ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার পথে ১৪ রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক ◈ পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিশ্বে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : রাষ্ট্রপতি ◈ ‘পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশে শান্তি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর’ ◈ প্যানেল থেকে নিয়োগের সুযোগ কোন নেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ◈ আগামী ১ জানুয়ারি ২০২০ চালু হচ্ছে ‘নগর অ্যাপ’: মেয়র আতিকুল ◈ এই মুহূর্তে ওমরায় যাওয়ার সুযোগ নেই : ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনবে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান ◈ বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বাংলাদেশের পরিপন্থী পাকিস্তানের এজেন্ট ছিল ॥ আবদুল মুহিত ◈ ঢাকার জলাবদ্ধতার মূল কারণ খাল দখল ॥ তাপস ◈ সাজার রায়ে আমৃত্যু উল্লেখ না করলে যাবজ্জীবন ৩০ বছর

এক গাছেই নানা রঙের ফুল, বিচিত্র সম্ভার

প্রকাশিত : 08:20 AM, 12 November 2020 Thursday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

একটিই গাছ, গাছ বলছি, আসলে গুল্ম। তাতে নানা রঙের ফুল। এর চেয়ে দারুণ ব্যাপার আর কী হতে পারে! সন্ধ্যামণি তাই বিশেষ আকর্ষণ। একাই বাগানের শোভা অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়। মোটামুটি সারাবছরই ফুল ফোটে। বিচিত্র সম্ভার মুগ্ধ করে রাখে প্রকৃতিপ্রেমীদের।

গাছটি অতি সাধারণ। ঝোপঝাড়ের মতো দেখতে। কিন্তু বহুবর্ষজীবী। একসঙ্গে অনেকগুলো গাছ হয়। ঘন হয়ে ফুল ফোটে। অমনি বদলে যায় চারপাশটা। রঙিন হয়ে ধরা দেয়। যেসব বাগানে শুধু গাছ আর গাছ, সারাবছর কেবল পাতাই দৃশ্যমান হয়, সেখানে সন্ধ্যামণি ফুলের সৌন্দর্যটুকু আলাদা করে সবার সামনে তুলে ধরে। অভিন্ন আকার আকৃতির ফুল লাল সাদা হলুদ বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। এসব রং ফুলটিকে অন্য ফুল থেকে আলাদা করে। এক ফুলের পাপড়িতেও দেখা যায় একাধিক রং। কোন একটি ফুলের চারটি পাপড়িই হয়ত কাঁচা হলুদ রঙের, একটি পাপড়ি আবার লাল! এর পর আর কম্পোজিশনটা স্পেশাল না হয়ে পারে না। কোন কোন ফুলের পাপড়িতে ক্ষুদ্রাকার তিল বা হালকা রেখা দৃশ্যমান হয়। এ কারণেও সৌন্দর্যের বৃদ্ধি ঘটে। ঘ্রাণটাও বেশ।

সন্ধ্যামণির বৈজ্ঞানিক নাম মিরাবিলিসি জালাপা। আরও কিছু নাম আছে। সন্ধ্যামালতি নামে চেনেন অনেকে। কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি …। কৃষ্ণকলিও বলা হয়ে থাকে। বাইরের দেশে তাকালে পাই আরও কিছু নাম। ধারণা করা হয়, ফুলটি পেরু থেকে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। ইংরেজীতে একে তাই মার্বেল অব পেরু বলা হয়। আর বিকেল চারটা নাগাদ ফোটে এই বিবেচনায় দেয়া হয়েছে আরও একটি নাম- ফোর ও’ক্লক।

উদ্ভিদবিদ দ্বিজেন শর্মার প্রথম পছন্দ সন্ধ্যামণি নামটি। তার বর্ণনা থেকে জানা যায়, সন্ধ্যামণি ক্রান্তীয় আমেরিকার প্রজাতি। গাছ লম্বায় ৬০ থেকে ৯০ সেমি পর্যন্ত হয়। পাতা তাম্বুলাকৃতি, প্রায় ৮ সেমি লম্বা। আর ফুল হয় ৩ থেকে ৫ সেমি। সন্ধ্যামণি ফুলের রং যেমন অনেক, জাতপাতও আছে কয়েকটি। রংয়ের উপর ভিত্তি করেই জাতপাত নির্ধারণ করা হয়। যার যেটি পছন্দ, নার্সারি থেকে সংগ্রহ করে বাগানে বা টবে লাগাতে পারেন। তবে এখন নয়, শীতটা যাক। বসন্তে বীজ বা গাছ লাগান। উপভোগ করুন সন্ধ্যামণির সৌন্দর্য।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT