ঢাকা, মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

করোনায় চ্যালেঞ্জের মুখে শিক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগান

প্রকাশিত : 09:27 PM, 19 December 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

করোনাকালীন বিশ্বের যেসব খাত সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শিক্ষা। তবে এই মুহুর্তে টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। এই দুই অনুষঙ্গকে যত বেশি কাজে লাগানো যাবে, ততই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে। আর এ বিষয়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার বেসরকারি গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ‘সাসটেইনেবল টেকনোলজিস ফর ইন্ডাস্ট্রি (এসটিআই) ৪.০’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ আয়োজিত দু’দিনব্যাপী এ ভার্চুয়াল সম্মেলনে সরাসরি অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিশ্বের ২৯টি দেশ থেকে শতাধিক শিক্ষক-গবেষক অংশ নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী দিনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফায়জুর রহমান, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওটার লু’র আইইইই ফেলো ক্লাউডিও এ কেনিজারেজ, অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্নের আইইইই ফেলো রাজকুমার ভূঁইয়া, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার আইইইই ফেলো ভিনসেন্ট ওয়াং, অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের অধ্যাপক হুসেইন আব্বাস, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের সুস্মিতা মিত্রা। মূল প্রবন্ধ উপস্থ্পান করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মনজুর আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও দেশের অন্যতম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। এ দুই অনুষঙ্গকে যত বেশি কাজে লাগানো যাবে, ততই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে। এ বিষয়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও অনেককে এগিয়ে আসতে হবে।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, ‘করোনাকালীন বিশ্বের যেসব খাত সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তার অন্যতম হলো শিক্ষা। যদিও লকডাউনের শুরু থেকেই অনলাইন শিক্ষার সব সেবা নিশ্চিত করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

সম্মেলনের জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এসটিআই-২০২০ সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো গবেষক ও অভিজ্ঞতাবাদীদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা, যা কাজে লাগিয়ে টেকসই প্রযুক্তি ৪.০ উন্নয়নে আরও এগিয়ে যেতে হবে। যেহেতু আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে জোর দিয়েছি, তাই এটাকে সামনে রেখে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ালেই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।

সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন ছাড়াও নতুন আইডিয়া তৈরি এবং সাসটেইনেবল টেকলোজির চ্যালেঞ্জ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত নানা দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা মূলত চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

এদিকে সম্মেলনের প্রথমদিন রাজধানীর ট্রাফিক দূরীকরণে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এআই-বেসড প্রজেক্টের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলসেভিয়ার অর্থায়িত প্রজেক্টটি সম্মেলনে সাসটেইনেবল টেকনোলজিস ফর ইন্ডাস্ট্রি অনুষ্ঠানের সহযোগী ইভেন্ট হিসেবে কাজ করছে। এর বাইরেও সম্মেলনের অংশ হিসেবে ‘এডুকেশন ৪.০- প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনীর সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া’ শীর্ষক একটি টিউটোরিয়াল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর টিচিং অ্যান্ড লার্নিয়ের উদ্যোগে ‘এডুনিয়াস ৪.০-ফাইন্ডিং দ্য বেটার সল্যুশন ফর এডুকেশন’ শীর্ষক প্রতিযোগিতা স্থান পেয়েছে।

স্টেট ইউনিভার্সিটি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি) আয়োজিত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাত হাজার শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসিউবি’র ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক আবু তাহের খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসইউবির উপ-রেজিস্ট্রার ফারহানা শারমিন। প্রথম স্থান অধিকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাসবিন মাহবুবও অনুষ্ঠানে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

প্রতিযোগিতার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ীর হাতে যথাক্রমে ১২ হাজার টাকা, আট হাজার টাকা ও পাঁচ হাজার টাকা নগদ পুরষ্কার এবং বিভিন্নস্যুভেনির তুলে দেন এসিউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির। একই সঙ্গে অন্য দশ বিজয়ীকে মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা বিভিন্ন বই ওস্যুভেনির পুরষ্কার হিসেবে দেয়া হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT