ঢাকা, সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শিরোনাম

গুয়াতেমালায় ভারি বৃষ্টির পর ভূমিধস ॥ নিহত ৫০

প্রকাশিত : 06:20 PM, 6 November 2020 Friday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালায় ক্রান্তীয় ঝড় ‘এতা’-র প্রভাবে প্রবল বৃষ্টির পর কয়েকটি ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এক শহরেই প্রায় অর্ধেক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে; এখানে পাহাড়ের একটি অংশে ধসের পর প্রায় ২০টি বাড়ি ঘন কাদার নিচে চাপা পড়ে বলে দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো জামাতেই জানিয়েছেন।

একটি হারিকেন হিসেবে ‘এতা’ মঙ্গলবার প্রতিবেশী নিকারাগুয়া হয়ে সাগর থেকে স্থলে উঠে আসে, পরে দুর্বল হয়ে ক্রান্তীয় ঝড়ে পরিণত হয়।

গুয়াতেমালায় ভূমিধসের ঘটনাগুলোর পর বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে জামাতেই জানান, ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কয়েক মাসের সমপরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে।

ভারি বৃষ্টি চলতে থাকায় উদ্ধারকারীরা সান ক্রিস্তোবাল ভেরাপাজ শহরসহ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটিতে পৌঁছতে পারছেন না। অর্ধেক মৃত্যুর ঘটনাই এই শহরটিতে ঘটেছে।

“এখন আমরা পায়ে হেঁটে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করছি, কারণ আর কোনও পথ নেই,” বলেছেন জামাতেই।

চার মাত্রার হারিকেন হিসেবে ঘণ্টায় একটানা ২২৫ কিলোমিটার বাতাসের গতি নিয়ে ‘এতা’ নিকারাগুয়ায় আঘাত হেনেছিল। এটি নিকারাগুয়া থেকে প্রতিবেশী হন্ডুরাসে গিয়ে দুর্বল হয়ে ক্রান্তীয় নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং পরে আরও সরে গুয়াতেমালায় গিয়ে হাজির হয়।

পুরো মধ্য আমেরিকাজুড়ে এতার তাণ্ডবে ৭০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

হারিকেন আঘাত হানার আগেই প্রায় লাখখানেক লোককে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছিল নিকারাগুয়া। এরপরও দেশটির উত্তর উপকূলে ভূমিধসে দুই জনের মৃত্যু হয়। তারা খনিতে কাজ করার সময় সেখানে ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটে।

হন্ডুরাসের সান পেদ্রো সুলা শহরে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ১৩ বছরের এক কিশোরীর ওপর ঘরের দেয়াল ধসে পড়ার পর তার মৃত্যু হয়।

হন্ডুরাস সরকার জানিয়েছে, পানি বাড়তে থাকার মুখে ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৫০০ নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। আরও বহু মানুষ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

হন্ডুরাস ও গুয়াতেমালার ঝড় কবলিত অঞ্চলগুলো থেকে আসা ছবিতে দেখা গেছে, ডুবে যাওয়া রাস্তাগুলো দিয়ে লোকজন পানি ভেঙে এগিয়ে যাচ্ছে, বহু জায়গায় ঘরবাড়ি ও গাড়ি প্রায় পানিতে ডুবে আছে।

‘এতা’ এখনও মধ্য আমেরিকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত ও প্রাণঘাতী বন্যার কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার।

উত্তর-পূর্বে কিউবা ও ফ্লোরিডার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে ঝড়টি ফের শক্তি সঞ্চয় করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT