ঢাকা, বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

দারিদ্র্য নির্মূলে বহুমুখী গ্রাম সমবায় সমিতি গড়তে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : 08:36 AM, 8 November 2020 Sunday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র্য নির্মূলে বহুমুখী গ্রাম সমবায় সমিতি গড়ে তুলতে সমবায়ীদের কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এটা শুধু সম্ভব হয়েছে জনগণ ভোট দিয়ে আমাদেরকে নির্বাচিত করেছিল বলে এবং জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছি বলে। আর এটা পরীক্ষিত যে, বহুমুখী গ্রাম সমবায় যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে কোন দারিদ্র্য থাকবে না। দারিদ্র্য সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। একটানা প্রায় বার বছর আমাদের সরকারের গৃহীত নানাবিধ উদ্যোগের ফলেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের পল্লী এলাকায় অনেক দৃশ্যমান পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শনিবার ৪৯তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২০ উদ্যাপন এবং জাতীয় সমবায় পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সমবায়ের ক্ষেত্রে নারীদের আরও বেশি করে এগিয়ে আসার এবং সমবায়ীদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এখানে সমবায়ী যারা তাদের প্রত্যেকের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনারা সেভাবে কাজ করে যাবেন সেটাই চাই। যেন বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য সমবায় পুরস্কার-২০১৯ বিজয়ীদের মাঝে বিতরণ করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রেজাউল আহসান স্বাগত বক্তৃতা করেন।

সমবায় অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইউনিয়নের সভাপতি শেখ নাদির হোসেন লিপু মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। দেশের সমবায় খাতের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারিও প্রচারিত হয়। সমবায় অধিদফতর প্রকাশিত ‘সমবায়ের সাফল্য গাথা’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়কও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

সমবায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাৎক্ষণিক বড় লাভের আশা না করে এটা যেন একটা স্থায়ী, উৎপাদনমুখী এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠান হয়, যাতে প্রত্যেকটা মানুষ লাভের অংশটা পায়। শুধু আমি একা খাব, সেটা না। সবাইকে নিয়ে, সবাইকে দিয়ে খাব। সবাইকে নিয়েই কাজ করব সেই চিন্তা ভাবনটাই কিন্তু সবার সব থেকে বেশি প্রয়োজন।

সংবিধানে জাতির পিতা সমবায়ের কথা বলে গেছেন এবং তিনি বাধ্যতামূলক বহুমুখী সমবায়ের কথাও বলেছেন উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, জাতির পিতা জানতেন ‘কিভাবে বাংলাদেশের উন্নতি হবে।’ তাঁর সরকারের প্রচেষ্টায় সমবায় সমিতি এবং সমবায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং বর্তমানে সমিতির সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৪টি এবং এর সদস্য সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৭ জনে উন্নীত হয়েছে।

বর্তমানে সমবায়ের মোট সদস্যের মধ্যে মাত্র ২৩ শতাংশ নারী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সমবায় কার্যক্রমে মহিলাদের সম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আরও বেশি করে মহিলাদের সমবায় কার্যক্রমে এগিয়ে আসা উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ সমাজের অর্ধেক অংশই তো নারী। নারীরা যদি বেশি করে এগিয়ে আসে তাহলে দুর্নীতি একটু কমবে ও কাজ বেশি হবে এবং প্রতিটি পরিবার উপকৃত হবে। কাজেই আমি মেয়েদের আরও সামনে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সমবায়ীদের আন্তরিকার সঙ্গে কর্তব্য পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমবায়ের মাধ্যমেই দেশকে উন্নত করার জাতির পিতার নীতিতেই আমরা বিশ^াসী। যারা সমবায়ী তাদের প্রত্যেকেরই এখানে একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। সেভাবেই আপনারা কাজ করে যাবেন যাতে বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধামুক্ত এবং দারিদ্র্যমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

তাঁর সরকারের আমলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির খ-চিত্র তুলে ধরে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, অনেক ঘাত-প্রতিঘাত এবং রক্তের বিনিময়ে আমরা যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তেমনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতেও অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম করতে হয়েছে। আর আজ আওয়ামী লীগ সরকারে রয়েছে বলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধি প্রায় ৮ শতাংশের ওপরে অর্জন করছিলাম। দারিদ্র্যের হার ৪০ ভাগ থেকে ২০ দশমিক ৫ ভাগে নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলারে উন্নীত করেছি। করোনাভাইরাস না দেখা দিলে হয়ত আরও ভাল করতে পারতাম। জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করায় এবং জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলেছি বলেই আমরা আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শীতের আগমনের সঙ্গে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি সম্পর্কে পুনরায় সকলকে সতর্ক করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের আহ্বান জানান। মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে যেন কেউ বের না হন সেদিকে দৃষ্টি রেখে নিজেকে এবং অপরকে নিরাপদ রাখার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

কতগুলো জনগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করে সরকারের পাশাপাশি সমবায়ীদের সেদিকে দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিজড়াদের প্রসঙ্গে বলেন, মহান আল্লাহই তাদের এভাবে জন্ম দিয়েছেন, কাজেই তাদের নিজেদের কোন দোষ নেই। কাজেই তারা কেন পরিবারের অংশ হিসেবে লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হতে পারবে না এবং কাজ পাবে না। তিনি বলেন, ভাসমান বেদে সম্প্রদায়কে মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকার জায়গা প্রদান করে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমবায় সমিতি করে দেয়ার মাধ্যমে জীবন-জীবিকায় নতুন করে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এক শ’টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে জানিয়ে সমবায়ীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, তাঁর সরকার এই সমস্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লট দেয়ার পাশাপাশি বিসিক শিল্পনগরী থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় প্লট দিচ্ছে। আমরা যে এক শ’টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি, সেখানে যে শিল্পগুলো গড়ে উঠবে- সেখানে যদি কৃষি, খাদ্য বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তুলি এবং বিভিন্ন এলাকায় যে জিনিসটা বেশি উৎপাদন হয়, যে পণ্যটা সেটাই আমরা কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারি তাহলে আমাদের দেশে কোন দারিদ্র্য থাকবে না।

তিনি বলেন, আর যেহেতু উৎপাদন করলে বাজারজাত করাটা হচ্ছে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি বাজারজাতের ব্যবস্থা না করি, মার্কেটিং সিস্টেম যদি ডেভেলপ না করিÑ তাহলে এক সময় উৎপাদন করলেও বিক্রি করতে পারব না। তখন সবাই উৎসাহ হারাবে। কাজেই উৎসাহ হারাতে দেয়া যাবে না। কাজেই আমি মনে করি, বাজারজাতকরণের ব্যবস্থাটাও আমাদেরকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করি এবং ২০১২ সালে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিকে একাডেমিতে রূপান্তরিত করি এবং সেখান থেকে মানুষকে বিভিন্ন প্রকার ট্রেনিং দিয়ে দিচ্ছি। এছাড়া তাঁর সরকার দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক অগ্রগতি ও নারী-পুরুষ সমতার উদ্দেশ্যে ১৯৯৯ সালে পল্লী-দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে। একইসঙ্গে সরকার জাতীয় সমবায় নীতিমালা-২০১২, পুনরায় সমবায় সমিতি (সংশোধন) আইন-২০১৩ এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথই একমাত্র পথ, যে পথে দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে পারি। এ সময় তিনি জাতির পিতার বক্তৃতার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘জাতির পিতা বলতেন- আমাদের লোকসংখ্যা বেশি, কিন্তু চাষ উপযোগী জমির পরিমাণ কম। সেজন্য চাষের জন্য যেমন যান্ত্রিকীকরণ দরকার, তেমনি উৎপাদিত পণ্য যাতে বাজারজাত এবং বিক্রি করা যায় সে জন্য সমবায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।’

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নতি করতে হলে একেবারে তৃণমূলের মানুষ থেকেই আমাদের শুরু করতে হবে। তাই আওয়ামী লীগ সেই নীতিতে বিশ^াস করে এবং সেটা করে যাওয়াই আমাদের প্রচেষ্টা। জাতির পিতার সমবায়ীদের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ ও কর্মসূচী ’৭৫-এর পর আর বাস্তবায়নের উদ্যোগ না নেয়াকে ‘জাতির জন্য দুর্ভাগ্য’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বরং সেগুলো একটি লুটপাটের জায়গায় চলে এসেছিল। ’৯৬ সালে পুনরায় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দারিদ্র্য বিমোচন থেকে শুরু করে মানুষকে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কতগুলো সমবায়ভিত্তিক প্রকল্প পুনরায় চালু করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ২০০৯ সালে ‘আমার বাড়ি, আমার খামার প্রকল্প’ গ্রহণ করে। বর্তমানে এ প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ২১ হাজার ১৪২টি সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ৫৬ লাখ ৪১ হাজার পরিবার উপকৃত হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রতিশ্রুতির আলোকে সমবায়ভিত্তিক আদর্শ গ্রাম প্রকল্প গ্রহণ করেছি। প্রাথমিকভাবে ১০টি গ্রামে ‘বঙ্গবন্ধুর গণমুখী সমবায় ভাবনার আলোকে’ ‘বঙ্গবন্ধু মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠা পাইলট প্রকল্প’ বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই প্রকল্পে সফলকাম করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাহলে এর ভিত্তিতে সব গ্রামকেই আমরা উন্নত করে দিতে পারব। যাতে গ্রামের মানুষ আরও উন্নত জীবন পায় এবং সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে। স্বাস্থ্য সম্মতভাবে মানুষ যেন জীবন ধারণ করতে পারে সেজন্য তাঁর সরকার গ্রামীণ জনগণের জন্য সুপেয় পানি এবং স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ঋণের নামে উচ্চহারে সুদ নেয়া নয়, তাঁর সরকার পল্লী জনগণের জন্য ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থাও করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাড়ি আমার খামারের সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রত্যেকটি দরিদ্র পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক করে দিয়েছি। তাঁর সরকার ‘আশ্রায়ণ প্রকল্পের’ মাধ্যমে ছিন্নমূল মানুষদের গৃহ ও ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছে। জুন ২০২০ পর্যন্ত ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪৯টি পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৭০টি আশ্রায়ণ সমবায় সমিতি নিবন্ধিত হয়েছে, যার সদস্য ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৮২ জন। আমরা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী (সিভিডিপি) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। এ প্রকল্পের আওতায় সমবায়ভুক্ত সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী সরকারের আরও উন্নয়মমুখী এবং সাধারণ জনগণের জন্য নেয়া পদক্ষেপের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, আমরা ‘সমবায়ভিত্তিক দুগ্ধ উৎপাদন নিশ্চিতকরণ প্রকল্প’ এবং ‘দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম বিস্তৃৃতকরণের মাধ্যমে বৃহত্তর ফরিদপুর, বরিশাল ও খুলনা জেলার দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করেছি। মিল্কভিটার মাধ্যমে সিরাজগঞ্জে দুগ্ধ কারখানায় গো-খাদ্য উৎপাদন, গুঁড়ো দুধ উৎপাদন কারখানা এবং মহিষের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন করেছি। এছাড়া চরাঞ্চলগুলোতে বা উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ভেড়া এবং মহিষ ভালভাবে লালন-পালন করা যেতে পারে, যেটা লাভজনক হবে

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT