ঢাকা, বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

করোনায় এলোমেলো শিশুদের স্বাভাবিক জীবন

প্রকাশিত : 12:36 PM, 6 October 2020 Tuesday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

সাড়ে তিন বছরের শিশু সাধ্য। কোভিড শুরুর আগে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন বাবার সঙ্গে বাইরে যাওয়া ছিল তার নিয়মিত রুটিন। বাসার পাশে খেলার মাঠ। সেখানে বল নিয়ে খেলা। রিক্সা করে ঘুরে বেড়ানো…। মাঝেমধ্যে হাত ধরে গুঁটি গুঁটি পায়ে বাজারে মাছও দেখতে যেত। প্রায় আট মাস। ছোট্ট এই শিশুদের স্বাভাবিক জীবনযাপন যেন থমকে গেছে। সংক্রমণের ভয়ে পরিবারের কেউ তাকে নিয়ে বাইরে যান না। অভাব-অনটনের সংসার। তাই সাড়ে ৫০০ বর্গফুটের ছোট্ট দুই রুমের বাসায় তার ২৪ ঘণ্টা কাটে। ইচ্ছা হলে গাড়ি বা মোবাইল নিয়ে খেলে…। নয়ত চুপ করে বসে থাকে সাধ্য। আগের চঞ্চলতা অনেকটাই নেই। তবে বাইরে যাওয়ার নেশা কাটেনি। চার তলার বারান্দার গ্রিল ধরে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকে অনেক সময়। ইচ্ছার বিরুদ্ধে টেনে নিয়ে গেলে চিৎকার করে…। কান্না যেন থামেই না…।

কয়েক মাসের মাথায় শিশুটির স্বাভাবিক আচরণে যে পরিবর্তন এসেছে বাবা-মা তা বুঝতে পেরেছেন। তবে শিশুটিকে স্বাভাবিক রাখতে পরিবারের পক্ষ থেকে চেষ্টার কোন কমতি নেই, বলছেন বাবা সুমন প-িত। তিনি বলেন, আমরা এখন সন্তান ও তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত। ভাবছি একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দ্রুত দেখাব।

করোনায় ১০ বছরের শিশু মিতালীর ২৪ ঘণ্টা কাটে আরেকটু অন্যরকমভাবে। দিনরাত মেজাজ করে এক সময়ের চুপচাপ থাকা মেয়েটি। খাওয়াদাওয়া, গোসল ও ঘুমের রুটিন বদলে গেছে। স্কুলের পড়ায় মন নেই। মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ততা। বাবা বাসায় ফেরার পর ল্যাপটপে গেম দেখা। ছোট বোনটিকেও কোলে নিতে পর্যন্ত চায় না। বাসাবোর লিটল এ্যাঞ্জেলস স্কুলের এই ছাত্রীর বাবা রুপন জানালেন, আমরা সব সময় মিতালীকে সময় দেয়ার চেষ্টা করি। গান, নাচ ও আর্ট স্কুলও বন্ধের কারণে মেয়েটি আরও বেশি সমস্যায় পড়েছে। চেষ্টা করেও তাকে আর গানে বসানো যাচ্ছে না। আর্ট ক্লাস একেবারেই ভুলে গেছে। হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করলেও সে নিজের মতো করে আলাদা সময় কাটাতে পছন্দ করে। করোনা আসলে বাচ্চাদের জীবনটা এলোমেলো করে দিয়েছে। আমরা বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তায় আছি।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে জনসমাগম এড়াতে ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে সরকার। পর্যায়ক্রমে মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। শীত মৌসুমে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে সামনের দিনগুলো আরও বিপজ্জনক। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর আর খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী এখন ঘরে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পৌনে দুই কোটি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে এক কোটির বেশি। এতে শিশুদেও মনোজগতেও পড়ছে বিরূপ প্রভাব। এর বাইরেও রয়েছে শিশুদের একটি বিরাট অংশ। সব মিলিয়ে শিশুরা এখন ভাল নেই। বিশেষ করে শহুরে শিশুদের জন্য দিনগুলো সবচেয়ে কঠিন কাটছে। গৃহবন্দী জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

বন্দী শিশুদের মনে যেন ভয় ঘিরে ধরতে না পারে সেদিকেই বেশি নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, ব্যস্ততার কারণে অন্য সময় অভিভাবকরা শিশুদের তেমন একটা সময় দিতে পারেন না। বরং এই সময়টাকে নষ্ট না করে অভিভাবকরা পরিকল্পনামাফিক প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দঘন করে তুলতে পারেন। অর্থাৎ শিশুদের হাশিখুশি রাখতে পারলে তারা ভাল থাকবে। তাদের মনে কোন বিরূপ প্রভাব পড়বে না।

এদিকে করোনা সঙ্কটে শিশুর মনোজগতে যেন নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার না করতে পারে সে জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির মতে, সন্তানকে শরীর চর্চা করাতে পারেন। সন্তানের সঙ্গে খেলায় সঙ্গ দিন। ওদের সঙ্গে খেলতে খেলতে বাড়ির বড়দেরও খানিকটা শরীর চর্চা হয়ে যাবে। পড়াশোনার বাইরে অবসর সময় কাটানোর জন্য সন্তানের হাতে মোবাইল ফোনের পরিবর্তে তুলে দিন গল্পের বই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটারের সঙ্গে যতটা কম সময় কাটাবে, ততই ভাল। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা দিনে বড়জোড় এক ঘণ্টা টিভি বা কম্পিউটারে সময় কাটাতে পারে।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এই অঞ্চলের ১২ কোটি শিশু আর্থিক সচ্ছলতা হারিয়ে দরিদ্র্য হয়ে পড়বে। জাতিসংঘের শিশুকল্যাণ সংস্থা- ইউনিসেফ প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

বাস্তবে শিশুরা কেমন আছে। তা দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, করোনার কারণে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যান ও পার্কসহ খেলার মাঠ এখনও খোলেনি। ইচ্ছা থাকলেও শিশুদের বাইরের খোলা মাঠের মুক্ত পরিবেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। রাজধানীর রমনা পার্ক দেয়ালঘেরা থাকলেও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কিছু অংশে এখনও দেয়াল নেই। শুক্রবার সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে এসেছেন। সেখানের জাদুঘরটি বন্ধ থাকায় বল আর ব্যাট নিয়ে এসেছেন আরিফ দম্পত্তি। বলেন, আমার ছেলেমেয়ারা ভাল নেই। ঘরে বন্দী থাকতে থাকতে দিন দিন কেমন হয়ে যাচ্ছে। তাই ঝুঁকি থাকলেও এসেছি।

ঘরে থাকলেও মৃত্যু, বের হলেও মৃত্যু! তবুও বাঁচার চেষ্টা করে দেখি। যদি পারি। চোখে-মুখে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা নিয়ে এসব কথা বলছিলেন মিরপুর থেকে আসা আনিসা রহমান। তিনি বলেন, চাকরির প্রয়োজনে স্বামী ঢাকার বাইরে থাকেন। মাঝে মাঝে আসেন। কিন্তু আমার মেয়ের তো দিন যাচ্ছে না। তাই বের হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।

উদ্যানে এসে মাস্ক খুলে স্বস্তির নিঃশ^াস নিচ্ছিল পৃথা আর বৃষ্টি। দুই বোন জানাল, দীর্ঘদিন পর বাসা থেকে বের হলাম। খুব খুশি লাগছে। মনে হয় এর চেয়ে আর আনন্দ নেই। যা বন্দী পুরো সময়েও পাইনি। তবে পৃথা মাঠে এলেও একেবারেই চুপচাপ। কেমন যেন বদলে গেছে। কেন এমন পরিবর্তন ছয় বছরের শিশুটির জীবনে।

এর কারণ হিসেবে পুরো বিশ্ব একটি সাইকোলজিক্যাল প্যানডেমিকের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক মেহতাব খানম। তিনি বলেন, বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের ওপরও মানসিক চাপ পড়ছে। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় অভিভাবকদের কিশোর-কিশোরী সন্তানের মনের কষ্ট বুঝতে হবে। আর শিশুদের ব্যস্ত রাখতে হবে বিভিন্নভাবে। সর্বোপরি মা-বাবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল রাখতে হবে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক ভাল রাখতে হবে। তা না হলে কোন কথাই কাজে আসবে না।

মহামারীর এই দুর্যোগের সময় শিশুর মনোজগতের বৈকল্য কাটাতে সম্ভাব্য সব ধরনের বিকল্প কাজে লাগাতে হবে বলে মনে করেন মনোবিজ্ঞানী মোহিত কামাল। তিনি বলেন, অনলাইন ক্লাসগুলোর বিস্তার বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে স্কুলের পোশাক পরে এসব ক্লাসে শিশুদের অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।

ড. মোহিত কামাল বলেন, শিশুদের জন্য স্কুলে যাওয়া সব সময়ই আনন্দের বিষয়। তারা স্কুলে যাবে, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করবে, মাঠে খেলবে, শিক্ষক-শিক্ষিকার আদর পাবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় স্কুলে না যেতে পেরে তারা হতাশ ও বিরক্ত। হতাশা থেকে রাগ হয়, অল্পতে ক্ষেপে যায়, পড়তে চায় না, মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে- এসব সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। তিনি বলেন, এই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিন্তু ক্ষণস্থায়ী নয়। এটি দীর্ঘকাল থাকবে। তাই সঙ্কট মোকাবেলার জন্য আমাদের উপায় বের করতে হবে।

স্বাভাবিক শিশুদের চেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের অবস্থা আরও বেহাল। ইস্কাটনের বাসিন্দা সঞ্চিতা বলেন, আমার মেয়ের অবস্থা আরও বেহাল হয়েছে। অনেক চেষ্টা করছি তাকে স্বাভাবিক রাখতে। প্রতিবন্ধী স্কুলটি বন্ধ। তাই তার যাওয়ার কোন জায়গা নেই। কি করব? এমন উদ্বেগ নিয়ে প্রশ্ন মায়ের।

করোনাকালে সব ধরনের শিশুর মধ্যে অটিস্টিক শিশুরাই সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে বলে মনে করেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ গোলাম রাব্বানী। তিনি বলেন, এ ধরনের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অতিচঞ্চল শিশুদের নিয়েই অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি সঙ্কটে আছে। তারা অভিভাবকদের স্বস্তির নিঃশ্বাসই নিতে দিচ্ছে না। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, শিশু-কিশোরদের মধ্যে করোনার প্রাদুর্ভাব ১০ শতাংশের মতো। সমস্যা শুধু আক্রান্ত হওয়ার বিষয়েই নয়, মানসিক সমস্যাও তৈরি হচ্ছে। ঘওে বন্দী শিশুদের জীবনে এরই মধ্যে বেশ বিরক্তি চলে এসেছে। শিশুদের মধ্যে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী এবং অটিস্টিক শিশুদের কোন কিছুই স্বাভাবিক না হওয়ায় তারা খুব বেশি কষ্টের মধ্যে আছে। তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যাগুলোও অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

ডাঃ গোলাম রাব্বানী বলেন, করোনার সময় শিশুদের বিশেষ সেবা দিতে হবে। তাদের সুস্থ রাখার জন্য সাধারণ যেসব সরকারী-বেসরকারী স্কুল আছে, সেখানে অনলাইনে পঠন-পাঠন কর্মসূচী চালাতে হবে। এসবের মাধ্যমে আমরা যদি শিশুদের ব্যস্ত রাখতে পারি, তাহলে তাদের মধ্যে যেসব হতাশা, দমবন্ধ ভাব ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, তা দূর হতে পারে।

জার্মান এ্যাকাডেমি ফর চিলড্রেন এ্যান্ড ইয়ুথ মেডিসিনের বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, অতীতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় শিশু-কিশোরদের সম অধিকার পাওয়া মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি, বরং সম্ভাব্য ভাইরাসবাহক হিসেবে দেখা হয়েছে। বিভিন্ন পারিবারিক পটভূমি থেকে উঠে আসা কোন কোন শিশুর ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি শুধু অন্যায়ই নয়, ভীষণ মারাত্মকও।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডাঃ নাসিমা সুলতানা সম্প্রতি বলেন, করোনা মহামারীর কারণে আমাদের শিশুরা অনেকদিন ধরেই গৃহবন্দী। বন্দী থাকতে থাকতে তাদের মেজাজের পরিবর্তন হতে পারে। তাই শিশুদের সঙ্গে গুণগত সময় কাটানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, গৃহবন্দী থাকতে থাকতে শিশুদের মেজাজের পরিবর্তন হতে পারে।

তারা যেন উত্তেজিত না হয়ে যায়। বিষয়টা তাদের বোঝানো এবং তারা যেন স্বাস্থ্য বিধিগুলো মেনে নিতে অভ্যস্ত হয়ে যায় সে বিষয়ে পিতা-মাতা বা অভিভাবক যারা আছেন, তারা খেয়াল রাখবেন।

নাসিমা সুলতানা বলেন, গৃহবন্দী শিশুদের বিশেষভাবে যতœ নেন। তাদের জন্য ঘরে থাকাটা আনন্দময় করার জন্য যে সকল ব্যবস্থা নেয়া দরকার, সেগুলো নেবেন। তাদের পাঠদান কীভাবে আনন্দময় করা যায়, সেভাবেই আপনারা ব্যবস্থা নেবেন।

বিশে^র অন্যান্য দেশ বা অঞ্চলের মতো আমাদের দেশসহ গোটা দক্ষিণ এশিয়া করোনার ধাক্কায় কুপোকাত। চোখ রাঙিয়েই যাচ্ছে কোভিড। জনবহুল এই অঞ্চলে বসবাস পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশ মানুষের। এই অবস্থায় কোভিড-১৯ দক্ষিণ এশীয় ৬০ কোটি শিশুর ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT