ঢাকা, রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধিকল্পে মারাত্মক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে

প্রকাশিত : 07:52 AM, 5 September 2021 Sunday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

বাঘ রক্ষা পরিষদের লোকজন বসে আছেন। তারা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু চাইলেই সবকিছু পাওয়া যায় না। মন্ত্রীর পিএস জানাল-

: স্যার আজ দপ্তরে আসবেন না।

ছলিমদ্দি-কলিমদ্দি টাইপের লোকজন নিয়ে বাঘ রক্ষা পরিষদ গঠন করা হয়নি। পরিষদের অনেকেই সচেতন ব্যক্তি, সমাজের বিশিষ্ট নাগরিক। পরিষদের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি গম্ভীর কণ্ঠে বললেন-

: কেন আসবেন না? মন্ত্রণালয় কি মামার বাড়ি-যখন খুশি আইলাম, দুধভাত খাইলাম; হাত মুছতে মুছতে চইলা গেলাম?

মনের মধ্যে যাই থাকুক না কেন, প্রাইভেট সেক্রেটারি জাতীয় লোকজনদের বিনয়ী সাজতে হয়। মন্ত্রীর পিএস বক্কর সাহেব তাই করলেন। বিনয়ের সঙ্গে বললেন-

: স্যার! আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের বেলায় অন্তত এই ধরনের কথা খাটে না। মন্ত্রী মহোদয় অত্যন্ত ‘কাম-পাগল’ মানুষ। নিজের কাজ-কামের ব্যাপারে তিনি খুবই সিরিয়াস। আজ হঠাৎ কইরা একটা সমস্যা হয়ে গেছে।

: কী সমস্যা?

: মন্ত্রী মহোদয় ‘শিশুদের পাতলা পায়খানাজনিত সমস্যার প্রতিকার’ বিষয়ক একটা সেমিনারে যোগ দিয়েছিলেন। সেমিনার চলাকালে দাঁতব্যথার শিকার হওয়ার পর তাকে একজন ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন তিনি ওখানেই আছেন; ট্রিটমেন্ট চলছে।

বাঘ রক্ষা পরিষদে কবি নজরুলের মতো ঝাঁকড়া চুলওয়ালা এক ভদ্রলোক রয়েছেন। তিনি ভ্রুকুঞ্চিত করে বললেন-

: আপনার বস যে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী- সেই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিশুদের পাতলা পায়খানার কী সম্পর্ক?

বক্কর সাহেব আরও বিনয়ী হলেন। ‘দাঁত-লুকানো’ হাসি হেসে বললেন-

: স্যার, কিছু মনে করবেন না। আপনার বর্তমান পেশার সঙ্গেও তো বাঘ বেমানান!

ঝাঁকড়া চুলে ঢেউ উঠল। আর্তনাদের সুরে বক্কর সাহেবের উদ্দেশে তিনি বললেন-

: এসব কী বলতেছেন? আপনি কি জানেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা হচ্ছেন আফলাতুন; জ্ঞানী লোক। জ্ঞানী লোকদের চিন্তাধারা কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সব বিষয়েই তারা সক্রেটিস হওয়ার ক্ষমতা রাখে।

মন্ত্রীকে না পেয়ে বাঘ রক্ষা পরিষদের লোকজন মন্ত্রণালয়ের বড়কর্তা ইলতুৎমিশ ইয়ালিলের সাক্ষাৎপ্রার্থী হলেন। মধ্যযুগে ভারতীয় উপমহাদেশে ইলতুৎমিশ নামে একজন শাসক ছিলেন, ইলতুৎমিশ ইয়ালিলের তা অজানা নয়। ফলে তিনি তার দপ্তর তথা রাজ্য সেভাবেই পরিচালনা করছেন। রাজদরবারে আসা প্রজাদের কথাবার্তা, অভাব-অভিযোগ রাজা-বাদশাদের গম্ভীর মুখে শুনতে হয়। এটা রেওয়াজ। রেওয়াজ অনুযায়ী ইলতুৎমিশ ইয়ালিল গম্ভীর মুখে বাঘ রক্ষা পরিষদের লোকজনের কথা শুনছিলেন। এক পর্যায়ে পরিষদের আহ্বায়ক ইলতুৎমিশ ইয়ালিলের হাতে একটা স্মারকলিপি দিয়ে বললেন-

: জনাব, জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বছর বছর কমে বর্তমানে ক্রান্তিকালে এসে পৌঁছেছে। আপনি জানেন, তারপরও বলছি- সর্বশেষ হিসাবে সুন্দরবনে বাঘ আছে মাত্র ১০৬টি। অথচ ২০১০ সালেও বাঘের সংখ্যা ছিল ৪৪০টি। আমরা জানি- রাজ্যের মহামান্য মন্ত্রীদের গদি সামলাইতে হয়। দল সামলাইতে হয়। মাঝেমধ্যে বাদ্য-বাজনাও বাজাইতে হয়। কাজ-কাম যা করার, তা আপনেরাই করেন। আপনের হাতে ক্ষমতা আছে; প্লিজ, সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় একটা কিছু করেন।

ইলতুৎমিশ ইয়ালিল ঘাড় কাত করলেন। এর মানে অবশ্যই তিনি কিছু করবেন। সামনে বসে থাকা আফলাতুন গোত্রের লোকজনকে আশ্বস্ত করার ভঙ্গিতে তিনি বললেন-

: আজ থেইকা বাঘ বিষয়ে আপনেরা আর কোনোরকম দুশ্চিন্তা করবেন না। আমি এমন ব্যবস্থা নেব- দেখবেন, মানুষ সুন্দরবনের নাম পরিবর্তন কইরা বাঘবন রাখার প্রস্তাব দিবে…

বাঘরক্ষা পরিষদের লোকজন খুশিমনে চলে গেলেন; একইসঙ্গে ইলতুৎমিশ ইয়ালিলের মাথায় দারুণ একটা আইডিয়াও দিয়ে গেলেন। নতুন আইডিয়া মানেই নতুন সম্ভাবনা। সম্ভাবনার ক্যানভাসে ছবি আঁকা শেষ করে তিনি মন্ত্রণালয়ের মেজকর্তাদের ডাকলেন। সবাই উপস্থিত হওয়ার পর তিনি বললেন-

: সবাই মন দিয়া শুনেন; নতুন একটা প্রকল্পের আইডিয়া পাইছি।

নতুন প্রকল্পের কথা শুনে ইসতেনজার আলী নামের এক মেজকর্তা ঢোক গিলে বললেন-

: স্যার! চলমান প্রকল্পগুলোই মরা ব্যাঙের মতো চিৎ হইয়া পইড়া রইছে; এর মধ্যে আবার নতুন প্রকল্প!

ঠোঁটজোড়ায় রহস্যময় হাসি আমদানি করে ইলতুৎমিশ ইয়ালিল বললেন-

: অন্য কোনো প্রকল্পের সঙ্গে এই প্রকল্পের তুলনা করা ঠিক হবে না। আপনেরা জানেন, দুইটা পয়সা দেয় বইলা বিদেশিরা সুযোগ পাইলেই আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পে বামহাত ঢোকায়। এইটার ক্ষেত্রে সেরকম কিছু হবে না। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে শতভাগ দেশীয় অর্থায়নে। এইখানে আপনেরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন।

মেজকর্তাদের মধ্যে সুখলাল ঠাকুর বলে একজন আছেন। স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা শুনে সুখলাল ঠাকুর সুখী হলেন। ঠাকুর জানতে চাইলেন-

: প্রকল্পের সাবজেক্ট কী স্যার?

: বাঘ।

: বাঘ!

: ইয়েস, বাঘ। দ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার…

প্রকল্প-প্রস্তবনা তৈরি হয়ে গেল। এরপর তা মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হলো। প্রকল্পের সার-সংক্ষেপের উপর চোখ বুলিয়ে মন্ত্রী অবাক হলেন। বড়কর্তার উদ্দেশে বললেন-

: প্রকল্পের নাম ‘যথা তথা বাঘ পাই’! খাইছে আমারে! সুন্দরবনের বাঘ সারাদেশে ছড়াইয়া দেওয়ার মতলব করেছেন নাকি?

মুচকি হেসে ইলতুৎমিশ ইয়ালিল বললেন-

: স্যার, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এই প্রকল্পের দুইটা সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হইছে। একটা হইল জনপদীয় সংজ্ঞা। অন্যটা হইল আরণ্যক সংজ্ঞা।

: বুঝলাম না।

: স্যার, জনপদীয় সংজ্ঞার ফিগার হইল আমাদের ক্রিকেট খেলোয়াড়রা, যারা টাইগার নামে পরিচিত। এই টাইগারদের বিচরণ এখন শুধু খেলার মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়। বহুজাতিক কোম্পানির খপ্পরে পইড়া তারা প্রসাধন সামগ্রী, ঠাণ্ডা পানীয়, এমন কী ক্ষতিকর ফার্স্টফুড-এনার্জি ড্রিংকের বিজ্ঞাপনে মডেল হইয়া টেলিভিশন ও পত্রিকাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিরামহীনভাবে নিজেদের চেহারা মোবারক ফোকাস করতেছে। এইটা কি স্যার যথা তথা বাঘ পাই- এই বক্তব্যরে সমর্থন করে না?

: তা অবশ্য করে।

: এইবার আসেন স্যার আরণ্যক সংজ্ঞায়। মাত্র শ’খানেক বাঘ লইয়া সুন্দরবন ধুঁইকা ধুঁইকা মরতেছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হইলে সুন্দরবনের গাছের চিপায়, পাতার ফাঁকে শুধু বাঘ আর বাঘ দেখা যাবে।

ইলতুৎমিশ ইয়ালিলের কথা শুনে মন্ত্রীর হেঁচকি উঠে গেল। আউক-আউক করার ফাঁকে কোনোমতে তিনি উচ্চারণ করলেন-

: এত বাঘ আপনে কোথায়, কীভাবে পাবেন? বাঘ তো উঁইপোকা না, সেকেন্ডে-সেকেন্ডে ডিম পাড়বে।

: স্যার! প্রজনন কৌশল অবলম্বন কইরা বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা এই প্রকল্পে বলা হয় নাই।

: তাইলে কি ক্লোন পদ্ধতি অবলম্বন করবেন?

: জি না স্যার।

: আপনে তো আমারে চরকির মধ্যে ফেলাইয়া দিলেন। বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে প্রকল্পের ধারণাপত্রে কী বলছেন, দেখি?

: ধারণাপত্রে বিষয়টা গোপন রাখা হইছে।

: কেন?

: আমাদের মিডিয়ার চরিত্র তো আপনি জানেন! এরা যদি কোনোমতে ভেতরের কথা একবার জানতে পারে, বিষয়টারে এমনভাবে কচলাইলে থাকবে- এতে প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা আছে।

: তাইলে ‘অফ দ্য রেকর্ড’ মুখে বলেন। নাকি তাও বলা যাবে না?

: তা অবশ্য বলা যাবে। এই প্রকল্পের চমক হইল সুন্দরবনে কোনো জিন্দা বাঘ থাকবে না।

: জিন্দা বাঘ থাকবে না! কোথায় যাবে তারা?

: চিড়িয়াখানায়।

: চিড়িয়াখানায় বাঘের স্থানান্তর ঘটাইলে তারা তো ছয়মাসও টিকবে না। সেখানে পশুপাখির খাবার, ওষুধ ও রক্ষণাবেক্ষণ লইয়া নানা রকমের ঘাপলা হয়।

: হিজরতি বাঘদের ক্ষেত্রে কোনো খাঁচার সিস্টেম থাকবে না স্যার। চিড়িয়াখানার মধ্যে একটা অভয়ারণ্য সৃষ্টি কইরা সেইখানে তাদের অবমুক্ত করা হবে। রেডিও কলারসহ অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তারা কোনো অবহেলার শিকার হইতেছে কী না, সেইটা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ থাকবে।

: তা না হয় বুঝলাম। কিন্তু সুন্দরবনে বাঘ থাকবে না, এইটা কী কইরা হয়!

: স্যার! আমি বলেছি জিন্দা বাঘ থাকবে না। বাঘ অবশ্যই থাকবে; তবে তাদের দেহে আÍা থাকবে না। এই বাঘ তৈরি হবে খাঁটি গ্রানাইট পাথর দ্বারা। পাথরের তৈরি বাঘগুলা আমরা বনের মধ্যে কয়েক ফুট দূরে দূরে স্থাপন করব।

: বলেন কী! অরিজিনাল বাঘ থাকার পরেও সুন্দরবনের উপর যে অত্যাচার চলে, নকল বাঘের সমাবেশ ঘটাইলে তো অল্পদিনেই লুটেরারা সুন্দরবনরে সাফা কইরা সাহারা মরুভূমি বানাইয়া ফেলবে।

: স্যার! বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বলা হইছে। এই লক্ষ্যে সেইখানে কয়েক হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হবে।

: পুলিশ? এই দেশে পুলিশ দিয়া কোনো কিছুর সুরক্ষা হয়? কুমির তো শুধু খাওয়ার সময় মুখ হা করে। আর আমাদের পুলিশ সারাক্ষণই টাকার জন্য মুখ হা কইরা রাখে। উহুঁ! হবে না।

: স্যার! পাথরের বাঘের কথাটা হচ্ছে ‘অফ দ্য রেকর্ড’। এই কথা আমি, আপনে আর প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কয়েকজন ছাড়া বাকি কেউ টের পাবে না। ওহো, ভুল বললাম। আর টের পাবে হরিণ। হরিণের দল যখন দেখবে- দেখনদারিতে বাঘ; কিন্তু অ্যাকশনে বাঘ নয়, তখন তারা বুঝতে পারবে- এইগুলা ভেজাল। এই হরিণই হইল এই প্রকল্পের ম্যাজিক বল।

: কী রকম?

: স্যার! ইন্ডিয়া আমাদের দেশে গরু পাঠানো নিষেধ কইরা দিছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে গরুর গোশত দিয়া ভাত খাওয়া কঠিন হইয়া পড়বে। ‘যথা তথা বাঘ পাই’ প্রকল্প বাস্তবায়ন হইলে সুন্দরবনে হরিণের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকবে। দেশের মানুষ তখন ফার্মের মুরগি খাওয়া বাদ দিয়া হরিণের গোশত দিয়া ভাত খাবে।

দেশবাসীকে সারা বছর হরিণের গোশত খাওয়ানোর আনন্দে ভাসতে ভাসতে মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্প প্রস্তবনার সঙ্গে একমত পোষণ করলেন। এরপর বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে প্রকল্পের অনুমোদন হয়ে গেল। প্রকল্প অনুমোদিত হওয়ার পর ইলতুৎমিশ ইয়ালিল মন্ত্রণালয়ের মেজকর্তাদের সঙ্গে পুনরায় মিটিংয়ে বসলেন। তিনি বললেন-

: সবাই মন দিয়া শুনেন। প্রকল্প উপলক্ষে ৬০ সদস্যের একটা প্রতিনিধি দল বাঘ বিষয়ে জ্ঞানলাভের জন্য বিভিন্ন দেশ সফর করবে। এই দলে নারী কোটায় আমার মিসেস, তার ছোট বোন ও কয়েকজন বান্ধবীর নাম ঢুকাইয়া দিছি। মন্ত্রী মহোদয় নিজে না গেলেও তার পছন্দের একটা লিস্ট দিছেন। এছাড়া তার পিএস, এপিএসও একটা কইরা লিস্ট ধরাইয়া দিছে। আপনেরা এইগুলা যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাটা ফাইনাল কইরা ফেলেন।

মিটিং শেষে সুখলাল ঠাকুর চুপিসারে ইলতুৎমিশ ইয়ালিলকে বলল-

: স্যার, গ্রানাইট পাথর দিয়া বাঘ বানাইলে পুরো টাকা প্রকল্পের পেছনে খরচ হয়ে যাবে। আমাদের ভাগে কিছুই থাকবে না।

ঠাকুরের কথায় ইলতুৎমিশ ইয়ালিল অবাক হয়ে বললেন-

: গ্রানাইট পাথর দিয়া বাঘ বানাইতে কে বলেছে আপনেরে?

: কাগজপত্রে তাই তো লেখা তো আছে।

: কাগজপত্রের গুল্লি মারেন। ঠিকাদারকে বলবেন কুমারদের তৈরি মাটির বাঘ সাপ্লাই দিতে।

খানিকক্ষণ চিন্তা করে সুখলাল ঠাকুর বলল-

: স্যার, এখানেও একটা সমস্যা আছে। মাটির বাঘ তো অল্পদিনেই নষ্ট হইয়া যাবে।

সুখলাল ঠাকুরের কথা শুনে ইলতুৎমিশ ইয়ালিল মুচকি হেসে বললেন-

: নষ্ট না হইলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অটুট থাকবে কীভাবে? প্রকল্প বাস্তবায়নের কিছুদিনের মধ্যে সেইটা নষ্ট হবে। এরপর এইটা লইয়া আবার প্রকল্প হবে। আবার নষ্ট হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এভাবেই চলতে হবে আমাদের।

মোকাম্মেল হোসেন : সহকারী সম্পাদক

mokamia@hotmial.com

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT