্রমে সংক্রমিত এলাকা ঘোষণা করতে পারেন। কোন সংক্রামক ব্যাধি আক্রান্ত হয়েছে বা আক্রান্ত হতে পারে, তা যুক্তিসংগত মনে হলে সংক্রামক বিস্তার নির্মূল বা সীমিত করার জন্য সংক্রমিত ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, গৃহ, আঙ্গিনা, বাসস্থান বা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ, সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে বা সংক্রমিত স্থানে অন্য কোন ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ, সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

এই আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলো ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারা। ২৪ ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন ব্যক্তি সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করেন, বা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি বা স্থাপনার সংস্পর্শে আসিবার সময় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি তাহার নিকট গোপন করেন তাহা হইলে তাহা হবে একটি অপরাধ। এই ধারার অপরাধ করলে অনুুর্ধ ৬ মাস কারাদ- বা অনুর্ধ ১ লক্ষ টাকা অর্থ দ- বা উভয় দ-ে দ-িত হইবেন। ২৫ ধারায় বলা হয়েছেÑ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার ওপর অর্পিত কোন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এবং নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন তা অনুরূপ কার্য হবে একটি অপরাধ, এই অপরাধের সাজা হলো ৩ মাস কারাদ- বা অনুর্ধ ৫০ হাজার টাকা অর্থদ-, বা উভয় দ-ে দ-িত হবেন।

২৬ ধারামতে সংক্রামক কোন ব্যক্তির নিকট সঠিক তথ্য জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদান করেন তাহা হলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের সাজা হলো ২ মাস কারাদ-, বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদ-, বা উভয় দ-ে দ-িত হবেন। সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত ২৪ মার্চ জানান যে এস. আর.ও. ৯৮ আইন/২০২০-মোবাইলকোর্ট আইন ২০০৯ (২০০৯ সালের ৫৯ নং আইন) এর ধারা ১৫তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার উক্ত আইনের তফসিলের নিম্নরূপ অধিকতর সংশোধন করে উক্ত আইনের (১১৬) এর প্রান্তস্থিত দাঁড়ি বিলুপ্ত হবে এবং (১১৭) সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ ( ২০১৮ সনের ৬১ নং আইন) এর ধারা ২৪,২৫ ও ২৬। ’ হবে।

আইন মন্ত্রী আনিসুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, যতদিন দেশে করোনাভাইরাসের টিকা না আসবে ততদিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যাতে করোনা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। সে কারণে মাস্ক পরাসহ অন্যান্য নিয়ম মেনে চলতে হবে। সরকার একারণেই স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যপারে বাধ্যবাধকতা জারি করেছে। জনগণের প্রতি অনুরোধ তারা যেন মাস্ক পরেন। যারা বয়স্ক তারা যেন এই নিয়মগুলো বেশি করে মেনে চলে। তা না হলে তাদের যথেষ্ট ক্ষতি হবে। মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে। নিজেদের ও অন্যের স্বার্থের জন্যই মাস্ক পরা প্রয়োজন।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহম্মেদ বলেছেন, সরকার যে নিয়মটি করেছে তা অবশ্যই মানা দরকার। শুধু নিজের নিরাপত্তা নয় দেশ, জনগণের নিরাপত্তার জন্যও মাস্ক পরা প্রয়োজন। তা না হলে ভয়াবহ অবস্থা হবে। মাস্ক না পরলে জেল জরিমানার যে বিধান করা হয়েছে, তা প্রয়োগ করা উচিত। কারণ জনগণের মধ্যে সচেনতার অভাব রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ জন প্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা বলেছেন, সরকার যা করছে তা ভালর জন্যই করছে। আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যাতে করে নিজেও বাঁচা যায় অন্যকেও বাঁচানো যায়। মাস্কসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিষয়ক নিয়মগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত করোনার টিকা না আসে ততক্ষণ আমাদের এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিকের মতে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আইনের যে সমস্ত নির্দেশনা দিয়েছেন তা সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮তে বিদ্যমান আছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, দারিদ্র্য, সচেতনার অভাব এই কারণে আইনটির যথাযথ প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি। তবে কঠোরভাবে আইনটি প্রয়োগ করা হলে করোনাকে প্রাথমিক অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো বলে আমি মনে করি। ভবিষ্যতে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কাজ হচ্ছে তা নয়। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে যারা মাস্ক পরেনি তাদের জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের অভিমত পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে অভিযান পরিচালনা করা যাচ্ছে না। প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসতে হবে। করোনার টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক অবস্থায় থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিশেজ্ঞরা। করোনার কারণে গোটা দেশ গভীরতম সঙ্কটের দিকে হাঁটছে গোটা বিশ্ব। করোনা প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের জন্য আমেরিকা, চীন, রাশিয়া, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যারাই আবিষ্কার করুক না কেন বাংলাদেশ সবার আগে পাবে বলে জানা গেছে। এদিকে বেক্সিমকোর সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের চুক্তি হয়েছে। বাংলাদেশে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সরবরাহ হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। অন্যদিকে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর চীন থেকে টিকা আনার অনুমতি দিয়েছে আন্তজার্তিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশকে (আইসিডিডিআরবি)। আইসিডিডিআরবি করোনার টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ (ট্রায়াল) দ্রুত শুরু করার জন্য জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে টিকা তৈরির প্রযুক্তি পাবে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আনুষ্ঠানিক অনুমতির কথা ঘোষণা করেন।

করোনার কারণে গভীরতম সঙ্কটের দিকে হাঁটছে গোটা বিশ্ব। পরিত্রাণের পথ মিলছে না কোনদিকে। সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না কোন দেশ। আক্রান্ত আর মৃত্যু সংখ্যা লফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে প্রতিদিনই। করোনার ধাক্কায় ইতিহাসের ভায়বহতম মন্দার মুখে রয়েছে বিশ্ব্ অর্থনীতি। পাশাপাশি অন্যান্য সেক্টরের অবস্থাও ভাল নয়। করোনার নির্মম ছোবলের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না উন্নত, উন্নয়নশীল কিংবা অনুন্নত কোন দেশই। সংক্রামণ ঠেকাতে সীমান্তের দরজা বন্ধ রেখেছে প্রায় প্রতিটি দেশ। থমকে গেছে জনজীবন। জীবন জীবিকার জন্য প্রতিটি দেশই লকডাউন থেকে সরে এসেছে। জীবন যাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু এরই মধ্যে করোনার প্রকোপ আবার দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ১ জুন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডাঃ নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে সব সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

করোনার প্রতিষেধক কবে বাজারে আসবে তার জন্য মুখিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। মেনে চলতে হবে। করোনা প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের জন্য আমেরিকা, চীন, রাশিয়া, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমবার করোনার প্রতিষেধক সামনে আনল চীন। আমেরিকা, রাশিয়া, ভারত, চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশ এই প্রতিষেধক নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যেই সোমবার বেজিংয়ের বাণিজ্যমেলায় করোনা প্রতিষেধকের প্রথম প্রদর্শনী করল চীন। সিনোভ্যাক বায়োটেক এবং সাইনোফার্ম নামে দুটি সংস্থা এই প্রতিষেধক নিয়ে কাজ করছে। এখনও বাজারে না এলেও এই দুই সংস্থার তৈরি প্রতিষেধক ঘিরে যথেষ্ট আশার আলো তৈরি হয়েছে। এদিকে বেশ কয়েকটি কোম্পানি টিকা আবিষ্কারের জন্য এগিয়ে রয়েছে। যার মধ্যে, সিনোভ্যাক, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। কোভিড-১৯ এর নিষ্ক্রিয় অংশের ওপর ভিত্তি করে একটি টিকা আবিষ্কারের কাজ করছে চীনের কোম্পানি সিনোভ্যাক। প্রথম দফার পরীক্ষাগুলোয় এই টিকাটি বেশ সাফল্য দেখিয়েছে। এখন ব্রাজিল ও বাংলাদেশে কয়েক হাজার মানুষের ওপর টিকাটির তৃতীয় পর্যায়ে পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

পাশাপাশি রুশ করোনা টিকার ফেজ থ্রি ট্রায়াল ভারতে! করোনার সম্ভাব্য প্রতিষেধক তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এ বার ভারতকেও শামিল করতে উদ্যোগী হলো তারা। নিজেদের তৈরি ‘স্পুটনিক ভি’ প্রতিষেধকের উৎপাদন এবং বণ্টনে ভারতকে পাশে চায় রাশিয়া। শুধুমাত্র ভারতেই নয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ব্রাজিল এবং ফিলিপিন্সেও ‘স্পুটনিক ভি’-র তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আগ্রহী মস্কো। ‘স্পুটনিক ভি’-র উৎপাদন শুরু করে দেয়ার পক্ষপাতী রাশিয়া। ভারত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স, ব্রাজিল, মেক্সিকোসহ কমপক্ষে ২০টি দেশ সেটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে দাবি তাদের।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT