সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে ভ্রমণ না করাই সবচেয়ে ভালো হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী। রোববার রাজধানীর মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট হাসপাতালে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নেওয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা ভিসা সার্ভিস ও সীমান্ত খোলা রাখার চেষ্টা করব। তবে অতি প্রয়োজন ছাড়া এই মুহূর্তে ভারত ভ্রমণে না যাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো হবে। তিনি আরও বলেন, ১১ জানুয়ারি থেকে ভারতে যাওয়া সবাইকে সাতদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের জন্যও এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। দোরাইস্বামী বলেন, ভারতে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই বাংলাদেশিদের এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারত ভ্রমণে না যাওয়াই ভালো হবে। এর আগে কূটনীতিকদের জন্য টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কর্মসূচি উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

প্রকাশিত : 09:02 PM, 9 January 2022 Sunday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসটিতে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও ১ হাজার ৪৯১ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। গতকাল যা ছিল ১ হাজার ১১৬ জনে।

এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৭০০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৯৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২১৭ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৯০৫ জন।

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৩১০ জন। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ১৭৮ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT