ঢাকা, রবিবার ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

অর্থনীতি চাঙ্গা রাখার টার্গেট ॥ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে একগুচ্ছ উদ্যোগ

প্রকাশিত : 10:49 AM, 19 December 2020 Saturday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ফের লকডাউনে চলে যাওয়ায় এ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া করোনা সংক্রমণ বাড়ছে দেশেও। এতে রফতানি, রেমিটেন্স ও আমদানি কার্যক্রমে আবার সঙ্কট দেখা দিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের নেয়া প্রণোদনা প্যাকেজ নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে ৯০ শতাংশ প্রণোদনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি যুক্ত করা হচ্ছে নতুন প্রণোদনা। রফতানিমুখী শিল্প ও সেবা খাত, গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের সুবিধা সম্প্রসারণে নতুন করে সাজানো হচ্ছে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন কৌশল। ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) মাধ্যমে কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত কটেজ ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের কাছে সহজেই ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল পৌঁছে দিতে নতুন একটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত এই প্যাকেজের আকার হতে পারে ৫-১০ হাজার কোটি টাকার।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ঘোষিত ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজের দ্রুত বাস্তবায়ন, অর্থনীতির প্রধান খাত রফতানি ও রেমিটেন্সের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত রাখা। এ ছাড়া অর্থনীতির সামগ্রিক চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ থাকবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় নতুন কর্মকৌশল ঠিক করতে সিরিজ সংলাপ শুরু করেছে অর্থ বিভাগ। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ঘোষিত এসব প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হার ত্বরান্বিত করতে অংশীজনদের সঙ্গে তিন পর্বের সিরিজ সংলাপ করেছে সরকার। এছাড়া করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবেলায় কর্মসৃজন ও গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন এবং সামাজিক সুরক্ষা করের আওতায় সম্প্রসারণ ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এবার জোর দেয়ার কথা বলছে সরকার। পাশাপাশি প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে রফতানিমুখী গার্মেন্টস, করোনা রোগীকে সেবা প্রদান, বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্থগিত ঋণের আংশিক সুদ মওকুফ, এসএমই খাতের ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম, রফতানিকারকদের জন্য প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট ফিন্যান্স, কৃষি ভর্তুকি ও উৎপাদন বাড়ানোর মতো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দেশী-বিদেশী সব পক্ষের সঙ্গে আবার বসতে যাচ্ছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রণোদনার সুবিধা পৌঁছানোর বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দুদফা মেয়াদ বাড়ানোর পরও এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঋণের অর্ধেকও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিতরণ করতে পারেনি ব্যাংকগুলো। ফলে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাতটি করোনার আঘাত মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে প্যাকেজটি বাস্তবায়নে এনজিওদের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কাছে সুবিধা পৌঁছানোর জন্য এনজিও ফাউন্ডেশন, এসএমই ফাউন্ডেশন, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনকে (পিকেএসএফ) অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ খাতে প্রণোদনার যে অর্থ বিতরণ অবশিষ্ট রয়েছে, তা ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি এসব সংস্থার সদস্যদের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। বিতরণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমে সকল ব্যাংকের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে। সিএসএমই খাতে চলতি মূলধনে জোগান দিতে গত এপ্রিল মাসে ঘোষিত এই প্যাকেজের ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ, যার ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি দেবে। বাকি ৪ শতাংশ সুদ ঋণ গ্রহীতা পরিশোধ করবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য বাজেটে পিকেএসএফ, কর্মসংস্থান ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে যে দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়, তার এক হাজার কোটি টাকা ছাড় হয়েছে। বাকি এক হাজার কোটি টাকা এ মাসেই ছাড় করে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিদেশফেরত বেকারসহ অন্যদের ছোট ছোট ব্যবসা শুরুর জন্য এই অর্থ ঋণ হিসেবে দেয়া হবে।

এছাড়া চামড়া শিল্পের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকদের তিন মাসের ভাতা দেয়ার জন্য নতুন প্যাকেজ নেয়া হচ্ছে। এ জন্য একটি তহবিল গঠন করা হবে। ওই তহবিলে রফতানিমুখী শিল্পে বেকার হয়ে পড়া কর্মীদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেয়া এক হাজার ৫০০ কোটি টাকার সঙ্গে সরকার ৩৬৮ কোটি টাকা দেবে। ইতোমধ্যে ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। শীঘ্রই চামড়া শিল্পের শ্রমিকদের এই অর্থ দেয়া হবে। তৈরি পোশাক, চামড়াপণ্য ও পাদুকা শিল্পের শ্রমিকদের মাসে তিন হাজার টাকা করে তিন মাস ধরে নগদ সহায়তা দেয়া হবে। এটিকে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ বলছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য যে তিন হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম নেয়া হয়, তাও ঠিকমতো বাস্তবায়ন হয়নি। এ জন্য জেলে, কামার, কুমার, তাঁতি, সবজি ব্যবসায়ী, মুদি ব্যবসায়ীসহ অনানুষ্ঠানিক খাতে ব্যবসা ও উৎপাদনে অর্থায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও এনজিওদের সম্পৃক্ত করা হবে। এ ছাড়া রফতানিমুখী খাতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বাবদ ঋণ পরিশোধের সময় ও গ্রেস পিরিয়ড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত কর্মসৃজন ও গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুজ্জীবন বিষয়ে এক সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংক গবর্নর ফজলে কবির বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে প্রণোদনার সব ঋণ বিতরণ করা না গেলেও, অন্তত ৯০ ভাগ লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’ অগ্রগতি কম কেন, তার কারণ ব্যাখ্যা দিতে গবর্নর ফজলে কবির বলেন, ‘অনুমোদিত সাড়ে সাত শ’ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বড় কয়েকটি ছাড়া, বাকিরা ঋণ ছাড়ে আগ্রহী নয়। কেননা তারা মাঠপর্যায়ে ঋণ দিচ্ছে ২০ শতাংশ সুদে। বিপরীতে প্রণোদনার ঋণের সুদ ৯ শতাংশের মধ্যে। আর তাই ঋণ দিতে খুব একটা উৎসাহী নয় তারা।’ তবে এসব প্যাকেজ বাস্তবায়নের ধীরগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সরকারী- বেসরকারী সবপক্ষই। তাদের অভিযোগ, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাত ছাড়াও, অন্য ছোট খাতের প্যাকেজগুলোর তেমন একটা অগ্রগতি নেই।

বড় উদ্যোক্তারা ঋণে ভাসলেও ছোট উদ্যোক্তারা পিছিয়ে ॥ নানা পদক্ষেপ-তাগিদেও কাজ হয়নি করোনাভাইরাস সঙ্কটে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে বড় উদ্যোক্তারা ঋণে ভাসলেও ছোট উদ্যোক্তাদের ঋণ বিতরণ এখনও বাড়ানো যায়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল, ৩০ নবেম্বর পর্যন্ত ৯ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা বিতরণের জন্য অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিতরণ করা হয়েছে ৮ হাজার ২১৮ কোটি টাকা।

মহামারীর ক্ষতি সামলে উঠতে সরকার এখন পর্যন্ত সোয়া লাখ কোটি টাকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তা থেকে বড় উদ্যোক্তারা তাদের বরাদ্দ ঋণ নিয়ে শেষ করে ফেলেছেন। শিল্প ও সেবা খাতের ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ৩০ নবেম্বর পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এ প্রণোদনা প্যাকেজের ৮৮ দশমিক ১৯ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড়দের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সহজ কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে পৌঁছাতে পারছে না। এ জন্য সামাজিক সুরক্ষা খাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের জন্য বাজেট থেকে এককালীন সহায়তা দেয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম জনকণ্ঠকে বলেন, নানা অজুহাতে ব্যাংকগুলো ছোট ঋণ বিতরণে আগ্রহ দেখায় না। অথচ এই ঋণখেলাপী হওয়ার নজির খুবই কম। তারপরও ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কেন ঋণ দিতে চায় না বুঝতে পারি না। আমি মনে করি, শুধু বড় বড় উদ্যোক্তা নয়; সবার পাশেই ব্যাংকগুলোর দাঁড়ানো উচিত।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আসছে পৃথক প্যাকেজ ॥ এমএফআইগুলো সরাসরি এই অর্থ কটেজ ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ হিসেবে বিতরণ করবে। এক্ষেত্রে সুদের হার হতে পারে ১২-১৩ শতাংশ। তবে সুদের হারে সরকারের কোন ভর্তুকি থাকবে না। ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) মাধ্যমে কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত কটেজ ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের কাছে সহজেই ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল পৌঁছে দিতে নতুন একটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত এই প্যাকেজের আকার হতে পারে ৫-১০ হাজার কোটি টাকার। এমএফআইগুলো সরাসরি এই অর্থ কটেজ ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ হিসেবে বিতরণ করবে। এক্ষেত্রে সুদের হার হতে পারে ১২-১৩ শতাংশ। তবে সুদের হারে সরকারের কোন ভর্তুকি থাকবে না। গত রবিবার তহবিল গঠন ও তা পরিচালনার নীতিমালা কি হবে তা নিয়ে আবারও বৈঠক করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) কর্মকর্তারা জানান, পাঁচ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য এই তহবিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিনাসুদে শুধু ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে এমআরএর সনদপ্রাপ্ত এমএফআইগুলোকে অর্থায়ন করবে।

মেয়াদ বাড়িয়েও কৃষিঋণ বিতরণ পুরোপুরি হয়নি ॥ মেয়াদ বাড়িয়েও কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে প্রণোদনা বিতরণ পুরোপুরি হয়নি। কৃষি খাতে বিতরণের মেয়াদ চলতি মাসে শেষ হলেও বিতরণ হয়েছে মাত্র অর্ধেক। এক মাসের মধ্যে বাকি অর্ধেক বিতরণ করতে হবে। একই পরিস্থিতি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের প্রণোদনা বিতরণেও। কৃষি খাতের জন্য সরকার ঘোষিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণের সময়সীমা সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাস বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে। কিন্তু নবেম্বর পর্যন্ত অনুমোদন করা হয়েছে ২ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা। ১ লাখ ৫ হাজার ৪২৭ জন কৃষক ও কৃষি ফার্ম ঋণ পেয়েছে। বাকি এক মাসের মধ্যে প্রণোদনার ২ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা বিতরণ করতে হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT