সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, হলের সমস্যা সমাধান এবং ছাত্রীবান্ধব হল প্রভোস্ট নিয়োগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা।   দাবি না মানায় হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা দেওয়াসহ দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি মেনে না নিলে আবারো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।   এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে এত রাতে আসতে পারব না— ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ।  এরপর প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রী হলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে ৯টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।   দাবি আদায়ে রাত ১২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এরপর রাত আড়াইটায় উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফিরেন শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’।  শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা প্রায় সময়ই আমাদের সিট ক্যান্সেল করে দেওয়ার ভয় দেখান। তারা প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’।  এরপর শুক্রবার বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল।  এ সময় শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে এক মাসের সময় চান উপাচার্য। এরপর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এক মাস সময় না মেনে নিয়ে উপাচার্যের ভবনের সামনে অবস্থান করে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেন।  এ সময় তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দায়িত্বহীন প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করতে হবে এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে ও অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব এবং দায়িত্বশীল প্রভোস্ট কমিটি নিয়োগ দিতে হবে।   শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নিলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।  এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছি, আমরা তাদের দাবিগুলো পূরণ করব। তারা হলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেসব সমস্যা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। সেজন্য আমরা কিছু সময় চেয়েছি।
হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, হলের সমস্যা সমাধান এবং ছাত্রীবান্ধব হল প্রভোস্ট নিয়োগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানায় হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা দেওয়াসহ দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি মেনে না নিলে আবারো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে এত রাতে আসতে পারব না— ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ। এরপর প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রী হলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে ৯টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে রাত ১২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এরপর রাত আড়াইটায় উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফিরেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’। শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা প্রায় সময়ই আমাদের সিট ক্যান্সেল করে দেওয়ার ভয় দেখান। তারা প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’। এরপর শুক্রবার বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে এক মাসের সময় চান উপাচার্য। এরপর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এক মাস সময় না মেনে নিয়ে উপাচার্যের ভবনের সামনে অবস্থান করে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দায়িত্বহীন প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করতে হবে এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে ও অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব এবং দায়িত্বশীল প্রভোস্ট কমিটি নিয়োগ দিতে হবে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নিলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছি, আমরা তাদের দাবিগুলো পূরণ করব। তারা হলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেসব সমস্যা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। সেজন্য আমরা কিছু সময় চেয়েছি।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

অনুসন্ধান করুন





প্রিন্ট সংস্করণ অনলাইন সংস্করণ
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র


  • ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ে তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে ফের তীব্র উত্তেজনা
  • লালবাগ কেল্লা: মুঘল স্থাপত্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন
  • খুলনায় বসে ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ দেখা!
  • গ্রাম-বাংলায় হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য
  • গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য-”পলো বাওয়া উৎসব”
  • গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য-সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে
  • গ্রাম বাংলার বায়োস্কোপ
  • গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যে খেলাধুলা : বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের কাঁধে
  • পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চট্টগ্রাম চারুকলার শিক্ষার্থীরা রং দিয়ে ফুটিয়ে তুলছে বাংলার ঐতিহ্য
  • আবহমান গ্রাম বাংলার অন্যতম ধারক ঐতিহ্যবাহী পাল তোলা নৌকা বিলুপ্তির পথে

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ী

আবহমান বাংলার বুক ধারণ করা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

হারানোর পথে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের ধারক-বাহক নাগরদোলা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য তেলের ঘানি

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরুর গাড়ি চালাচ্ছে ছোট্ট শিশু

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দৈনিক গণঅধিকার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT