ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

বিলম্বে চাল আমদানির সিদ্ধান্তে কৃষক পাচ্ছেন পর্যাপ্ত মূল্য

প্রকাশিত : 08:19 AM, 13 January 2021 Wednesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

বেসরকারীভাবে আমদানি শুরু করায় চালের বাজার কমতে শুরু করেছে। বিলম্বে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়ায় কৃষক পর্যাপ্ত মূল্য পাচ্ছেন। বর্তমানে ১০৫০ টাকা মণ দরে ধান বিক্রিও হচ্ছে। কৃষক ইতোমধ্যে সিংহভাগ ধান বিক্রি করে ফেলেছে। পাশাপাশি কৃষকের কাছ থেকে পর্যাপ্ত মূল্য দিয়ে ধান কেনার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখছে সরকার।

এ ব্যাপারে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জনকণ্ঠকে বলেন, কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সে কারণে বিলম্বে চাল আমদানি শুরু করেছি। এর আগে চাল আমদানির অনুমোদন দিলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তিনি বলেন, এরপরও যে সকল কৃষক ধান বিক্রি করতে চায় সরকার সে সকল কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনবে। আমাদের গুদাম তাতে কৃষকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন কারণ নেই।

নতুন বছরের শুরুতে সরকার বেসরকারীভাবে চাল আমদানি শুরু করে। ৩ জানুয়ারি প্রথম এই অনুমোদন দেয় সরকার। ৭ জানুয়ারি ভারত থেকে আমদানির প্রথম চালান দেশে আসে। বেসরকারীভাবে চাল আমদানি শুরু হওয়ায় চালের দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। কৃষি বিপণন অধিদফতরের তথ্যমতে ১১ জানুয়ারি মোটা চালের পাইকারি দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪১ থেকে ৪২ টাকা। আর খুচরা বাজারে এই দাম ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজি।

বেশকিছু শর্তে বেসরকারী খাতে চার লাখ ৮৭ হাজার টন চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সোমবার এক আদেশে ৭২টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এক লাখ ৪১ হাজার টন চাল আমদানির এই অনুমোদন দেয়া হয়। আগেরদিন ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এক লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। সব মিলিয়ে ৪ লাখ ৮৭ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হলো বেসরকারী খাতে। দেশে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গতমাসে বেসরকারী খাতে আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করে সরকার। গত ২৭ ডিসেম্বর চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

আগ্রহী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১০ জানুয়ারির মধ্যেই মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র জমা দিয়ে অনুমোদন নেয়ার নির্দেশ দেন খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। এর বাইরে সরকারী পর্যায়ে রেশনিং, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ও অন্যান্য প্রয়োজনে আমদানি করা হচ্ছে চার লাখ টন চাল।

বেসরকারী আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে শর্ত দেয়া হয়েছে, বরাদ্দপত্র ইস্যু করার সাতদিনের মধ্যে এলসি খুলতে হবে। এ সংক্রান্ত তথ্য (পোর্ট অব এন্টিসহ) খাদ্য মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলে জানাতে হবে। সর্বোচ্চ ৫ হাজার টন আমদানির বরাদ্দ পাওয়া ব্যবসায়ীদের এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০ দিনের মধ্যে সব চাল বাজারজাত করতে হবে।

১০ হাজার টন বরাদ্দপ্রাপ্তরা এলসি খোলার ১৫ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ৩০ দিনের মধ্যে সব চাল বাজারজাত করবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি বা ইমপোর্ট পারমিট জারি করা যাবে না।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারী গুদামগুলোতে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দশমিক ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এরমধ্যে চাল ৫ দশমিক ৩১ লাখ টন এবং গম ১ দশমিক ৮৯ লাখ টন। চালের মজুদের এই পরিমাণ গতবছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

অভ্যন্তরীণভাবে খাদ্যশস্য সংগ্রহ ॥ চলতি অর্থবছরে আমন সংগ্রহে ২ লাখ ৭ হাজার ৭৩০ মেট্রিক টন ধান, ৬ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন সংগ্রহের মেয়াদ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত আছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরে বাজেটে অভ্যন্তরীণভাবে দেড় লাখ মেট্রিক টন গমের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন। এরপর ২০০১ সালে যখন ক্ষমতা ছাড়ে তখন দেশে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্ধৃত রেখে যায়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে পুনরায় যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে তখন আবার দেশে খাদ্য ঘাটতি নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করে।

বিগত অর্থবছরের মাঝামাঝি থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের দুইশতাধিক দেশে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ায় সরকার ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে সাধারণ ছুটি (লকডাউন) ঘোষণা করে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষ যেমন দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রিক্সা-ভ্যানচালক, হকার, শ্রমিক ইত্যাদি কর্মহীন হয়ে পড়ে। এ ধরনের মানুষদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলা সদর এবং অন্যান্য ক, খ ও গ শ্রেণীর পৌরসভাসমূহে ৫ এপ্রিল ২০২০ থেকে বিশেষ ওএমএস চালু করা হয়। প্রত্যেক এলাকার নির্দিষ্ট ওএমএস কমিটির দ্বারা তালিকাভুক্ত ডিলারের মাধ্যমে পরিবার প্রতি মাসিক ২০ কেজি করে প্রতিকেজি ১০/- টাকা দরে চাল বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি এলাকার নির্দিষ্ট ওএমএস কমিটি কর্তৃক স্বল্প আয়ের পরিবারের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক পরিবারসমূহকে ওএমএস কার্ড বিতরণ করা হয়। উক্ত কার্ডের বিপরীতে ১০ টাকা কেজি দরে পরিবার প্রতি ২০ কেজি হারে এপ্রিল, মে ও জুন-২০২০ মাসে চাল বিতরণ করা হয়।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ১০ টাকা মূল্যে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ৩০ কেজি হারে বছরে ৫ মাস (মার্চ-এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নবেম্বর) খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মহামারী কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ায় ২০২০ সালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীতে অতিরিক্ত একমাস (মে/২০২০ মাসে) চাল বিতরণ করা হয়েছে। এ খাতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট ৮.৮৭ লাখ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়; যা পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে ১৯.৩৭ শতাংশ বেশি।

পাশাপাশি ওএমএস চাল/আটা বিক্রয় কর্মসূচীর আওতায় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভাগীয় ও জেলা সদরে (শুক্রবার ও সরকারী ছুটিরদিন ব্যতীত) প্রতিমাসে (২৬ দিন হিসাবে) প্রায় ২০,০০০ মেট্রিক টন আটা ও ৭,০০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া ওএমএস এ খোলা আটার পরিবর্তে ২ কেজি প্যাকেটজাত আটা সাশ্রয়ী মূল্যে সচিবালয় প্রাঙ্গণে বিক্রয় করা হচ্ছে।

কৃষকের মূল্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে আমন-২০১৯ মৌসুমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রথমবারের মতো ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়। বোরো-২০২০ সংগ্রহ মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ ১১.৫০ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়।

সরকারী ধান ক্রয়ে মধ্যস্বত্তভোগীদের দৌরাত্ম্য ও দুর্নীতি হ্রাসের লক্ষ্যে প্রকৃত কৃষক তালিকা থেকে লটারির মাধমে কৃষক নির্বাচন করে ধান ক্রয় এবং কৃষকের ১০ টাকার এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে। ধান ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ‘কৃষকের এ্যাপ’ ব্যবহার করে আমন-২০২০-২০২১ সংগ্রহ মৌসুমে দেশের ৬৪ জেলার ৭৯টি উপজেলায় ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই তা সারাদেশে সম্প্রসারিত করা হবে। সেই সঙ্গে কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্যাডি সাইলো নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অতি দরিদ্র জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ও ভিজিডি কর্মসূচীর আওতায় দেশের ২২০টি উপজেলায় ৬ ধরনের অনুপুষ্টি সমৃদ্ধ ‘পুষ্টিচাল’ বিতরণ করা হচ্ছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে ১০০টি উপজেলায় পুষ্টি চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আরও ৫০টি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ কর্মসূচী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর হতে সরকারী পর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা ১৪ লাখ মে.টন থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১.৫০ লাখ মে.টনে উন্নীত করা হয়েছে এবং তা ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ লাখ মে.টনে উন্নীত করতে ৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারী খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ সমস্ত প্রকল্পসমূহের আওতায় ‘সারাদেশে ১.৩৫ লাখ মে.টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন খাদ্য গুদাম নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় সমগ্র দেশে মোট ১৬৭টি গুদামসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে ১.১০ লাখ মে.টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন খাদ্য গুদাম নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দেশের উত্তরাঞ্চলে মোট ১৪০টি গুদামসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকা শহরের পোস্তগোলায় দৈনিক ২০০ মে.টন ক্রাশিং ক্ষমতা সম্পন্ন ১টি আধুনিক সরকারী ময়দা মিল নির্মাণ করা হয়েছে। মংলা বন্দরে ৫০ হাজার মে.টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি কনক্রিট গ্রেইন সাইলো নির্মিত হয়েছে।

পাশাপাশি কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। সারাদেশে ১.০৫ লাখ মে.টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণ প্রকল্প। মর্ডান ফুড স্ট্রং ফ্যাসেলিটিজ প্রজেক্ট।

সারাদেশে পুরাতন খাদ্য গুদাম ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদির মেরামত ও পুনর্বাসন কাজ প্রকল্প। খাদ্যশস্যের পুষ্টিমান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রিমিক্স কার্নেল মেশিন ও ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প। দেশের বিভিন্নস্থানে বসবাসরত দরিদ্র, অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জনগোষ্ঠীর নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হাউসহোল্ড সাইলো সরবরাহ ঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে দরিদ্র, অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জনগোষ্ঠীর নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮টি বিভাগের ২৩টি জেলাধীন ৫৫টি উপজেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩ (তিন) লাখ পিস পারিবারিক সাইলো বিতরণ করা হবে।

এ সমস্ত প্রকল্পের পাশাপাশি আরও কিছু অননুমোদিত নতুন উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে- দেশের বিভিন্নস্থানে ধান শুকানো, সংরক্ষণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ আধুনিক ধানের সাইলো নির্মাণ ঃ সরাসরি কৃষকদের নিকট হতে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্নস্থানে পাইলটিং আকারে ড্রায়ারসহ প্রতিটি ৫০০০ মে.টন ধারণক্ষমতার মোট ৩০টি ধানের সাইলো নির্মাণের লক্ষ্যে একটি ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিপিপি পুনর্গঠনের কার্যক্রম চলমান আছে।

দেশের বিভিন্নস্থানে ধান শুকানো ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাসহ সমন্বিত রাইস মিল নির্মাণ ॥ কৃষকদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য প্রদান এবং গুণগতমান সম্পন্ন চাল উৎপাদন করার উদ্দেশ্যে বরিশাল, ঝালকাঠি, ভোলা, ফরিদপুর, নওগাঁ ও সিলেট জেলায় ৬টি রাইসমিল স্থাপন করা হবে। এছাড়া প্রতিটি রাইস মিলের সঙ্গে ২৮০০০ মে.টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সাইলো নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রকল্পটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ(পিপিপি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

সার্ক ফুড ব্যাংক ঃ সার্কভুক্ত দেশের জন্য অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশ ৮০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT