ঢাকা, সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

এক শ’ বিঘা জমিতে কফি বাগান, ব্যক্তি উদ্যোগেও সৃজন হচ্ছে

প্রকাশিত : 11:41 AM, 24 October 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

ক্রমশ সম্ভাবনার ফসল হয়ে উঠছে বাংলাদেশে কফি চাষ। পার্বত্য চট্টগ্রামের পর এবার উত্তরবঙ্গে চায়ের মতোই হয়ে উঠছে কফি এলাকা। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সমতল ভূমিতে চা চাষের ব্যাপক সাফল্যের পর এবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে নীলফামারী ও রংপুর জেলায় কফি শিল্প গড়ে ওঠার পথ তৈরি হয়েছে। চাষে সাফল্য আসায় মুজিববর্ষ ঘিরে সম্ভাবনাময় এই কফি চাষের পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকারীভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে নীলফামারী জেলায় একশত বিঘা জমিতে কফি চাষের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে করে লাভবান হবেন এলাকার কৃষক, সাশ্রয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে গড়ে তোলা ছোট ছোট বাগানগুলোতে কফিও ধরছে। কফি চাষের সাফল্য চাষিদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলবার পাশাপাশি অবস্থা সম্পন্ন চাষিদের প্রক্রিয়াকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে চাষিরা নিজেদের বাগান আরও বড় করে তুলবার আকাক্সক্ষা করছেন। চায়ের মতো সফলতা এলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশের কফি বিদেশে রফতানি হবে বলে মনে করছে কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

স্বপ্ন নয় বাস্তব ॥ পাঁচশ’ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ কফি পান করে আসছে। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কফি পানের প্রমাণ পাওয়া যায় পঞ্চদশ শতাব্দীতে ইয়েমেনে। কফি শব্দটি গ্রামবাংলায় এক সময় কোনভাবেই পরিচিতি পায়নি। আর কফি চাষের কোন চিন্তাই মাথায় আসেনি বাংলার কৃষকদের। ১৯৮৩ সালে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে’র ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা’ গানটি ‘কফি’কে সব থেকে পরিচিত করে তোলে দুই বাংলা ছাপিয়ে সারাবিশ্বকে। জমিতে কফিচাষ করা যায় এমন কথা হয়তো বাংলাদেশের সাধারণ কৃষক কোনদিন স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। কিন্তু কফিচাষে কৃষক এখন স্বপ্ন দেখছে না- তারা কফিচাষ করে স্বপ্নকে বাস্তবরূপ দিয়েছে।

কফিচাষিরা বলছেন, সাধারণত পতিত জমিতে কফিচাষ বাড়ানো গেলে অন্য যে কোন ফসলের চেয়ে লাভ বেশি। এদিকে কৃষি বিভাগের অভিমত, পানি নিষ্কাশনযুক্ত যে কোন উঁচু জমিতে কফিচাষ করা সম্ভব। দেশে বর্তমানে রোবাস্টা ও এ্যারাবিকা দুই জাতের কফিচাষ হচ্ছে। তবে নীলফামারী জেলায় রোবাস্টা জাতের কফির ফলন বেশি। তাই বাণিজ্যিকভাবে ওই জাত আবাদের পরিকল্পনায় কৃষি বিভাগ মাঠে নেমেছে। এছাড়া কফির ফুল থেকে উন্নতমানের মধু আহরণ করা সম্ভব এবং এই জমিতে মিশ্র ফসল আবাদ করা সম্ভব।

এদিকে নীলফামারীতে ব্যক্তিগতভাবে কফিচাষ হচ্ছে খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন কফির বাগান দেখতে আসছেন। ইতোমধ্যে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বিপিএমসহ পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা কফি বাগান পরিদর্শন করেন। ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, উত্তরাঞ্চলের নীলফামারীর গ্রামে কফিচাষ হচ্ছে এই খবরটি অত্যন্ত আনন্দের। সেই আনন্দে কফিবাগান পরিদর্শন করে আমি অভিভূত হয়ে পড়েছি। আমি আশা করছি বাংলাদেশের কফি একদিন বিদেশে রফতানি হবে।

নীলফামারী জেলায় বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টির মান উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ১০০টি কফি বাগান সৃজনে কাজ শুরু হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর চারা রোপণ করে বাগান সৃজন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কৃষিবিদ ড. আলহাজ উদ্দিন আহাম্মেদ। জেলা কৃষি সম্প্রসরণ দফতরের আয়োজনে সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া গ্রামে ওই কফির চারা রোপণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের উপ-পরিচালক মোঃ ওবায়দুর রহমান ম-ল, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান, ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী, সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার, কিশোরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আনিছুজ্জামান, জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় জেলায় প্রদর্শনী হিসেবে ১০০টি কফি বাগান সৃজন করা হবে। এক বিঘা আয়তনের প্রতিটি বাগানে কফির চারা লাগানো হবে ৩৫০টি করে। জেলা সদরের সংগলশী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া গ্রামে উদ্যোক্তা একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাগানে চারা রোপণ করা হয়।

নীলফামারীর প্রথম কফিচাষি ॥ আবদুস কুদ্দুস নীলফামারী জেলার প্রথম কফিচাষি। তার বাড়ি জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলা শহরের মুন্সিপাড়া গ্রামে। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে নার্সারি ব্যবসা করি। ২০০৭ সালের দিকে জানতে পারি কক্সবাজারে কফি চাষের খবর। এরপর কক্সবাজার থেকে ২০০৯ সালে ১৫০টি কফির চারা সংগ্রহ করি। তখন প্রতিটি চারার মূল্য ছিল ২০ টাকা। ওই চারা নিয়ে এসে ৪ শতাংশ জমিতে রোপণ করি। তিন বছরের মাথায় ফল আসতে শুরু করে। প্রক্রিয়াজাতের বিষয়টি মাথায় ছিল না। তারপরও বাড়িতে কফি ফল গুঁড়া করি। কিন্তু কফির স্বাদ হয় না। এরপর নিজেই চিন্তা করে কফিগুলো কড়াইতে ভেজে গুঁড়া করে দেখলাম, কফির স্বাদ ও গন্ধ দুটোই এসেছে। এরপর স্বল্প পরিসরে এলাকায় বিক্রি করতে শুরু করি। এখন আমি কফি উৎপাদনের পাশাপাশি চারা বিক্রি করছি। তার বাগানে ছয় ফুট দৈর্ঘ্যরে চারা আছে, প্রতিফুট চারার মূল্য এক’শ টাকা হিসেবে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি। প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ টাকার চারা বিক্রির কথাও জানালেন আবদুল কুদ্দুস।

মোছাম্মদ খাদিজা আক্তার ॥ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা মৌজার শৌলমারী সু-নগর গ্রামের বাসিন্দা মোছাম্মদ খাদিজা আক্তার। ব্যবসায়ী স্বামী নজরুল ইসলাম ২০১৪ সালে মৃত্যুবরণের পর দুই ছেলেকে নিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। এরপর মনোবল ফিরে এনে এক নারী হয়ে নেমে পড়েন কৃষি কাজে। কৃষির অন্যান্য ফসল আবাদের পাশাপাশি মোছাম্মদ খাদিজা আক্তার ২০১৯ সালে ৪০ শতাংশ জমিতে কফির বাগান গড়ে তোলেন। তিনি বলেন, আমার চার একর জমির ওপর বাড়ি এবং বিভিন্ন ফলের বাগান করেছি। ওই বাগানের ৪০ শতাংশ জায়গায় ৫৮৬টি কফিগাছ আছে। এগুলোর মধ্যে ২৪৬টি গাছে ফল এসেছে। ফলনও ভালই হয়েছে। কৃষি বিভাগের লোকজন প্রতিনিয়ত এসে পরামর্শ দিচ্ছেন।

খাদিজা আক্তার বলেন, আমার বড় ছেলে নর্দান ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় আমাকে কফিচাষে উদ্বুদ্ধ করে। ছেলে এখন একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং বিভাগে চাকরি করছে। এ কারণে কফি বাজারজাতকরণে অসুবিধা হবে না বলে সে জানিয়েছে। তিনি বলেন, কফি অন্য যে কোন ফসলের চেয়ে দাম বেশি। ফলন দেখে বোঝা যায়, এটি অনেক লাভজনক হবে। আমি আগামী বছরে আরও পাঁচ শ’ চারা লাগাব। এর আগে তিনি প্রতিটি চারা ২০০ টাকা হিসেবে ৮০০ চারা সংগ্রহ করেছিলেন। যার মধ্যে ৫৮৬টি গাছ টিকে আছে। তার মতে, কফি সাধারণত উঁচু জমিতে হয়, যেখানে ধান পাট চাষ করা যায় না।

সুলতান আলী ॥ জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কাছারীপাড়া গ্রামের সুলতান আলী জানালেন ২০১৯ সালে ৮ শতাংশ জমিতে চাষ করেন কফি। তার ৯০টি গাছের মধ্যে ৮০টিতে ফল এসেছে। একটি বেসরকারী সংস্থার দেয়া কফিগাছের চারা এবং আর্থিক সহযোগিতায় তিনি কফিচাষ করেছেন। কৃষি বিভাগ নিয়মিতভাবে তাদের পরামর্শ দিয়ে কফিচাষে উৎসাহিত করছেন বলেও জানান তিনি।

মোখলেছুর রহমান ॥ রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের মোখলেছুর রহমান। তিনি ২০১৭ সালে ২৮ শতাংশ জমিতে ৮০০ কফি গাছের চারা রোপণ করেন। প্রায় দেড় বছরের মাথায় গাছে প্রথম কফির ফুল আসে এবং ৫ কেজি শুকনো কফিবীজ সংগ্রহ করেন। প্রক্রিয়াজাতকরণে তিনি জানান, প্রথমে পরিপক্ব বীজগুলোকে চটের বস্তায় নিয়ে হাত দিয়ে ঘঁষে খোসা ছাড়িয়ে নেন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রোদে শুকান। এরপর শুকনা বীজগুলোকে আবার চটের বস্তায় নিয়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বীজের ওপরের পাতলা শক্ত আবরণটি ভেঙ্গে ফেলেন। তারপর বীজগুলোকে চুলায় বড় কড়াইয়ে ভেজে নেন। এরপর আটা ভাঙ্গানো মিলে নিয়ে গুঁড়ো করে নেন।

মোখলেছুর রহমান জানান, তিনি বেশ উৎফুল্ল। এ বছর ব্যাপক উৎপাদন দেখে কফির বাণিজ্যিক চাষাবাদের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ বছর তার বাগানের প্রায় ৪৫০টি গাছে ফল ধরেছে এবং সবকটি গাছ মিলিয়ে তিনি ফলন হিসেবে ২৫-৩০ কেজি শুকনো কফি বীজ পাবেন বলে আশা করছেন।

কৃষি বিভাগ যা মনে করছে ॥ নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ওবায়দুর রহমান ম-ল বলেন, নীলফামারীর মাটি বেলে-দোআঁশ হওয়ায় এই মাটি কফিচাষের উপযোগী। চা গুল্মজাতীয় গাছ, কফি একদম গাছ গোত্রেরই। এদেশে চা চাষের ইতিহাস সুদীর্ঘ হলেও কফিচাষ খুব বেশিদিনের নয়। গত কয়েক বছরে উত্তরাঞ্চলে বেশ কিছু জেলায় চা চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। সেখানে বেশ উৎকৃষ্টমানের চা উৎপাদন হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলে চা চাষের সফলতার পর এবার কফিচাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। দেশের পার্বত্য জেলাগুলোয় বেশকিছু কফি বাগান গড়ে উঠলেও উত্তরবঙ্গে এই প্রথম কফির চাষ হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু উদ্যোমী ও আগ্রহী কৃষকের হাত ধরে নীলফামারী ও রংপুরে কফি উৎপাদন করছেন। স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করে তারা তা বাজারে ছাড়ছে।

সূত্রমতে যদিও চা চাষের জন্য মাটির পিএইচ ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দরকার। কফিও এ রকম অম্লমাত্রার মাটিতেই চাষের উপযোগী। তবে কফিগাছ চা-গাছের মতো ছাঁটাই করতে হয় না। শুধু গাছের নিচের দিকের পাতা একটু ছেঁটে দিতে হয়। এছাড়া চা-গাছে সেচ লাগে, কফিগাছে সেচ দিতে হয় না। চা-গাছে ছায়াবৃক্ষের দরকার পড়ে, কফিগাছে তা লাগে না। চা-গাছের মতো কফিগাছে রোগবালাইয়ের আক্রমণ নেই। কফি ফল উত্তোলনের সময় অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি। একটি কফিগাছ থেকে ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম কফি পাওয়া যেতে পারে।

নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ, জলঢাকা ও রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় চারজন কৃষক ইতোমধ্যে কফিচাষ করেছেন। তাদের গাছে ফলও ভাল এসেছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে নীলফামারী জেলায় আগামী এক মাসের মধ্যে সরকারীভাবে এক শ’ বিঘা জমিতে রোবাস্টা জাতের কফিচাষের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কফিচাষে আগ্রহীদের বিনা মূল্যে চারা সরবরাহ করবে। তিনি বলেন, প্রতি বিঘায় ৩৫০-৪০০টি চারার প্রয়োজন হবে। প্রতিকেজি শুকনা কফিবীজ যদি ৮০০-১০০০ টাকায়ও বিক্রি হয়, তবে ১ বিঘা থেকে বছরে ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। এতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে কফি রফতানি পণ্যের তালিকায় যুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কফি প্রক্রিয়াজাতকরণে কোন সমস্যা হবে না। প্রক্রিয়াজাত করা হবে দেশীও পদ্ধতিতে। কফিবীজ ফাটিয়ে চূর্ণ করে সেই ভাঙ্গা কফি রোদের তাপ অনুযায়ী ৪০ মিনিট থেকে ৭০ মিনিট পর্যন্ত শুকিয়ে তা সংরক্ষণ করা হবে। তিনি জানান, কফি গুঁড়া করার পদ্ধতিতে প্রত্যেকে বাড়িতেই প্রক্রিয়াজাত করতে পারবেন। এজন্য শুধু একটি ব্লেন্ডার মেশিন লাগবে যা খুবই সহজলভ্য। তিনি বলেন, আমাদের দেশে গত বছর যে ৬০ মেট্রিক টন কফি উৎপাদিত হয়েছে সেটা ব্লেন্ডার মেশিনে প্রক্রিয়া করা হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT