ঢাকা, শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১, ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

ধর্ষণ নামের পাশবিকতা রুখতেই মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত : 11:55 AM, 14 October 2020 Wednesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

এসিড সন্ত্রাসের মতো ধর্ষণ নামের পাশবিকতা রুখতেই তার সরকার আইন সংশোধন করে শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংযুক্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ধর্ষণ একটা পাশবিকতা, মানুষ পশু হয়ে যায়। যার ফলে আমাদের মেয়েরা আজকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেজন্য আমরা এই আইনটি সংশোধন করে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবনের সঙ্গে মৃত্যুদ-ের বিধান রেখে কেবিনেটে সেই আইন পাস করেছি।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সরকারপ্রধান আরও বলেন, এসিড নিক্ষেপকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি, কারণ সেখানে আমরা আইন সংশোধন করেছিলাম। যেহেতু সংসদ অধিবেশন নেই, তাই আমরা এক্ষেত্রে অধ্যাদেশ জারি করে দিচ্ছি। যে কোন একটা সমস্যা দেখা দিলে সেটাকে মোকাবেলা করা এবং দূর করাই আমাদের লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের মূল অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগও সরকারকে মোকাবেলা করতে হয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনের নামে ভয়াল ‘অগ্নিসন্ত্রাসের’ ঘটনাগুলোও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীবন্ত মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেটাও কিন্তু আমরা মোকাবেলা করেছি। পাশাপাশি এসিড নিক্ষেপ, সেটাকেও আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। সেখানে আমরা আইন সংশোধন করেছিলাম। ধর্ষণ মানে একটা মানুষ পশু হয়ে যায়। সেই জন্যই তাদের মধ্যে এই পাশবিকতা। তার ফলে আজকে আমাদের মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত। সেই জন্য আমরা এই আইনটি সংশোধন করি।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের বিধান রেখে ‘মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন প্রতিরোধ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। ওইদিনই রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করে আইনটি কার্যকর করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জিজিটাল পদ্ধতিতে বিনামূল্যে ১৭ হাজার ৫টি দুর্যোগ সহনীয় গৃহ প্রদান এবং ১৮ হাজার ৫০৫ নারী কর্মী সংবলিত ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)’ এর নতুন একটি মহিলা ইউনিটও উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তার পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ৪২ পুরুষ এবং ৪২ নারীর মাঝে পদক ও বিতরণ করেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোহসীন বক্তৃতা করেন। দুর্যোগ সহনীয় ঘরপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের পক্ষে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার বেদেনি নুরুন্নাহার এবং গাইবান্ধার মোঃ রিয়াজুল হক এবং মহিলা সিপিপি কাশফিয়া তালুকদার নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, সংসদ সদস্যগণ, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদেশী কূটনীতিক ও মিশন প্রধান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

‘দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ আজকে সমগ্র বিশ্বে একটা দৃষ্টান্তস্থাপন করেছে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা মনে করি যে কোন অবস্থাতেই যে কোন ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলা করতে আমরা পারব এবং বাঙালী পারে। আর বাংলাদেশের মানুষ যে পারে সেটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। জাতির পিতা আমাদের যে পথ দেখিয়ে গেছেন সেই পথেই বাংলাদেশের মানুষকে আমরা দুর্যোগ থেকে মুক্ত করব।

মহামারী কোভিড-১৯কে আরেকটি দুর্যোগ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোটের অগ্নিসন্ত্রাসের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগও মোকাবেলা করতে হয়। এর আগে আপনারা দেখেছেন বিএনপি-জামায়াতের সেই অগ্নিসন্ত্রাস। জীবন্ত মানুষগুলোকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেটাও কিন্তু আমরা মোকাবেলা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে বন্যা হবে, খরা হবে, ঘূর্ণিঝড় হবে, জলোচ্ছ্বাস হবে, অগ্নিকা– সেসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে আমাদের বাঁচতে হবে। সেটা মোকাবেলা করে বাঁচতে হলে আমাদের কি করণীয়- আমাদের সেই কথাটা চিন্তা করে সব সময় পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে এবং আমরা কিন্তু সেটাই করে যাচ্ছি। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া- সেটাই আমাদের লক্ষ্য। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় স্থাপনা নির্মাণের সময় জলাধার সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমরা রাস্তাঘাট যা কিছু তৈরি করি না কেন, সকলকে আমি এটাই অনুরোধ করব, আমাদের জলাধার, নদীনালা, খালবিল-এগুলো যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, সম্প্রতি কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারিত করতে তার সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সারাদেশে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ফলে, দেশের মানুষ অনাহারে থাকেনি। বন্যার্ত মানুষের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছে তার সরকার।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা পৃথিবীর প্রথম সারির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত কয়েক বছরে আমরা প্রথাগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা থেকে বেরিয়ে এসে দুর্যোগ ঝুঁঁকি হ্রাস এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ঝুঁঁকি সহনশীলতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে আসছি। আমরা সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার (এনইওসি) প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছি।

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে তার সরকার সারাদেশে এবং বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে আমাদের দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিনিয়ত আসবে। এগুলো মোকাবেলা করেই আমাদের বাঁচতে হবে। সেই জন্য আমাদের প্রস্তুতিও আছে।

বিভিন্ন সময়ে সাফল্যের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে দৃষ্টান্তস্থাপন করেছে উল্লেখ করে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সতর্কতার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ বিষয়ে আরও গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমাদের ছোট্ট ভূখ-। এর মধ্য দিয়ে ৭শ’র বেশি নদী প্রবাহিত। এই জায়গায় দুর্যোগ মোকাবেলা করে জানমাল বাঁচানো, মানুষকে সতর্ক রাখাটাই বড় কাজ। আমাদের ৫৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করছেন। এর মধ্যে মহিলা স্বেচ্ছাসেবকরাও যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন। আমি তাদের অভিনন্দন জানাই।

দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপকূলে ব্যাপকহারে গাছ লাগিয়ে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করা, দুর্যোগ সহনীয় ঘরবাড়ি তৈরি করার মতো কার্যক্রম তার সরকার বাস্তবায়ন করছে। ড্রেজিং করে, খাল খননের মাধ্যমে নদীগুলোর নাব্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তিনি বিরোধী দলে থাকার সময়ও বিভিন্ন সময় দেশে আসা ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের সময় তার দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ের কথা উল্লেখ করেন এবং ’৯১ পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ে বিএনপির সরকারের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ ঝুঁকি সম্পর্কে অসচেতনতা এবং ত্রাণ নিয়ে সে সময়কার মানুষের দুর্ভোগ তুলে ধরে তাদের কঠোর সমালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় ‘গ্লোবাল কমিশন অন এ্যাডাপটেশন’-এর সভায় জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন দুর্যোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বিশ্ব অভিযোজন কেন্দ্র- ঢাকা অফিস’ স্থাপনের ঘোষণা দেন। এ প্রেক্ষিতে গত মাসে গ্লোবাল এ্যাডাপটেশন সেন্টারের কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এবার বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরাম-সিভিএফের নেতৃত্বের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, একটা সময় দেশে অনেক অবহেলিত, অনগ্রসর মানুষ ছিল। সমাজে যাদের কোন স্থান ছিল না। বলতে গেলে তারা ছিল অপাঙক্তেয়। আমরা কিন্তু তাদের স্বীকৃতি দিয়েছি। তাদের ঠিকানা হয়েছে। আমরা হিজড়া থেকে শুরু করে সবাইকে স্বীকৃতি দিয়েছি। সমাজে এখন তাদের একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে। চা শ্রমিকদের অন্য দেশ থেকে আনা হয়েছিল। তাদের কোন দেশ ছিল না, ঠিকানা ছিল না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুই তাদের নাগরিকত্ব দিয়েছিলেন।

‘কোভিড কালীন খাদ্য উৎপাদনে অধিক গুরুত্বারোপ করাতেই দেশে কোন খাদ্য সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারেনি- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময়ই ভেবেছি কীভাবে উৎপাদন বাড়ানো যায়। কারণ, ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সবচেয়ে জরুরী। তিনি গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা লবণাক্ততা সহনশীল ধান উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি। এখন সারা বছরই নানা ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এটাও কিন্তু গবেষণার ফসল। সেইভাবে বিদেশী অনেক ফলও বাংলাদেশে উৎপাদন করতে পারছি। প্রচুর মাছ, বিশেষ করে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে আমরা বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছি।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় কোভিডের পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবেলায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, ঘূর্ণিঝড় আমফানে ২৪ লাখ মানুষকে আমরা নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাই। কীভাবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়, বাংলাদেশ সে পথ দেখাচ্ছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে টেকসই করা ও সম্পদের ঝুঁকি কমানোর জন্য দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসের বিষয়টি সকল উন্নয়ন কর্মসূচী ও পরিকল্পনার সঙ্গে সংযুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ‘২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার’ দৃঢ় প্রত্যয়ও অনুষ্ঠানে পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা, বরগুনা ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত হন। গাইবান্ধায় দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি পান সদর উপজেলার মালিবাড়ি ইউনিয়নের কিশামত মালিবাড়ি গ্রামের গৃহহীন কুলি রিয়াজুল হক। প্রতিক্রিয়ায় রিয়াজুল প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের জন্য দোয়া করে বলেন, যা তিনি বা তার পরিবার কোনদিন কল্পনাও করতে পারেননি এমন একটি বাড়িতে পরিবার-পরিজন নিয়ে আমি বসবাস করব। যা সম্ভব হয়েছে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্য।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT