ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত : 09:32 AM, 3 September 2020 Thursday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ও দেশবাসীর অকৃত্রিম বন্ধু বাঙালীর হৃদয় গভীরে প্রোথিত অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব শ্রী প্রণব মুখার্জী। বিশ্বজুড়ে করোনা অতিমারীর এই দুঃসময়ে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রাপ্ত সংবাদে বাংলাদেশের আপামর জনগোষ্ঠী যারপরনাই ভারাক্রান্ত ছিল। তাঁর মহাপ্রয়াণ অপরিমেয় শোক ও অসীম ক্রন্দনের করুণ অনুরণন তৈরি করেছে সর্বস্তরে। নিবন্ধের সূচনায় তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ এবং মহান ¯্রষ্টার কাছে কায়মনোবাক্যে তাঁর আত্মার সদ্গতি প্রার্থনা করছি। প্রাসঙ্গিকতায় বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতার কয়েকটি পঙ্ক্তি উচ্চারণ করতে চাই – ‘ধ্বনিতেছে চিরকাল অনাদ্যন্ত রবে, ‘যেতে নাহি দিব। যেতে নাহি দিব।’ সবে কহে, ‘যেতে নাহি দিব।’ তৃণ ক্ষুদ্র অতি তারেও বাঁধিয়া বক্ষে মাতা বসুমতী কহিছেন প্রাণপণে, ‘যেতে নাহি দিব।’ আয়ুক্ষীণ দীপমুখে শিখা নিবনিব আঁধারের গ্রাস হতে কে টানিছে তারে, কহিতেছে শতবার ‘যেতে দিব না রে’।’

মুক্তির মহানায়ক ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রণব মুখার্জী মহোদয়ের অনুপ্রেরণা, সহমর্মিতা এবং সার্বিক সহযোগিতা বাঙালী জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে চিরদিন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে মুজিবনগর সরকার প্রতিষ্ঠা, প্রায় এক কোটি শরণার্থীর আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং সর্বোপরি মুক্ত-স্বাধীন দেশ অর্জন পর্যন্ত ভারতের তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল ‘কংগ্রেস’, সরকারপ্রধান পরম শ্রদ্ধেয় প্রয়াত শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী এবং ভারতের সকল সম্মানিত জনগণের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের শ্রদ্ধা ও নিরন্তর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কোন সীমা-পরিসীমা নেই। এসব কর্মযজ্ঞের পেছনে প্রণব মুখার্জী মহোদয়ের দৃঢ়চেতা সমর্থন আমাদের চিরঋণী করে রেখেছে। ২০১৮ সালে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ মর্যাদার ব্যক্তিত্ব হিসেবে সকল প্রকার নিরাপত্তা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। সফরকালে তিনি চট্টগ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের গ্রাম পরিদর্শনের ইচ্ছা পোষণ করেন। সেই সুবাদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের পরামর্শ ও সহযোগিতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁকে স্বাগত জানানোর সামগ্রিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তাঁর আগমনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ে সূচিত করার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় বিশেষ সমাবর্তনের।

সাধারণত সমাবর্তন বা বিশেষ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্য মান্যবর রাষ্ট্রপতি মহোদয়। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তাঁর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচী গ্রহণ অনেকটা দুরূহ ব্যাপার ছিল বলে আমাকে বিশেষ সমাবর্তনে তাঁর পক্ষ থেকে প্রণব মুখার্জী মহোদয়কে সম্মানীয় ডি. লিট ডিগ্রী প্রদানের সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়। ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি বাাংলাদেশ সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সামরিক-বেসামরিক উর্ধতন কর্তৃপক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তার সর্বাত্মক সহযোগিতায় অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ এই বিশেষ সমাবর্তন ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রী প্রণব মুখার্জীর কর্মসূচীর প্রথমেই ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। বঙ্গবন্ধু চত্বর ঘিরে অপূর্ব পরিবেশ দেখে তিনি অভিভূত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁর কন্যাসহ তাঁকে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরিয়ে দেখানো, বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রথম মাস্টারদা সূর্যসেনের আবক্ষ মূর্তি স্থাপন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গমাতাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের শাহাদাতবরণকারী শহীদ সদস্যদের স্মৃতি রক্ষার্থে বিভিন্ন স্থাপনা প্রতিষ্ঠার জন্য ভূয়সী প্রশংসা করে সন্তানতুল্য আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে অপরিমেয় আশীর্বাদে পরিপুষ্ট করেন। বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি সম্মানিত সুধী ম-লীর উপস্থিতি এবং বর্ণাঢ্য আয়োজনে এত বেশি বিমুগ্ধ হয়েছিলেন যে, বার বার তিনি বিমুগ্ধ অনুভূতি প্রকাশ করছিলেন।

উল্লেখ্য, এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার বর্তমানে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রী হর্ষবর্ধন শ্রিংলাসহ ঢাকা ও চট্টগ্রাম হাইকমিশনের সকল উর্ধতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান এবং তাঁকে সম্মানীয় ডি. লিট ডিগ্রী প্রদান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বিপুলভাবে প্রচারিত হয়। তাঁর ভাষণের নির্যাস তথা উপমহাদেশসহ বিশ্ব পরিম-লের সমসাময়িক আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক পরাবর্ত বিষয়সমূহের প্রতি সকলের গভীর মনোযোগ আকৃষ্ট হয়। ভারতবর্ষের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় পরদিন বিদেশ পৃষ্ঠায় সংযুক্ত ছবিসহ প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডি. লিট দিল প্রণব বাবুকে’ এবং ছবির ক্যাপশন ছিল ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সমাবর্তনে উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর হাত থেকে ডি.লিট সম্মান গ্রহণ করছেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।’

প্রণব মুখার্জীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনের কিছুটা পরিচয় উত্থাপিত না হলে স্বল্প পরিসরের এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ভারতের ১৩তম প্রথম বাঙালী রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ২০১২ সালের ২৫ জুলাই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সাল থেকে পরপর পাঁচ বার ভারতের রাজ্যসভার সদস্য এবং ২০০৪ সাল থেকে দুই বার লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রায় তেইশ বছর সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্ষদ কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ভারতের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত তথা প্রশাসনিক সংস্কার, তথ্য অধিকার, শ্রম অধিকার, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা, তথ্য-প্রযুক্তি ও টেলিকমিউনিকেশন, মেট্রোরেলসহ মন্ত্রিপরিষদের প্রায় ৯৫টি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একজন খ্যাতিমান বক্তা-প-িত-প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক তীক্ষè বুদ্ধিসম্পন্ন মুখার্জী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আর্থিক বিষয়াদি এবং সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাঁর অবদানের জন্য ছিলেন বিশ্ব নন্দিত ও সমাদৃত। পশ্চিম বাংলার বীরভূম জেলার মিরাতী গ্রামের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মহান মুক্তিযোদ্ধা পিতা শ্রী কমদাকিংকর মুখার্জী এবং মাতা রাজলক্ষ্মীর ঘরে তিনি জন্ম নিয়েছিলেন ১৯৩৫ সালের ১১ ডিসেম্বর। তাঁর পিতাও একজন খ্যাতিমান কংগ্রেস নেতা ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা পালনের জন্য বহুবার কারাভোগ করেছেন। ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ ডিগ্রীধারী এই কৃতী রাজনীতিক একজন কলেজ শিক্ষক এবং সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশা জীবন শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে প্রিয় জনকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজ্যসভায় সদস্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনকে সমৃদ্ধ করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর প্রগাঢ় আস্থা-বিশ্বাস অর্জন এবং রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট এই কিংবদন্তি নেতা ভারতের নানা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতের অর্থনীতি ও জাতি গঠনে বিপুল সংখ্যক পুস্তকেরও প্রণেতা। ২০০৮ সালে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক পদক ‘পদ্মভূষণ’, ১৯৯৭ সালে ‘শ্রেষ্ঠ সাংসদ’ পদক এবং ২০১১ সালে ‘শ্রেষ্ঠ প্রশাসক’ পদক লাভ করেন। তিনি বিশ্বের এবং ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমধিক সংখ্যক সম্মানীয় ডক্টরেট এবং ডি.লিট ডিগ্রী অর্জন করেন। সবশেষে ভূষিত হন ভারতরতœ সম্মাননায়।

সৎ ও সত্যবাদী নেতা হিসেবে ২০১৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত ‘ঞযব ঈড়ধষরঃরড়হ ণবধৎং ১৯৯৬-২০১২’ গ্রন্থে তিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সুদৃঢ় অবস্থানকে সুস্পষ্ট করেছেন। বিশেষ করে ২০০৬ সালের জুলাই মাসে মুম্বাইয়ের বোমা বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের ২৬ নবেম্বর মুম্বাই জঙ্গী আক্রমণ ইত্যাদির জন্য তিনি পাকিস্তানকে দায়ী করেন। এই উপমহাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ লালন-পালন, আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং সহিংস ঘৃণ্য অপকৌশল ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করে মানব জীবন, সম্পদ ধ্বংসের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন তিনি। সে সময় পাকিস্তানের দাবি ছিলÑ এসব কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছিল রাষ্ট্রহীন নায়কদের (ঘড়হ-ংঃধঃব ধপঃড়ৎ) মাধ্যমে। এই দাবির প্রেক্ষিতে শ্রী মুখার্জী বলেছিলেন, রাষ্ট্রহীন জঙ্গী নায়করা স্বর্গ থেকে আসে না। তারা বিশেষ দেশের নির্দিষ্ট ভূখ- থেকেই আবির্ভূত হয়। তিনি আরও বলেছেন, করাচি বন্দর থেকেই এসব সন্ত্রাসীদের আগমন।’

শ্রী প্রণব মুখার্জীর জীবন-আদর্শ-সমাজ-রাজনীতি-সংস্কৃতির চর্চা ও পরিচর্যায় একজন উঁচুমার্গের বরণীয় ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী অন্যতম বিশ্বশীর্ষ এই রাজনীতিকের জীবন-বৃত্তান্ত এত বেশি প্রশস্ত যে, তার বর্ণনা-বিশ্লেষণ কয়েকটি গ্রন্থেও সংকুলান হওয়ার নয়। নিবন্ধের শেষে এই মহান অভিভাবকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী
লেখক : শিক্ষাবিদ, সাবেক উপাচার্য,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT