ঢাকা, রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

অন্ধকার দ্বীপবাসীর চোখে মুখে আলোর ঝিলিক

প্রকাশিত : 09:27 PM, 6 September 2021 Monday

গণঅধিকার নিউজ ডেস্কঃ

স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুতের উন্নয়ন দেখতে যাচ্ছে নোয়াখালীর মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন হাতিয়া দ্বীপবাসী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের হাত ধরে অন্ধকার দ্বীপবাসীর চোখেমুখে এখন আলোর ঝিলিক। দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নেয়া হয়েছে ১৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি প্রকল্প। যার মাধ্যমে নিঝুমদ্বীপসহ নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষে আগস্ট মাসে ট্রাক বোঝাই মালামাল আসা শুরু হয়েছে হাতিয়ায়। নদী পাড়ি দিয়ে আনা এসব মাল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাতিয়ার উপজেলা সদরের দক্ষিণে হরেন্দ্র মার্কেটের পাশে বালুর মাঠে। যেখানে বিদ্যুতের এই বিশাল প্রকল্প স্থাপন করা হবে। এর আগে বিদ্যুত বিভাগ এই স্থানে ১৬ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে বালু ভরাট করে রেখেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, হাতিয়ার সঙ্গে মূল ভূখ-ে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নদী পথ। প্রকল্পের মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে প্রায় ১১শ’ ট্রাক। এর মধ্যে ২০ টন ওজনের বড় লরিও ব্যবহার হবে। এজন্য একটি ভাসমান ফেরি আনা হয়েছে। একবার একটি ফেরিতে ১০টির মতো ট্রাক পারাপার করা যাবে। এই ফেরিতে ট্রাকগুলো হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটে পৌঁছানো হবে। এছাড়া হাতিয়ার রাস্তাগুলো এসব ট্রাক চলাচলের জন্য উপযোগী করা হচ্ছে। তাই বিশেষ করে ঘাট এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফেরি থেকে ট্রাক নামানোর জন্য ঘাটে বিশাল মাঠ তৈরি করা হয়েছে। ঘাট থেকে প্রকল্প এলাকার দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। পুরো রাস্তায় অনেক স্থানে গাছ কেটে রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে।

বিশাল এই কর্মযজ্ঞ দেখে জনগণ উল্লসিত। বিভিন্ন বাজারের ওপর দিয়ে আসা ট্রাকগুলো দেখে অগণিত মানুষজনকে চিৎকার করে উল্লাস করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ট্রাকের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান দিচ্ছেন।

হাতিয়া বিদ্যুত বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, হাতিয়ায় স্বাধীনতার পর বিদ্যুতের তেমন উন্নয়ন হয়নি। স্বাধীনতার পূর্বে পাকিস্তান সরকার হাতিয়ায় ৫টি ডিজেল ইঞ্জিন দিয়ে শুরু করে এই বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রটি। কিন্তু অনেক পুরাতন এই ইঞ্জিনগুলো এখন অনেকটাই বিকল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউসের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার তিনটি নতুন ইঞ্জিন দিয়ে বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রটি সচল রাখে। বর্তমানে এই বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ১২শ’ কিলোওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হয়। এতে শুধু পৌর এলাকার কিছুসংখ্যক মানুষ বিদ্যুত সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নিঝুমদ্বীপসহ হাতিয়ার ১১টি ইউনিয়নের মানুষ বিদ্যুতের এই সুবিধা থেকে বরাবরই ছিল বঞ্চিত।

সরকার হাতিয়ায় টেকসই বিদ্যুতায়নের চিন্তাভাবনা অনেক আগ থেকে শুরু করেছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের অনেকে একাধিকবার সার্ভেও করেন। সবশেষে ২০২০ সালের প্রথম দিকে হাতিয়া সফর করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি হাতিয়ায় শতভাগ বিদ্যুত ব্যবস্থা করে দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। এর পরই বিদ্যুত বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা হাতিয়ায় সার্ভে করা শুরু করেন। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে বিদ্যুতের এই উন্নয়ন থমকে যায়।

পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউস ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে গতি ফিরে আসে। এর পরপরই হাতিয়ায় শতভাগ টেকসই বিদ্যুত উন্নয়নের জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করেন সরকার। যার নাম দেয়া হয় ‘হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিদ্যুতায়ন। প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৩৮৪ কোটি ৩৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা। গত ৩ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় তা অনুমোদন দেয়া হয়। বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) কে। তবে প্রকল্পের প্রায় ১০ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কুতুবদিয়া দ্বীপে।

এই প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী ফারুক আহম্মেদ বলেন, সরকারের অনুমোদন দেয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু বিতরণ বিভাগের উন্নয়ন করা হবে। উৎপাদনের জন্য চুক্তি করা হয় দেশ এনার্জি লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির সঙ্গে। তারা প্রাথমিকভাবে ১৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন প্লান্ট তৈরি করবে হাতিয়ায়। এতে ১৫ বছরের জন্য চুক্তি করা হয়েছে। যাদের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১২ দশমিক ১০ সেন্টে কিনে নেবে সরকার।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুত বিতরণের জন্য সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে হাতিয়ায়। মালামাল নিয়ে প্রথম ট্রিপের ১০টি ট্রাক হাতিয়া পৌঁছেছে। প্রতিদিন ফেরিতে দুটি করে ট্রিপ দেয়ার চিন্তাভাবনা আছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাতিয়াতে তিনটি নতুন ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়া মূল হাতিয়ায় নতুন ৪৬৫ কিলোমিটার ও নিঝুমদ্বীপে ৪৭ কিলোমিটার লাইন নির্মাণ করা হবে। পুরাতন ২৫ কিলামিটার লাইন মেরামত করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুত ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা হবে। নিঝুমদ্বীপ হাতিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হাতিয়ার মোক্তারিয়া ঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ খাল পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় অফিস ভবন কাম রেস্ট হাউস, ডরমিটরি, সীমানা দেয়াল নির্মাণ করা হবে।

বিদ্যুত কেন্দ্রটির উৎপাদনের দায়িত্বে থাকা দেশ এনার্জি লিমিটেডের সিনিয়র প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন জানান, হাতিয়ায় ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এই জন্য বিদ্যুত বিভাগ হাতিয়ার হরেন্দ্র মার্কেট এলাকায় ৫ একর জায়গা দিয়েছে কোম্পানিকে। সেখানে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। এখানে ১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হেভি ফুয়েল ওয়েল (এইচএফও) ভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাতিয়াতে একটি বাস ভবনও নিয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আনা মালামাল চট্টগ্রামের বন্দরে চলে এসেছে। গত কয়েকদিন এসব মালামাল পরিবহনে ব্যবহার করা বড় বড় ট্রাক চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে রাস্তা ঘাট। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও জানান এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোম্পানির খরচ হবে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার মতো।

এ ব্যাপারে হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সংসদ মোহাম্মদ আলী বলেন, হাতিয়াবাসীর স্বপ্ন ছিল হাতিয়ায় শতভাগ বিদ্যুতের উন্নয়ন হবে। আজ তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল এ বিষয়ে দেশ এনার্জি লিমিটেডের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হয়। ওইদিন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এই বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। এই বিদ্যুতকেন্দ্রটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে জীবন যাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে হাতিয়াবাসীর। এখানে স্থাপিত হবে কোল্ড স্টোরেজ, ছোট বড় অনেক শিল্পকল-কারখানা। যার সুফল ভোগ করবে দ্বীপের প্রায় সাত লাখ লোক। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

নোয়াখালীতে শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নোয়াখালী জেলার ২৫১৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুত সমিতির মহা-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ গোলাম মোস্তফা বিষয়টি জনকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন উপজেলাগুলো হলো : বেগমগঞ্জ, সেনবাগ, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, সুধারাম, সুবর্ণচর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া (আংশিক) ও সন্দীপ (আংশিক)। শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে ৫টি এগুলো হলো : নোয়াখালী সদর, সুবর্ণচর, সেনবাগ, কবিরহাট ও হাতিয়া (আংশিক) (হরণী ও চানন্দী)।

গণপূর্ত বিভাগের উন্নয়ন ও নির্মাণ ॥ নোয়াখালীতে গণপূর্ত বিভাগের পঁচিশটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে দুই শ’ চুয়ান্ন কোটি তিরাশি লাখ একাত্তর হাজার টাকা। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো : চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ, নোয়াখালী জেলা শহরে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, সৌন্দর্য বর্ধন সীমানা প্রাচীর ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক কাজ, সুধারম মডেল থানা, সেনবাগ উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ, সোনাইমুড়ী উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ, নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ, সেনবাগ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্র্রি অফিস নির্মাণ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নির্মাণ, সদর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্র্রি অফিস নির্মাণ, নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১২তলা বিশিষ্ট ভবনের ৬তলা ভবন নির্মাণ, সিভিল সার্জন অফিস ভবন নির্মাণ, ৫তলা ফাউন্ডেশনের ৩য় তলা বিশিষ্ট এনএসআই ভবন নির্মাণ, নোয়াখালী জেলা সদরে মডেল মসজিদ নির্মাণ, জেলার সদর উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ, বেগমগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় সুবর্ণচর উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, সোনাইমুড়ি উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, সেনবাগ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, চাটখিল উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, হাতিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ, নোয়াখালী সার্কিট হাউসের ভার্টিক্যাল এক্সেটেনশান নির্মাণ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষক কেন্দ্র ও সার্ভিস সেন্টার এবং সেনবাগ উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ উপকেন্দ্র নির্মাণ, নোয়াখালী বিটিভির উপকেন্দ্রে ৪তলা ভিত্তির ৩য় তলা ট্রান্সমিটার ভবন নির্মাণ, নোয়াখালী জেলায় জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণসহ জেলার ১০টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে।

সড়ক যোগাযোগ ॥ ফেনী-নোয়াখালী জাতীয় মহাসড়কের ফেনী মহিপাল হতে নোয়াখালী চৌমুহনী পূর্ব বাজার পর্যন্ত চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ এবং ফেনী-নোয়াখালী জাতীয় মহাসড়কের বেগমগঞ্জ থেকে সোনাপুর পর্যন্ত চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত সমাপ্তির পথে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক গণঅধিকার'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyganoadhikar@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দৈনিক গণঅধিকার'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT