ঢাকা, মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার তদন্তে পিবিআই

প্রকাশিত : 01:37 PM, 15 October 2020 Thursday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আগামী ২৯ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামস জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন। ওই ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার সকালে নুরুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এতে ফেসবুক লাইভে ধর্ষণ মামলার বাদী সম্পর্কে মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় ওই ছাত্রী আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে ১১ অক্টোবর তাকে দুশ্চরিত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন নুরুল হক, যা মিথ্যা, মানহানিকর ও অপমানজনক। মামলার আরজির তথ্য বলছে, এই ঘটনায় তিনি নুরুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য শাহবাগ থানায় যান। সেখানে মামলা গ্রহণ না করায় তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে এই মামলা করতে এসেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী গত মাসে ছাত্র পরিষদের নেতা হাসান আল মামুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের অভিযোগে দুটি মামলা করেন। মামলায় নুরুল হককেও আসামি করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ার অভিযোগ আনেন। নুরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মীমাংসা করার নামে তাকে (ছাত্রী) নীলক্ষেতে ডেকে নিয়ে শাসিয়েছেন। তিনি (নুরুল) বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের ভক্তদের দিয়ে তার নামে ‘উল্টাপাল্টা’ পোস্ট করাবেন এবং ‘যৌনকর্মী’ বলে প্রচার করাবেন। তাদের গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ। এতে তার সম্মানহানি হবে।

ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন ওই ছাত্রী। মামলায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে নুরুলও আছেন। পরে সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা করেন ছাত্রী।

ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় পরিষদের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তাঁরা হলেন মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. নাজমুল হুদা। সাইফুল সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। আর নাজমুল সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি।

আগের দুই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশন করছেন ওই ছাত্রী। সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT