ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

তামিমের ঝড়ো ফিফটি

প্রকাশিত : 03:06 PM, 1 May 2021 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

লংকানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত সিরিজ কাটছে টাইগার ওপেনার তামিম ইকবালের। সিরিজের প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসেই ঝড়ো অর্ধশতক তুলে নিয়েছিলেন তিনি। আর প্রথম টেস্টের সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসেও দেখা পেলেন অর্ধশতকের। পাল্লেকেলেতে টানা তৃতীয় অর্ধশতক তুলতে তামিম খেলেন মাত্র ৫৭টি বল। এ সিরিজের তিন ইনিংস ও এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ইনিংস মিলিয়ে টানা চার ইনিংসে পঞ্চাশ পেরুলেন তিনি।

ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে লংকানরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই লংকান বোলারদের ওপর চড়াও হন তামিম ইকবাল।

তামিমের এমন উদ্ভাসিত ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার করা ৪৯৩ রানের জবাব দারুণভাবে দিচ্ছে বাংলাদেশ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ২৩ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ৯৫ রান। যেখানে তামিমের একার সংগ্রহ ৬৮ রান। তার সঙ্গী সাইফ হাসান খেলছেন ২৫ রান নিয়ে।

আজ তৃতীয় দিন মাত্র ১৫ মিনিট ব্যাটিং করেই ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে স্বাগতিকরা। তাসকিন আহমেদের বোলিংয়ে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ক্যাচে আগেরদিনের অবিচ্ছিন্ন জুটি ভাঙতেই ৪৯৩ রানে ব্যাটিং ছেড়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিন প্রায় দেড় ঘণ্টা খেলা হয়নি। ফলে আজ ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় চতুর্থ দিনের খেলা। এই ১৫ মিনিটের মধ্যে ৩.৩ ওভার ব্যাটিং করে ২৪ রান যোগ করে শ্রীলঙ্কা, হারায় রমেশ মেন্ডিসের উইকেট। সবমিলিয়ে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান।

জবাবে খেলতে নেমে টানা তৃতীয়বারের মতো ইনিংসের প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করেন তামিম, বুঝিয়ে দেন চেপে বসতে দেবেন না বোলারদের। আগের ম্যাচের আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন তিনি।

তামিমের সাবলীল ব্যাটিংয়ে সাহস পান প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া সাইফ হাসানও। দুজনের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে ১৩ ওভারেই চলে আসে জুটির ৫০ রান। যেখানে তামিমের অবদানই ছিল ৪১ রান। রান কম করলেও, প্রথম ম্যাচের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করছিলেন সাইফ।

রমেশ মেন্ডিসের করা ইনিংসের ১৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪৯ রানে পৌঁছে যান তামিম। সেই ওভারের পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে পূরণ করেন ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফসেঞ্চুরি। যেখানে ছিল ৮টি চারের। এটি তামিমের টানা চতুর্থ ইনিংসে হাফসেঞ্চুরির কীর্তি।

তবে তামিমের জন্য এটিই প্রথম টানা চার ইনিংসে ফিফটি নয়। ২০১০ সালে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করার নজির রয়েছে তামিমের। সেবার শেষের দুইটি ইনিংস ছিল সেঞ্চুরি। এবারও প্রথম তিন পঞ্চাশের ইনিংসে সেঞ্চুরি পাননি তামিম। তার ব্যাট থেকে পরের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির আশাই থাকবে বাংলাদেশ দলের।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT