ঢাকা, রবিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিক রূপের পথে প্রধান অন্তরায় বিএনপি ॥ সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত : 07:17 PM, 10 November 2020 Tuesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

সাবেক স্বৈরশাসকখ্যাত এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন নূর হোসেন। প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় ১০নবেম্বর দিবসটি পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। মঙ্গলবার দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর গুলিস্তানে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি সহ বাম ঘরনার সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে। তারা বলছেন, ৩০ লাখ শহীদের আকাঙ্খার অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে, সত্যিকারের গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।

গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিক রূপের পথে প্রধান অন্তরায় বিএনপি ॥ গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিক রূপের পথে প্রধান অন্তরায় বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার শহীদ নূর হোসেন দিবসে রাজধানীর গুলিস্তানে নুর হোসেন চত্বরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নূর হোসেন সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একজন সাহসী বীরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। নিজের বুকে পিঠে লিখেছিলেন, স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। সেদিন নূর হোসেনের শরীর ছিল জীবন্ত রাজনৈতিক পোস্টার। শহীদ নূর হোসেন বাঙালির মনে সংগ্রামের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিল।

আজ গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে না পারলে, ৩০ লাখ শহীদের আকাঙ্খার অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে, সত্যিকারের গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।

বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ভাবাআদর্শকে ধারণ করে যে রাজনৈতিক দলের জন্ম তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। তাদের কাছে গণতন্ত্র ছিল, হা এবং না ভোটের গণতন্ত্র। যে ভোটে না বাক্স ছিলই না। সেদিন কোনো কোনো কেন্দ্রে ১১০ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তাদের গণতন্ত্র কারফিউ গণতন্ত্র। গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার পথে বিএনপি প্রধান অন্তরায়।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে আহ্বান জানাই, গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসুন। রাজনীতির ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসুন। গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার চক্রান্ত থেকে বেরিয়ে আসুন। ষড়যন্ত্র আর পেছনের দরজা দিয়ে আপনারা ক্ষমতা দখলের অপরাজনীতি পরিহার করুন। আসুন বঙ্গবন্ধুরকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।

সরকার নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে, আত্মত্যাগের সঙ্গে বেঈমানি করে শাসন জারি রেখেছে

সরকার নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করেছে ॥ বর্তমান সরকার নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে, আত্মত্যাগের সঙ্গে বেঈমানি করে শাসন জারি রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।

তিনি বলেন, নব্বই সালের স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনের যে মূল চেতনা, তা নূর হোসেনের মাধ্যমে প্রতীকায়িত হয়েছিল। নূর হোসেনের বুকে এবং পিঠে ‘স্বৈরাচার মুক্তি পাক’ লেখার মাধ্যমে তা প্রকাশিত হয়েছিল। বর্তমান সরকার নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে, আত্মত্যাগের সঙ্গে বেঈমানি করে তার শাসন ব্যবস্থা জারি রেখেছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কায়েম করে তারা নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। দেশে নূন্যতম একটি গণতান্ত্রিক জায়গা নেই। চরম ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসন চলছে। চুরি, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন চলছে, অন্যদিকে জান, জমিন, জবান মানুষের সব ধরনের অধিকার আজ ক্ষুণ্ন। তবে জনগণ নূর হোসেনের আত্মত্যাগ স্মরণ রাখবে এবং নতুন করে আবারও সংগ্রাম গড়ে তুলবে। জনগণের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আবারও নূর হোসেন জীবন্ত হয়ে উঠবেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, গণতন্ত্র মুক্তি পায়নি, স্বৈরাচার নিপাত যায়নি। আমরা গণতন্ত্র মুক্তির জন্য সংগ্রাম চালিয়ে আসছি। আগামীতে আরো কতদিন এই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে জানা নেই। তবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গণতন্ত্রের মুক্তি আবশ্যক।

শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত গণতন্ত্র পদযাত্রার সূচনা বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের আহ্ববায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, এ সরকার দিনের ভোট রাতে ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে। এ সরকার আমাদের সরকার নয়। কারণ, এ সরকার আমাদের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। এ স্বৈরাচার সরকারকে উৎখাত করতে নূর হোসেন আমাদের বাতিঘর।

মান্না বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নূর হোসেন শহীদ হয়েছিলেন। আমাদের জন্য দুঃখের ৩৩ বছর পরেও এক স্বৈরাচার এ দেশের ক্ষমতায় বসে আছে। ওই স্বৈরাচারের সময় গুম, খুন হয়নি। ওই স্বৈরাচারের সময় মিছিলের ওপরট্র্রাক উঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো। এই স্বৈরাচারের সময় কথা বলতে দেয়া হয় না। এ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

গণতন্ত্র আজ অবরুদ্ধ- বিএনপি ॥ শহীদ নূর হোসেন যে গণতন্ত্রের উদ্দেশে নিজের জীবন দান করেছিলেন, সেই গণতন্ত্র আজ অবরুদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান। নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, শহীদ নূর হোসেন যে উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্যকে সামনে রেখে বুকে-পিঠে গণতন্ত্র মুক্তি পাক লিখেছিলেন, যে গণতন্ত্রের জন্য নূর হোসেন জীবন দিয়েছিলেন সেই গণতন্ত্র আজ অবরুদ্ধ, জনগণের ভোটাধিকার আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

তিনি বলেন, ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অনেকেই শহীদ হয়েছেন। রক্তের বিনিময়ে’ সেদিন আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলাম। শহীদ নূর হোসেন সেই উদ্দেশ্যেই রক্ত দিয়েছিলেন। আজ নূর হোসেন দিবসে আমাদের শপথ জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে আরও একটি গণঅভ্যুত্থান আমরা সৃষ্টি করব। জনগণের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী সরকারের মতো, বর্তমানে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা আওয়ামী সরকারের পতন হবে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। নূর হোসেন দিবস এ এটাই হোক আমাদের শপথ।

পুরোনো স্বৈরাচারেরা ‘বর্তমান স্বৈরাচারদের’ সঙ্গে মিলে ‘মহাস্বৈরাচারে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ গণতন্ত্রকামী ও মুক্তিকামী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে নূর হোসেন চত্বরে নুরুলের সংগঠন ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ যৌথভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করে৷ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ কর্মসূচীতে নুরুল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, নূর হোসেনের শহীদ হওয়ার মধ্য দিয়েই তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের আন্দোলন বেগবান হয়েছিল। আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম একটি রাজনৈতিক দল ছিল। কিন্তু আমরা খুবই লজ্জিত যে সেই আওয়ামী লীগে ভর করেই সেই স্বৈরাচারেরা আজকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নুরুল বলেন, আজকে গণতন্ত্রকামী ও মুক্তিকামী জনতাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

১০ নভেম্বর, শহীদ নূর হোসেন দিবস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লেখা স্লোগান নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন নূর হোসেন। মিছিলটি রাজধানীর জিরো পয়েন্ট (বর্তমান শহীদ নূর হোসেন চত্বর) এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নূর হোসেন শহীদ হন।

শহীদ নূর হোসেন দিবসে ‘শহীদ নূর হোসেন চত্বরে’ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলভ। দুই সংগঠনেরই কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ, জাতীয় সমাজতান্তিদ্রক দল-জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সিপিবি, গণফোরাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাম গণতান্ত্রিক জোট, সাম্যবাদী দল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলেল পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শহীদ নূর হোসেনকে গণতন্ত্রের কিংবদন্তি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া। স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগানটি বুকে-পিঠে ধারণ করে তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন অকুতোভয় এক মানুষ যার নাম নূর হোসেন। সেই থেকে তিনি যেন গণতন্ত্রের আরেক নাম। রাজধানীর নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নূর হোসেনের বড় ভাই আলী হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অনেকেই শহীদ হয়েছেন, কিন্তু নূর হোসেনকে যেভাবে জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তার ভাই হিসেবে আমি গর্ববোধ করি।

আলী হোসেন বলেন, নুর হোসেন ছোটবেলা থেকেই অনেক সচেতন ছিল। আমাদের একটা গরীব খেটে খাওয়া পরিবার। আমার বাবা একজন খেটে খাওয়া মানুষ। নূর হোসেন ছোটবেলা থেকেই সংসারে হাল ধরেছিলেন।

নূর হোসেন প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গার বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তিনি নূর হোসেন প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিয়েছেন, রাঙ্গা সাহেব যদি নূর হোসেনের অতীতের কথা জানতেন তাহলে তিনি এ কথা বলতে পারতেন না। নূর হোসেন প্রসঙ্গে যদি এমন কথা বলা হয় তাহলে গণতন্ত্রের জন্য মানুষ কিভাবে আত্মাহুতি দিবে। সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি বলতে চাই, তাদেরকে কেউ যেন এই ধরনের কথা না বলে, তারা পাগল ছিল, তারা ইয়াবা খোর ছিল। আজ থেকে ৩৩ বছর আগে নূর হোসেন শহীদ হয়েছেন। তখন ইয়াবা বলতে কিছুই ছিল না। এসব কথা বলে তারা যেন মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি না ছড়ায়। তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত তাদেরকে আমরা বিচারের আওতায় দাঁড় করাতে পারিনি।

মশিউর রহমান রাঙ্গার বক্তব্য প্রত্যাহার চান কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, উনারা বারবার এই ধরনের কথা বলে। ওরাই আবার জাতির কাছে ক্ষমা চায়। ওরা জাতির কাছে বারবার লজ্জিত হয়েছে। তারা নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। কিন্তু তারাই আবার এসব কথা বলে। তার বক্তব্য প্রত্যাহার নয়, তারা যেন এই ধরনের বক্তব্য আর না দিতে পারে। তাদের এমন বক্তব্যে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা নষ্ট হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT