ঢাকা, মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

গার্মেন্টসের চালানে যাচ্ছিল ইয়াবা, শাহজালালে জব্দ

প্রকাশিত : 11:59 AM, 17 October 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

বারো কেজি এমফেটামিন জব্দের রেশ না কাটতেই ফের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়েছে ইয়াবার বিশাল চালান। বৃহস্পতিবার রাতে রফতানি কার্গো হাউসে কর্তব্যরত এভসেক সদস্যরা সন্দেহজনক পরীক্ষা করে গার্মেন্টস পণ্যের কার্টনে থাকা ৩৮ হাজার ৯শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করেন। চালানটি যাচ্ছিল রিয়াদে সাউদিয়া কার্গো এয়ারের একটি ফ্লাইটে। ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য অধিদফতর বিভাগের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএস তৌহিদ-উল আহসান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সৌদিগামী তৈরি পোশাক রফতানি পণ্য চালানের ৩টি কার্টন থেকে ৩৮ হাজার ৯শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। চার শ’ কার্টনে এগুলো রাখা ছিল রফতানির জন্য। কর্তব্যরত এভসেক সদস্য কামরুল হাসান ও আরিফ আহমদের সন্দেহ হলে একটি কার্টন খুলে দেখতে পান গার্মেন্টস পণ্যের ভেতর সুকৌশলে ছোট ছোট প্যাকেটে ইয়াবা। পরে সবগুলো কার্টন খুলে তারা দেখতে পান বিপুলসংখ্যক ইয়াবা। তাৎক্ষণিক খবর দেয়া হয় কাস্টমস ও মাদকদ্রব্য অধিদফতরের লোকদের যাদের উপস্থিতিতে পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এভসেক পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন ওবায়দুর রহমান, উপরিচালক বেনী মাধব বিশ্বাস ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এসএম রাব্বানী ও জ্যোতি মুকুল চাকমা।

জানা গেছে, এগুলোর বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা। বিল অব এক্সপোর্ট অনুযায়াী পণ্য চালানের রফতানিকারক এমএস সিয়াম এ্যান্ড সমি এন্টারপ্রাইজ এবং ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে খিলগাঁও পশ্চিমপাড়া। আর আমদানিকারক হিসেবে লেখা রয়েছে সৌদি আরবের এ্যাপারিজ ইন্টারন্যাশনাল ইস্ট, যেখানে ঠিকানা দেয়া হয়েছে রিয়াদের আল ওয়াজির ট্রেডিং সেন্টার। সাউদিয়া এয়ারের কার্গো ফ্লাইটে চালানটি পাঠানো সম্ভব হলে সেটা রিয়াদেই গ্রহণ করা হতো। কার্গো পরিবহনকারী হিসেবে সাউদিয়া এবং রফতানিকারক হিসেবে এমএস সিয়াম এ্যান্ড সমি এন্টারপ্রাইজের দায় কতটুকু প্রশ্ন করা হলে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এস এইচ তৌহিদ-উল আহসান বলেন, এ নিয়ে এখনই কোন মন্তব্য করা যাবে না। মাদক বিভাগ তদন্ত করার পর জানা যাবে কার কতটুকু দায়। উল্লেখ্য গত মাসে একই স্থানে জব্দ করা হয়েছিল সাড়ে বার কেজি ভয়ঙ্কর মাদক উপাদান এমফেটামিন। ওই ঘটনায় মাদক বিভাগ একটি মামলা দায়ের করে এবং ৭ জনকে গ্রেফতার করে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ আহসানুল জব্বার জানান, এমফিটামিনের মূল নায়ককে এখনও ধরা যায়নি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT