ঢাকা, মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

করোনা রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরও জটিলতায় ভুগছেন

প্রকাশিত : 10:46 AM, 9 October 2020 Friday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

সুস্থ হওয়ার পরও করোনা রোগীদের বড় অংশ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা থেকে মুক্তির পরও অনেকেই শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি, মস্তিষ্ক, স্থায়ু, স্মৃতিভ্রম, নিদ্রাহীনতা ও অবসাদগ্রস্ততাসহ নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সুস্থ হওয়ার অনেক দিন পর হঠাৎ করে হার্ট ও ব্রেন স্ট্রোকসহ অজানা সমস্যায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা ও সরেজমিন প্রতিবেদনেও এসব চিত্র বেরিয়ে এসেছে। দেশে করোনামুক্ত হওয়ার পরবর্তী সমস্যার সমাধানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়েছে কোভিড-১৯ ফলোআপ ক্লিনিক। শুধু এই দুটি ফলোআপ ক্লিনিকে নয়, সারাদেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে নানা সমস্যা নিয়ে ফলোআপ করাতে যাওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শারীরিক ও মানসিক রোগের কারণে তারা ফিরতে পারছেন না স্বাভাবিক জীবনে। চিকিৎসকরা এর নাম দিয়েছেন ‘পোস্ট কোভিড সিন্ড্রম’।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে করোনামুক্ত হওয়ার পর অনেকের শরীরে দেখা দিচ্ছে একাধিক নতুন নতুন উপসর্গ। কেউ ভুগছেন ক্লান্তিতে। কারও আবার শরীর ব্যথা। কারও কারও ফুসফুস এবং হৃদরোগের জটিলতা বেড়েছে তীব্রভাবে। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি। করোনা আক্রান্ত যারা সুস্থ হয়েছে এদের মধ্যে বেশিরভাগ অনেক দিন অসুস্থ থাকে। তাই তাদের চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়ার পাশাপাশি সচেতন থাকতে হবে। নগরীর যেসব রোগী চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে এসেছে তাদের অধিকাংশই করোনা থেকে সেরে ওঠা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ে ফলোআপ সেন্টারে আসা ৫১ বছর বয়সী সেলিম মিয়া বলেন, আগস্ট মাসে রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। অথচ সামান্য তিনতলা ভবনে উঠতে খুব কষ্ট হয়। শ্বাসজনিত সমস্যা শুরু হয়েছে। ভয়ে ডাক্তার দেখাতে এসেছি। মোঃ সোবহান নামে আরেকজন বলেন, গত মাসের প্রথম দিকে নেগেটিভ এসেছে রিপোর্টে। সপ্তাহ ধরে প্রচ- কাশি আর শ্বাসকষ্ট। আবার পরীক্ষা করেছি, রিপোর্ট নেগেটিভ। এসব কিছুদিন থাকবে এরপর ঠিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গত ২৮ আগস্ট উপসর্গ দেখা দেয়, ৩১ আগস্ট নমুনা পরীক্ষা করতে দিলে ৩ সেপ্টেম্বর রিপোর্ট আসে। ৫ সেপ্টেম্বর সকালে তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে হাসপাতালে ভর্তি হন মেরুল বাড্ডাবাসী মোঃ সৈকত (৪৮)। হাসপাতাল থেকে রাজধানীর বাড্ডার বাসায় ফেরেন ২০ সেপ্টেম্বর। হাসপাতালে ১৫ দিন থাকার সময়ে ৮ দিনই তাকে ফুল টাইম অক্সিজেন নিতে হয়েছে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। স্বাস্থ্যের ব্যাপারে বরাবরই নিয়ম মেনে চলা সৈকটের আগে কোন ক্রনিক রোগ ছিল না। কিন্তু করোনা থেকে সেরে উঠলেও তিনি এখন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। তিনি বলেন, কোভিড থেকে সেরে উঠেছি, কিন্তু কোভিড আমাকে হাই ব্লাড প্রেসার দিয়ে গেল। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া শুরু হলেও ১৫০/১০৫ এর নিচে আর নামত না। বাসায় ফেরত আসার পর ঘুমের ওষুধ, প্রেসারের ওষুধ খাওয়ার পর সেটা কিছুটা নেমে আসে। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা, ওষুধ না খেলে ঘুম হয় না। হয়েছে স্মৃতিভ্রমের সমস্যা, হাত পায়ের নখ কালো হয়ে গেছে। অনেক কিছু ভুলে যাচ্ছি, এটা নিয়ে খুবই সমস্যায় পড়েছি। হয়তো যাবো শোবার ঘরে, চলে যাচ্ছি রান্নাঘরে। রান্নাঘরে আমি কেন গেলাম, সেটাও মনে করতে পারছি না। তিনি জানান, এখনও রয়েছে ভীষণ দুর্বলতা। হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরত আসার দুই মাসের বেশি সময় পর এখনও হাঁটতে গেলে কষ্ট হয়, পা ধরে যায়, বেশি সময় নিয়ে কথা বললে নিঃশ্বাসে সমস্যা হয়, বুকে চাপ লাগে। এমনকি কোন কারণে রাগ হলেও নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বলেন সৈকত।

করোনা থেকে সেরে উঠেছেন রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে বসবাসকারী আবুল কালাম (৫৪)। কিন্তু করোনা তাকে দিয়ে গেছে ডায়াবেটিস। আবুল কালাম জনকণ্ঠ বলেন, করোনার সময়ে তার চর্মরোগ দেখা দেয়, যেটা আগে ছিল না। সেসময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, মুহূর্তের ভেতরে এ্যালার্জি উঠে পুরো শরীরে ছড়িয়ে যায়। আর শরীরের যেসব জায়গা ঢেকে থাকে, সেখানে এটা বেশি হচ্ছিল। এটা খুব বাজে এ্যালার্জি ছিল। বেসরকারী ব্যাংকের কর্মী আব্দুস সালাম (৪৭) করোনা আক্রান্ত হয়ে ৮ কেজি ওজন হারিয়েছেন। কোভিড ফলোআপ ক্লিনিকে যেসব রোগী আসছেন, তাদের অনেকেই এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি কাজে মনোযোগের ঘাটতি, অনিদ্রা ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকার মতো মানসিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে অনেকের।

ফলোআপ করতে আসা করোনামুক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট কোভিড ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাঃ শ্রীনিবাস পাল বলেন, করোনামুক্ত হওয়ার পর অধিকাংশ রোগী আসছেন ফুসফুসের জটিলতা নিয়ে। প্রায় সবারই কাশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে, বুকে ব্যথা হচ্ছে অথবা দেখা দিচ্ছে শ্বাসকষ্ট। এ রোগীদের যেন দীর্ঘস্থায়ী রোগ ফিব্রোসিস না হয়, সেজন্য যথাসম্ভব চিকিৎসা দিচ্ছেন ডাক্তাররা। শারীরিক দুর্বলতা ও নিদ্রাহীনতা সমস্যার কথা বলে থাকেন রোগীরা। কারো কারো ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা বেড়েছে। ডাঃ শ্রীনিবাস বলেন, সারাদেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে নানা সমস্যা নিয়ে ফলোআপ করাতে যাওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শারীরিক ও মানসিক রোগের কারণে তারা ফিরতে পারছেন না স্বাভাবিক জীবনে। চিকিৎসকরা এর নাম দিয়েছেন ‘পোস্ট কোভিড সিন্ড্রম’।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ফলোআপ ক্লিনিকের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডাঃ খায়রুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, তাদের কাছে এখন যে হারে রোগী আসছেন, প্রকৃত রোগীর সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। এই ক্লিনিকের কথা মানুষ না জানার কারণে বাকিরা এখানে আসছেন না। পোস্ট কোভিড ক্লিনিকের তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করতে পারলে এর সুফল পাবে মানুষ। তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই করোনা পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন মানুষ। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী অধিকাংশেরই এ সমস্যা সাময়িক। তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে রোগীর শারীরিক সমস্যা অনেকাংশে চলে যাবে বলে আশা করছি। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া এবং ওষুধ সেবন এ সমস্যাকে নিরাময় করতে পারে, বলছেন তারা।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ সুলতানা শাহানা বানু বলেন, করোনা কিন্তু একেবারে নতুন একটি ভাইরাস। এটা হয়তো আরও অনেক দিন আমাদের ভোগাবে। তাই এটা সম্পর্কে আমরা নতুন করে কিছু বলতে পারছি না। আক্রান্ত পরবর্তী সমস্যাগুলো তাদের ভেতর বেশি দেখা দেয় যারা বড় কোন রোগের ঝুঁকিতে আছেন। তারা অনেকেই হয়তো খুব বেশি ভোগান্তির শিকার হয়নি বা আইসিইউতে যেতে হয়নি। কিন্তু তারা নানা সমস্যা ভুগছে। এটা যেহেতু খুব ভয়ঙ্কর একটি ভাইরাস। সব মিলিয়ে এটা হচ্ছে। যেহেতু করোনা মাল্টি অরগান ফেইলর করতে পারে। কাজেই এটা নির্ভর করে ইমিউনিটির (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) ওপর। যার শরীরে ইমিউনিটি বেশি তার এ সমস্যাগুলো কম হবে। যার কম তাদের বেশি হবে। সে হিসেবে কারো বেলায় দেখা যায় তারা ভাল হয়ে যাওয়ার পরও শারীরিকভাবে প্রচ- দুর্বল থাকছে। আক্রান্ত হওয়ার পর আইসোলেশনে থাকায় তার সাইকোলজিক্যাল যে ব্রেকডাউনটা হয় সেটার কারণে ইমিউনিটি আরও কমে যায়। ফলে করোনা সেরে গেলেও দুই থেকে তিন মাস সমস্যাটা থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নেয়া এবং ওয়েট গেইন করার কারণে নানা জটিলতা দেখা দেয়।

সিএনএন প্রতিবেদন ॥ সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির দেহে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলছে ক্লান্তি, অবসাদ ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পরও যারা নানারকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন তাদের জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হচ্ছে পুনর্বাসন কেন্দ্র।

এমিলিয়ানো পেসাকালোরো নামে এক ডুবুরির উদাহরণ টেনে সিএনএন জানায়, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর ইতালির বন্দর শহর জেনোয়ার একটি হাসপাতালে তিনি ১৭ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার তিন মাস পার হলেও ৪২ বছর বয়সী ওই ডুবুরি এখনও শ্বাসকষ্টের নানা জটিলতায় ভুগছেন। জেনোয়ার পুনর্বাসন ক্লিনিকে পেসাকালোরোর মতো আরও অনেকে আছেন যারা করোনা থেকে সেরে উঠেছিলেন। রিহ্যাবে থেরাপির কারণে এখন অনেকটাই ভাল আছেন বলে জানিয়েছেন পেসাকালোরো। ইউরোপের সংক্রমণের হার কমে এলেও হাসপাতালগুলোতে এখনও কয়েক সপ্তাহ বা মাসখানেক আগে সুস্থ হয়ে ওঠা হাজারো করোনা রোগী ভিড় করছেন। রিপোর্টে করোনা নেগেটিভ হলেও এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি অনেকে। অনেকেই এখন অনলাইনে করোনার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইছেন। ইতোমধ্যেই, ইউরোপের দুই দেশ ইতালি ও যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ কোভিড-১৯ এ সুস্থ হওয়াদের পুনর্বাসন সেবা দিতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের দেহে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে অনেক গবেষণাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, করোনাভাইরাস কেবল ফুসফুস নয়, কিডনি, যকৃত, হৃদপি-, মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র, ত্বক ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্তকরতে পারে।

জেনোয়ার ওই পুনর্বাসন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডাঃ পিয়োরো ক্লাভারিও জানান, বিভিন্ন সময়ে করোনামুক্ত হওয়া অনেক রোগীর কথা বলেছি। কেবল আইসিইউতে থাকা রোগীরা না, হাসপাতালে তিন দিন থেকে বাড়িতে চলে গেছেন এমন রোগীও দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় ভুগছেন। আমরা তাদের স্ট্যান্ডার্ড ভাইরোলজিকাল ও পালমোনারি পরীক্ষা করে বিষয়টি জানতে চেষ্টা করি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যেটা দেখা যাচ্ছে, যাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ আছে, তারা আক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হননি। সুস্থ হয়ে ওঠার পরও অনেককে প্রায়ই ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, নিদ্রাহীনতা, মাথাব্যথা এবং দুর্বলতার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

এএফপির প্রতিবেদন ॥ আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত অর্ধেকেরও বেশি রোগী ও হাসপাতালের কর্মী সুস্থ হওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদী অবসাদ বা ক্লান্তিতে ভুগছেন। আইরিশ একটি হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে এমন তথ্য জানা গেছে। নতুন এ গবেষণায় করোনার প্রভাবে রোগীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন লক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

এএফপির খবরে জানানো হয়, হাসপাতালের রোগী ও চিকিৎসকদের দল করোনাভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে আরও গবেষণা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজে সেন্ট জেমস হসপিটাল এ্যান্ড ট্রিনিটি ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন ইনস্টিটিউটের গবেষক লিয়াম টাউনসেন্ড বলেন, কোভিডের বর্তমান বৈশিষ্ট্যগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। তবে সংক্রমণের কারণে মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী, তা জানা যায়নি।

গবেষকেরা দেখেন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বা হননি- এমন অনেকেই অবসাদে ভুগছেন। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী দুই-তৃতীয়াংশ নারী অবসাদের মতো উপসর্গে ভুগছেন বলেও জানান গবেষকরা। আগে যারা বিষণœতায় ভুগেছেন, তাদের মধ্যেই এমন অবসাদে ভোগার প্রবণতা বেশি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT