ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

পুঁথিগত বিদ্যা নয়, ছবিতে নয়া প্রজন্মকে ইতিহাস জানানোর কৌশল

প্রকাশিত : 08:09 AM, 22 December 2020 Tuesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

হাবিবুর রহমান শাহীনের বয়স ৪৭ কী ৪৮ বছর। ৫০ হয়নি এখনও। চুলে সামান্য পাক ধরেছে। তবে তার চিন্তা-চেতনা যেন আরও একটু বেশি পাকা। অসম্ভব সব স্বপ্ন নিয়ে তিনি একটু একটু করে এগোচ্ছেন। স্বপ্ন দেখছেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের। সবাই যখন ব্যানার-ফেস্টুন আর আত্মপ্রচারে ব্যস্ত, হাবিবুর রহমানের মাথায় তখন ভিন্ন চিন্তা। আজকের শিশু-কিশোর-তরুণ থেকে শুরু করে আগামী প্রজন্মের কাছে এ দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে পরিচয় করিয়ে দিতে হাবিবুর রহমান শুরু করেছেন ভিন্ন রকমের এক প্রয়াস। পুঁথিগত পুস্তকের মুখস্ত বিদ্যা আর নয়, শিক্ষার্থীরা যেন বাস্তবে নিজ চোখে দেখে অতীত-বর্তমানের সব কিছু শিখতে পারে এটাই তার আন্তরিক চেষ্টা।

হাবিবুর রহমান শাহীনের ভাষায়- ‘এখন থেকে আর দেয়ালে আত্মপ্রচার নয়, শোভা পাবে বিখ্যাত সমস্ত ব্যক্তিত্বের চিত্রকর্ম, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা, মুক্তিযুদ্ধের ছবি, শত বছরের ইতিহাস ও মনীষীদের বাণী। যেসব দেখে পথচারী থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা উদ্বুদ্ধ হবেন। তবে রাজনীতি কিংবা প্রচারের জন্য নয়, মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্নে বিভোর তিনি। এছাড়াও তার রয়েছে আরও কিছু পরিকল্পনা।

দেশের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। এই যেমন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান শাহীন। মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার জন্য নিজের বাড়ির প্রাঙ্গণে চিত্রকর্ম তৈরি করেছেন তিনি। রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া গ্রাম। ছায়া-সুনিবিড় শ্যামল একটি এলাকা। সন্ধ্যা পাখ-পাখালির কলকাকলিতে মুখর এই শান্ত গ্রামটি আগন্তুককে শুরুতেই মুগ্ধ করবে। তারপর সেখানে এসে দর্শনার্থী যেসব দৃশ্য বা চিত্র অবলোকন করবেন, সেসব দেখেই তার চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে আকর্ষণীয় সমস্ত আয়োজন দেখে তিনি ভিরমি খাবেন। বিশাল আকারের বাড়ির দেয়ালের দু’পাশে শিল্পীর তুলির নিপুণ আঁচড়ে গুণীজন, মহামানব, বীরশ্রেষ্ঠদের চিত্রকর্ম দেখে অনেকটা অবাকই হবেন। রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া গ্রামের বাড়িটি যেন এখন ইতিহাস-ঐতিহ্যের গ্যালারি।

শীতলক্ষ্যা নদের ওপর নির্মিত কাঞ্চন সেতু থেকে নেমেই চোখে পড়ে কাছারিবাড়ি। এর পরপরই ‘ইতিহাস-গ্যালারি’ খ্যাত বাড়িটি। বাড়িটির দশ গজ দূর থেকেই চোখে পড়বে গাছে গাছে সাঁটানো ছোট ছোট নেমপ্লেটে কোরান শরীফ ও মনীষীদের বাণী। বাড়ির দেয়ালে দক্ষিণ পাশে লেখা রয়েছে বিভিন্ন মনীষীর বাণী। আরও লিপিবদ্ধ রয়েছে পবিত্র কোরান শরীফের বিভিন্ন আয়াত। আর রয়েছে হাদিসের বাণী। দেয়ালের পুবপাশে জাতীয় পতাকা দিয়ে চিত্রকর্ম শুরু। পর্যায়ক্রমে রয়েছে মহান স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জনপ্রিয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার চিত্রকর্ম। এছাড়া এখানে আরও রয়েছে বাঙালী জাতির সাত বীরশ্রেষ্ঠসহ ৪৭ জনের চিত্রকর্ম। এসব চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্য, চিত্রকলা, শিল্পকলা, প্রাকৃতিক ঐতিহ্য এবং সমকালীন ইতিহাস যেমন- বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালীর ওপর পাকিস্তানী হানাদারদের নির্মম বর্বরতা, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পাশবিক হত্যাযজ্ঞ, একই বছরের ৩ নবেম্বরের বর্বরোচিত জেলহত্যা এবং ৭ নবেম্বরে ক্ষমতার পালাবদলের রক্তা বেদনাদায়ক ইতিহাসের কথা। শুধু কি তাই? বাড়ির ভেতরে বাগানের গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে মনীষীদের সমস্ত বাণী। বাড়িটিও জাতীয় পতাকার মোড়কে সজ্জিত। বাড়ির ভেতরে তিনটি ঘর রয়েছে। তিনটি ঘরই জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো।

সরেজমিন দেখা গেছে, বাড়ির আরেক পাশের দেয়ালে চলছে ধোয়ামোছার কাজ। এই দেয়ালে বুদ্ধিজীবীদের চিত্রকর্ম অঙ্কন করা হবে। দেশের ৩৬ জন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীর চিত্রকর্ম স্থান পাবে এখানে। পৌরসভার মাসকো স্কুলের সামনের দেয়ালে লেখা হচ্ছে ‘পলাশী থেকে বাংলা’র ইতিহাস। প্রায় ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য হবে মাসকো স্কুলের সামনের এই ইতিহাস-গ্যালারি। বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়েও কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে হাবিবুর রহমানের।

দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিজের বাড়ির খোলা প্রাঙ্গণে চিত্রকর্মের কাজ শুরু করেন তিনি। সেখানে ’৫২র ভাষা আন্দোলন, ’৭১র মুক্তিযুদ্ধ, ’৭৫র ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। আগামী প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত ও উজ্জীবিত করার জন্যই এই প্রয়াস বলে জানান হাবিবুর রহমান।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হাবিবুর রহমানের জন্ম হয়নি। ১৯৭৫ সালে তিনি পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখেন। তার বয়স যখন মাত্র চার বছর, তখন তিনি দেখতেন তার বাবার কাছে বিভিন্ন এলাকা থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আসতেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তিনি দেশ বিজয়ের গল্প শুনতেন। তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করবেন। তাই শিল্পীর হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় এই ‘ইতিহাসবাড়ি’ গড়ে তুলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। আর এভাবেই নিজের হৃদয়ে গেঁথে রাখা শিল্পসত্তার অনন্য শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন তিনি।

কেন এসব নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছে হলো এমন প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর বলেন, যুদ্ধের সময় আমার জন্মই হয়নি। বাবা ছিলেন এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। যখন ছোট ছিলাম তখন দেখতাম বাবার কাছে অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা আসতেন। আমার এখনও মনে আছে, এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা পিনু কাকা, নূরুল ইসলাম কাকা, দেলোয়ার কাকা, নজরুল কাকা আমাদের বাড়িতে আসতেন। এদের দেখে আর এদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনে আমার মনে ভীষণ দাগ কাটত।

তিনি বলেন, ‘আমার বাবা এস কে এম হাসমত আলী ১৯৬১ সালে কাঞ্চন ভারত চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তিনি ছিলেন অবৈতনিক শিক্ষক। ছোটকালেই দেখতাম বাবা সমাজসেবামূলক কাজ করতেন। আমার খুব ভাল লাগত। তাই ওই চিন্তা থেকে চিত্রকর্মের মাধ্যমে যুদ্ধের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যত প্রজন্মকে জানানোর জন্যই আমার এ চেষ্টা- যা দেখে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে পারে।’

হাবিবুর রহমান আরও বলেন, আমি স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক গল্প শুনেছি। অনেক ইতিহাস জেনেছি তা বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। বর্তমান প্রজন্ম শুধু পাঠ্যবই থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের ধারণা পাচ্ছে। কিন্তু তারা এ ধরনের বিনোদন কেন্দ্র এসেও স্বাধীনতা যুদ্ধের ধারণা পেতে পারে। হাবিবুর রহমানের এমন চিত্রকর্ম দেখে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভিভূত হচ্ছেন।

অনেকটা ভেতরের কষ্ট থেকে হাবিবুর রহমান বলেন, দেখেন যেদিকে তাকাবেন ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার আর পোস্টার। সবাই নিজের বা নেতার আত্মপ্রচার নিয়ে ব্যস্ত। এগুলো দেখে না কেউ কিছু শিখবে, না উদ্বুদ্ধ হবে। সবাই যদি বিলবোর্ডে নিজেকে না লিখে এভাবে ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ বা বাণী লিখেন তাহলে সমাজ পরিবর্তন হবে।

কথা হয় চিত্রকর্ম দেখতে আসা শিক্ষার্থী বায়েজীদ বোস্তামী, আবু সাইদ, মাইমুনা আক্তারের সঙ্গে। তারা বলেন, আমরা পাঠ্যবই থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি। তবে বিনোদন কেন্দ্রে থেকে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছি। রূপগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল জব্বার খাঁন পিনু বলেন, এসব দেখেশুনে মনে হবে ইতিহাসটাকে জাগ্রত করছে শাহীন। এভাবে যদি সারাদেশের এক শ’টা কোনায় করা যেত তাহলে মানুষ ইতিহাস ভুে যেত না। এখনকার ছেলেমেয়েরা যে ধরনের লেখাপড়া করছে তাতে ইতিহাস জানার কথা নয়। শাহীন আলো ছড়াচ্ছে। এটা বৃথা যাবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক স্তম্ভের ভাবনাটা চমৎকার। এটা গত ৪৯ বছরে কেউ করতে পারেনি।

জানা গেছে, অনেকটা নীরবে-নিভৃতে এ কর্মযজ্ঞ করে যাচ্ছেন হাবিবুর রহমান। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে করা চাকরির বেতনের টাকা থেকে তিনি কিছু অংশ খরচ করেন সমাজের কাজে। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করছেন তার পিতা। তিনি বাড়ির বাগানের ফল-ফলাদি বিক্রি করে জমানো টাকা ছেলের হাতে তুলে দেন। ছোট ভাই আতিকুর রহমান জনিও তার বেতনের টাকা থেকে একটা অংশ তুলে দেন বড় ভাইয়ের হাতে আর চিত্রকর্মের পুরো কাজগুলো বিনা পারিশ্রমিকে করে দেন হাবিবুর রহমানের ভাগ্নে শিল্পী আল-আমিন মিয়া।

হাবিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে তার ভবিষ্যত পরিকল্পনার ব্যাপারে জানা গেছে, বাড়ির পাশের বাগানে ‘পথস্কুল’ নামে স্কুল করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে এখানে কোন পাঠ্যপুস্তক পড়ানো হবে না। পথচারী আর আগন্তুক দর্শকদের জন্য করা হবে এ স্কুল। পড়ানো হবে ইতিহাস-ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ আর মহামানবদের জীবনকাহিনী। গড়ে তোলা হবে পাঠাগার। যেখানে থাকবে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস আর মনীষীদের জীবনীগ্রন্থ। রূপগঞ্জের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইতিহাসের গ্যালারি করার ভাবনাও রয়েছে তার। যে কাজটা স্বাধীনতার ৪৯ বছরে কেউ করেননি, সেটা করার স্বপ্ন রয়েছে তার। দুটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে যারা মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন তাদের নামফলক স্তম্ভ করার স্বপ্ন রয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠদের নিয়ে তার নিজের জমিতে বীরশ্রেষ্ঠ সরণি করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। এছাড়া, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। ইতোমধ্যে এ বছরের গত ১৮ অক্টোবর ৫১ মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা ও সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে তার নিজের গড়া সত্য, ন্যায় ও বিনয়ের আলোড়ন নামে সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে।

জানা গেছে, এসব কর্মের পাশাপাশি তিনি স্কুলে স্কুলে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করবেন। বয়স্ক ভাতা চালু করার ইচ্ছেও রয়েছে তার। দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দিতে না পারা পরিবারের পাশে থাকতে চান। তবে এসব কাজে তিনি পৌরসভার ট্রাস্টি বোর্ডে অর্থ প্রদান করবেন। কোন ব্যক্তির নামে ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকবে না। এসব কর্মযজ্ঞ শুরু করার সময় তার পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি বিক্রি করে ঐ টাকা দিয়ে শুরু করবেন বলে তিনি জানান।

কেমন করে চলছে এ কর্মযজ্ঞের খরচ। এমন প্রশ্ন শুনে হাবিবুর রহমানের সোজাসাপটা উত্তর। কারও কাছ থেকে কোন টাকা-পয়সা নেইনি, পাইওনি। একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। সেখান থেকে যে বেতন পাই তা থেকে সংসারের টাকা খরচ করে বাকি আয়ের টাকা এসব কাজে খরচ করা হয়। বাবা, ছোট ভাই ও ভাগ্নের উদার সহযোগিতায় হচ্ছে এসব। বলা চলে কষ্টের টাকায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারী কিংবা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিগতভাবে কেউ যদি সহযোগিতা করতে চান সেক্ষেত্রে তা গ্রহণ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রহমান বলেন, স্বপ্রণোদিত বা স্বেচ্ছায় যদি কেউ এগিয়ে আসেন সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা…। না এলেও আমার কর্মযজ্ঞ চলবে যতদিন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখেন। এক্ষেত্রে সবার দোয়া চান তিনি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT