ঢাকা, শুক্রবার ২২ জানুয়ারি ২০২১, ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

ত্রুটিপূর্ণ এলাকায় কাজ বন্ধ ৪ মাস সমাধানে অহেতুক কালক্ষেপণ

প্রকাশিত : 03:05 PM, 30 November 2020 Monday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

পদ্মা সেতু রেল লিংক সংযোগ প্রকল্পের ‘ত্রুটিপূর্ণ’ এলাকায় ৪ মাস ধরে কাজ বন্ধ। এ ত্রুটি সংশোধন না করে পদ্ম সেতু ও রেল কর্তৃপক্ষ একে অপরকে দায়ী করে অহেতুক কালক্ষেপণ করছে। এ কারণে নেয়া হচ্ছে না কোনো কার্যকর পদক্ষেপ। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বোধনী দিনে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে বিভিন্ন যানের সঙ্গে ট্রেন চলাচল একরকম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কারণ ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ ৯৮ শতাংশ শেষ হলেও পদ্মা রেল লিংকের কাজ হয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। শুধু তা-ই নয়, ত্রুটিকে কেন্দ্র করে দুই কর্তৃপক্ষের রশি টানাটানিতে রেল প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদও বেড়ে যাবে। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

সূত্র জানায়, সমস্যা সমাধানে সেতু কর্তৃপক্ষকের চাহিদা অনুযায়ী অন্তত ১০টি নকশাসহ চিঠি দিয়েছে রেল। এছাড়া আরও নির্ভুল করে ১৫ অক্টোবর রেল ও বুয়েট প্যানেল সমন্বয়ে আরেকটি নকশা দেয়া হয়। কিন্তু রেলের কোনো প্রস্তাবই গ্রহণ করছে না পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ। প্যানেল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্রুটি সমাধানে সেতু কর্তৃপক্ষের ছাড় দেয়ার বিষয়টিই যথেষ্ট। ছোট সমস্যাটিকে অনেক বড় করে দেখা হচ্ছে। রেলের সর্বশেষ প্রস্তাবটি নাকোচের পর ২১ অক্টোবর সড়ক ও জনপথ অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে মতামত প্রদানের জন্য। রোববার পর্যন্ত মতামত না পাওয়ায় পরবর্তী নকশা তৈরি বা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না রেল।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, সেতুর দুই প্রান্তে রেল প্রকল্পের জাজিরা অংশে ভায়াডাক্ট-২-এর পিয়ার নং পিএন-১৪ ও ১৫ এবং মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্ট-৩-এর পোর্টাল ফ্রেম পিয়ার নং পিএস ২৫-১ ও ২৫-২ এলাকায় উঁচু এবং প্রস্থ সঠিক না হওয়ায় রেলের চলমান কাজ বন্ধ করে দেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। তাদের আপত্তি, সেতু দুই প্রান্ত থেকে ভার্টিক্যাল ৫.৭ মিটার এবং হরিজেন্টাল ক্লিয়ারেন্স ১৫.৫ মিটার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত ওই এলাকায় কাজ বন্ধ থাকবে। এদিকে সেতুর চাহিদা পূরণ ও অনাপত্তিপত্র পেতে রেল কর্তৃপক্ষ ভার্টিক্যাল (উল্লম্ব) ও হরিজেন্টাল (আনুভূমিক) ক্লিয়ারেন্সে কমবেশি রেখে শেষ নকশাটি দেয়। কাজ বন্ধ হওয়ার আগে ভার্টিক্যাল ৫.৫ এবং হরিজেন্টাল ১১ মিটারের কিছু বেশি নিয়ে কাজ করছিল রেল। সেতুর চাহিদা অনুযায়ী রেলের সর্বশেষ বিশেষ নকশায় ভার্টিক্যালে ৫.৭ মিটার রাখা হয়। কিন্তু হরিজেন্টালে সেতু কর্তৃপক্ষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সেখানে ১৫.৫ মিটারের স্থলে মাওয়া পান্তে ১১.৫ মিটার এবং জাজিরা প্রান্তে ১২.২ মিটার রেখে সর্বশেষ নকশাটি পাঠিয়েছিল রেল।

রেলের ওই নকশায় উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে সেতুর বিদ্যমান জাজিরা প্রান্তের রাস্তা ১০.০৮ মিটার এবং মাওয়া প্রান্তের রাস্তা ৯.০৭ মিটার প্রস্থ। রেলের সর্বশেষ নকশায় সেতুর নিজস্ব রাস্তার চেয়ে ২ থেকে ৩ মিটার বেশি রাখা হয়েছে। রেল বলছে, সেতুর দুই প্রান্তের রাস্তাটি যেহেতু একটি ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক, তাই ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের কোনো প্রয়োজন হবে না। তাই বাড়তি জায়গা রাখার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না। এ বিষয়ে পদ্মা সেতু রেল লিংক সংযোগ প্রকল্প বিশেষজ্ঞ প্যানেল সদস্য গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. শামছুল হক যুগান্তরকে জানান, রেল লিংক সংযোগ প্রকল্পে যে ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা সমাধানে যথাযথ পথ খোঁজা হচ্ছে না। এ ত্রুটি সমাধানে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে চূড়ান্তভাবে বৈঠকে বসা উচিত। সমস্যাটি বড় নয়; কিন্তু এ সমস্যাটিকে অনেক বড় করে দেখা হচ্ছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ছাড় দিতে চাচ্ছে না। নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রফেশনাল দিকগুলো বিবেচনা করতে হবে-এখানে ইগো নিয়ে কাজ করলে হবে না। বুয়েট প্যানেল প্রধানসহ আমরা তিন অধ্যাপক যে সর্বশেষ নকশা দিয়েছি, সেটিও তারা গ্রহণ করেনি। এর চেয়ে মানসম্মত নকশা আর হতে পারে না। ৫.৭ মিটার মানা হয়েছে; কিন্তু ১৫.৫ মিটার হরিজেন্টাল ক্লিয়ারেন্স রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। সর্বশেষ নকশা অনুযায়ী ত্রুটি সমাধান হলে কোনো পিলার ভাঙতে হতো না। অন্যথায় পিলার ভাঙাসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চয় বাড়বে। যেখানে ১৫.৫ মিটার প্রয়োজন নেই, সেখানে কেন এ নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এ বির্তকে ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে প্রকল্পব্যয় ও সময়ও বাড়তে পারে।

রেলের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু দিয়ে একই দিন বিভিন্ন যানের সঙ্গে ট্রেনও চলবে-এমন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বহুদূর পিছিয়ে পড়ছে রেল। অন্যদিকে সম্পূর্ণ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হতে আর মাত্র দুটি স্প্যান বসানো বাকি আছে। আর রেল লিংক সংযোগ প্রকল্পের ক্রমপুঞ্জীভূত ভৌত অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ। ২০১৫ সালের চূড়ান্ত সমীক্ষা অনুযায়ী কাজ করছিল রেল। সেই সমীক্ষা অনুযায়ী, মূল সেতুর দুই প্রান্তে রেলপথের জন্য ৭টি করে মোট ১৪টি পিলার সেতু কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ করে দিয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ীই সেই পিলারের সমান্তরালেই ১৭৩টি পিলারের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করেছে। এখন ত্রুটি চিহ্নিত ১৪ ও ১৫ এবং ২৫-১ ও ২৫-২ পিলার এলাকায় পুরোপুরি কাজ বন্ধ রয়েছে।

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানান, যে ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা সমাধান জরুরি। বিষয়টি টেকনিক্যাল, রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিশেষজ্ঞ প্যানেল কাজ করছে। রেলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত একটি নকশা পাঠানো হলেও তা গ্রহণ করেনি সেতু কর্তৃপক্ষ। ত্রুটি এলাকায় কাজ বন্ধ থাকলেও বাকি এলাকায় পুরোদমে চলছে। আমরা একাধিকবার সরেজমিন দেখেছি। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ত্রুটি সমাধান কঠিন কিছু নয়। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে বৈঠক হবে। যত দ্রুত সম্ভব, তা সমাধান করতে হবে। এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হবে অথবা সময় বাড়বে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে শনিবার বিকালে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, রেলের পক্ষ থেকে সর্বশেষ যে বিশেষ নকশা পাওয়া যায়, তা-ও আমরা গ্রহণ করতে পারিনি। রেলওয়ের পক্ষ থেকে একাধিকবার নকশা সংবলিত চিঠি আমরা পেলেও, আমরা যা চেয়েছি, তা কোনো নকশায় পূরণ করা হয়নি। বিশেষ কিংবা চূড়ান্ত নকশা বলে কিছু নেই। আমরা চাচ্ছি ভার্টিক্যাল ৫.৭ মিটার এবং হরিজেন্টাল ১৫.৫ মিটার হতে হবে-ওটাই ফাইনাল। চাহিদা বিন্দুমাত্র কমবেশি হলে তা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে আমি মেনে নিতে পারিনি। আমরা যা চেয়েছি, তা হলেই তো সমস্যার সমাধন হয়ে যায়। আমরা সেতুর দুই পাশে ৭টি করে মোট ১৪টি রেলের পিলার করে দিয়েছি। আমাদের কোনো ত্রুটি থাকলে তারা বলুক, আমরা তা মেনে নেব। তাদের যেহেতু পিলার নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি-সমস্যা যেহেতু তাদের, তাদেরই তা সমাধান করতে হবে। তাদের ত্রুটি কিংবা ভুলের দায়দায়িত্ব আমরা নিতে পারি না।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতু রেল লিংক সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের চিহ্নিত ত্রুটি এলাকায় কাজ বন্ধ থাকলেও বাকি অংশে দিনরাত কাজ চলছে। তবে এ ত্রুটি দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত। পদ্মা সেতু রেলের জন্য যে ১৪টি পিলার করেছে, সেসব পিলারের সমান্তরাল এবং তাদেরই নকশায় আমরা কাজ করছি। ২০১৫ সালে যে চূড়ান্ত সমীক্ষা হয়েছে, সেই সমীক্ষা অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে। আমাদের সঙ্গে বিশেষজ্ঞ বুয়েট প্যানেল কাজ করছে। আমরা চূড়ান্ত নকশা জমা দিলেও সেতু কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি। পদ্মা সেতুর পিডি’ই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন, অনাপত্তি দেবেন। সর্বশেষ নকশায় আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় তাদের চাহিদা পূরণে কাজ করেছি। সেই নকশা তাদের নির্দেশনায় আবারও সড়ক ও জনপথ অধিদফতরে পাঠিয়েছি ২১ অক্টোবর, এখনও উত্তর পাইনি।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ প্রকল্পের এক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে মূল সেতুর দুই প্রান্তে অর্থাৎ গড়ে ৬০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। উভয় প্রান্তে প্রায় ৭ কিলোমিটার উড়াল সেতু হচ্ছে। মোট ১৭৩টি (মাওয়া প্রান্তে ৬৭টি জাজিরা প্রান্তে ১০৬টি) পিলার তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ পিলার নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এছাড়া ওয়াকিং পাইল, প্রিকাস্ট বক্সগার্ডার সেনমেন্ট ও ব্রিজের কাজ প্রায় ৫৫ শতাংশ সমাপ্ত হয়েছে। সেতুর চাহিদা যথাযথ পূরণ করতে হলে পিলার ভাঙাসহ পুরো প্রকল্পে এর প্রভাব পড়বে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয়-সময়ও বাড়বে। তিনি বলেন, সেতুর দুই প্রান্তে ১৪টি পিলার নির্মাণ সম্পূর্ণ করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেসব পিলার সমন্বয়েই কাজ করতে হচ্ছে রেলকে। চাহিদা অনুযায়ী হরিজেন্টাল ১৫.৫ মিটার ক্লিয়ারেন্স সম্পূর্ণ করতে হলে সেতুর দু’পাশে থাকা ৪ শতাধিক ছোট-বড় পিলারে পরিবর্তন আনতে হবে।

রেল লিংক সংযোগ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে রেল ভায়াডাক্ট-২ এর পিলার নং পিএন-১৩ ও ১৫ এর নিচ দিয়ে সেতুর টোল প্লাজা সংলগ্ন সাউথ বাউন্ড সড়ক অতিক্রম করেছে। একইভাবে জাজিরা প্রান্তে ভায়াডাক্ট-৩-এর পোর্টাল ফ্রেম পিলার নং পিএস ২৫-১ ও পিএস ২৫-২ এর নিচ দিয়ে সেতুর জাজিরা সংযোগ সড়কের সাউন্ড সড়কটি অতিক্রম করেছে। উল্লিখিত ৪টি পিয়ারের সব পাইল, পিয়ার ১৪- এর পাইল ক্যাম্প এবং পিয়ার ১৫ নির্মাণ সম্পাদিত হওয়ার পর আগস্টে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ ওই দুই স্থানে কাজ বন্ধ করে দেয়। অথচ সমীক্ষায় ৫.৭ এবং ১৫.৫ মিটার ক্লিয়ারেন্স রাখার কথা উল্লেখ নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, পুনরায় নকশা তৈরি করে দেয়া হলেও সেই নকশায় বিশেষ করে হরিজেন্টাল ১৫.৫ মিটার রেখে করা সম্ভব হবে না। তাছাড়া সেতুর প্রান্তে হরিজেন্টাল ক্লিয়ারেন্স যা রাখা (বর্তমানে) হয়েছে, তা গড়ে ১১ মিটারেরও কম। যেহেতু ওই পথ ওয়ান ওয়ে (একমুখী) আবার হরিজেন্টাল ক্লিয়ারেন্স গড়ে ১১ মিটারের কম, সেখানে ১৫.৫ মিটার কেন হবে। যানবাহন ওঠানামার পথে কেন অতিরিক্ত জায়গা প্রয়োজন, ওখানে তো কোনো যান দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। বর্তমানে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরে পাঠানো প্রস্তাবনার উত্তর না আসা পর্যন্ত নতুন করে নকশা তৈরি কিংবা বুয়েট প্যানেলসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে বৈঠকেও বসা যাচ্ছে না।

রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান জানান, আমরা এ প্রকল্প নিয়ে বেশ চ্যালেঞ্জিংয়ে রয়েছি। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মূল সেতু দিয়ে একই দিন ট্রেন চালাতে আমরা মূল প্রকল্পের ১৭২ কিলোমিটারের মধ্যে সেতুর দুই প্রান্তে ৪০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ সম্পূর্ণ করছি। দ্রুত ত্রুটি সমাধান হলে যে সময়টুকু কাজ বন্ধ ছিল, তা পুষিয়ে নিতে জনবল বাড়ানোসহ সরঞ্জাম বাড়ানোও জরুরি হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে রেলপথ সচিব মো. সেলিম রেজা যুগান্তরকে জানান, সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে আবার প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন, ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধনের দিনেই সেতুর উপর দিয়ে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় একই সঙ্গে রেল চলাচল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’ তাই দ্রুত সমস্যা বা ত্রুটি সমাধান না হলেও একই দিন সেতু দিয়ে ট্রেন চালানো চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়বে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT